![]() |
| Add caption |
বাংলাদেশ ইন্টারচার্চ পাস্টরস অ্যান্ড লিডারস ফেলোশিপের খুলনা বিভাগের
নির্বাহী সচিব ও চার্চ অব গডের বাংলাদেশ প্রধান রেভারেন্ট টমাস জয় সরকার ও
খুলনা বিভাগ ক্যাথলিক চার্চের বিশপ রমেন বৈরাগীকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হত্যা
করা হবে বলে ইসলামী এস্টেট (আইএস) পরিচয়ে হুমকি দিয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১টা
১১ মিনিটের সময় খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের মোবাইল ফোনে এ হুমকি দেয়া হয়।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ খবর পেয়ে ওই দুই ধর্মযাজকের নিরাপত্তায়
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অপরদিকে গত ২৬
নভেম্বর বগুড়ায় শিয়া মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মুয়াজ্জিন নিহত ও রংপুরে
১০ জন খ্রিষ্টান যাজককে হত্যার হুমকির ঘটনার পর থেকেই নগরীতে পুলিশের
নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে নগরীর
খালিশপুরের শিয়া সম্প্রদায়ের মসজিদ, ২৩ সোনাডাঙ্গা মেইন রোডস্থ খ্রিষ্টান
ধর্মীয় উপাসনালয় ‘বিশপ হাউজ’র সামনে, নিরালাস্থ আহমদিয়া মুসলিম জামাতের
উপাসনালয় ও ব্যাপ্টিস্ট চার্চের সামনে নিরাপত্তায় রয়েছে পুলিশ।
রেভারেন্ড টমাস জয় সরকার হুমকির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গত শুক্রবার দুপুর ১টা ১১ মিনিটের সময় ০১৬৭৫ ৬৬৩৮১৪ নম্বরের মোবাইল থেকে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল আসে। এ সময় তিনি ফোন রিসিভ করার পর জনৈক সুমন বলেন, তুমিসহ বিশপ রমেন বৈরাগীকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হত্যা করা হবে। ঘটনাটি তাৎক্ষণিক স্থানীয় সংসদ সদস্য, কেএমপি পুলিশ ও র্যাবকে অবগত করা হয়। তিনি আরও বলেন, তাকে ফোন করে বলা হয়, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে আপনি বাইবেল পাঠ করেছেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার পদ-পদবি ছাড়বেন, তা না হলে আপনাদের দুজনকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবো না’। তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনিসহ অন্য যাজকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।বিশপ রমেন বৈরাগী জানান, হত্যার হুমকির বিষয়টি নিয়ে আমিসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা খুবই আতঙ্কিত। বাংলাদেশ ইন্টারচার্চ প্যাস্টরস অ্যান্ড লিডারস ফেলোশিপ খুলনা শাখার প্রচার সম্পাদক সুভাষ চক্রবর্তী জানান, শুক্রবার দুপুর ১টা ১১ মিনিটে একটি মোবাইল ফোন থেকে সুমন নামে এক ব্যক্তি সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও চার্চ অব গার্ডের বাংলাদেশ প্রধান রেভারেন্ড টমাস জয় সরকার এবং খুলনা বিভাগীয় ক্যাথলিক চার্চের প্রধান বিশপ রমেন বৈরাগীকে জীবননাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় বিকালে যাজক টমাস জয় সরকার সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসিকে অবগত করেন।সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস জানান, ধর্মযাজকদের মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকির বিষয় শোনার পর তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশ প্রহরায় ধর্মযাজকদের বাসায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এছাড়া হুমকির বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা কোন জিডি করেননি, তবে আমি নিজেই একটি জিডি করে রেখেছি। যার নং ১৮০৩, তাং ২৭-১১-১৫। এ ব্যাপারে কেএমপি কমিশনার নিবাস চন্দ্র মাঝি বলেন, এ বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ। কে বা কারা এ হুমকি দিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শনাক্ত করার পর কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া নগরীতে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
রেভারেন্ড টমাস জয় সরকার হুমকির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গত শুক্রবার দুপুর ১টা ১১ মিনিটের সময় ০১৬৭৫ ৬৬৩৮১৪ নম্বরের মোবাইল থেকে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল আসে। এ সময় তিনি ফোন রিসিভ করার পর জনৈক সুমন বলেন, তুমিসহ বিশপ রমেন বৈরাগীকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হত্যা করা হবে। ঘটনাটি তাৎক্ষণিক স্থানীয় সংসদ সদস্য, কেএমপি পুলিশ ও র্যাবকে অবগত করা হয়। তিনি আরও বলেন, তাকে ফোন করে বলা হয়, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে আপনি বাইবেল পাঠ করেছেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার পদ-পদবি ছাড়বেন, তা না হলে আপনাদের দুজনকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবো না’। তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনিসহ অন্য যাজকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।বিশপ রমেন বৈরাগী জানান, হত্যার হুমকির বিষয়টি নিয়ে আমিসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা খুবই আতঙ্কিত। বাংলাদেশ ইন্টারচার্চ প্যাস্টরস অ্যান্ড লিডারস ফেলোশিপ খুলনা শাখার প্রচার সম্পাদক সুভাষ চক্রবর্তী জানান, শুক্রবার দুপুর ১টা ১১ মিনিটে একটি মোবাইল ফোন থেকে সুমন নামে এক ব্যক্তি সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও চার্চ অব গার্ডের বাংলাদেশ প্রধান রেভারেন্ড টমাস জয় সরকার এবং খুলনা বিভাগীয় ক্যাথলিক চার্চের প্রধান বিশপ রমেন বৈরাগীকে জীবননাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় বিকালে যাজক টমাস জয় সরকার সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসিকে অবগত করেন।সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস জানান, ধর্মযাজকদের মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকির বিষয় শোনার পর তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশ প্রহরায় ধর্মযাজকদের বাসায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এছাড়া হুমকির বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা কোন জিডি করেননি, তবে আমি নিজেই একটি জিডি করে রেখেছি। যার নং ১৮০৩, তাং ২৭-১১-১৫। এ ব্যাপারে কেএমপি কমিশনার নিবাস চন্দ্র মাঝি বলেন, এ বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ। কে বা কারা এ হুমকি দিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শনাক্ত করার পর কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া নগরীতে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment