Monday, November 30, 2015

২৩ কলেজের জটিলতা নিরসন করার নির্দেশ

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ভুলের কারণে ২৩টি বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং (টিটি) কলেজ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে হাইকোর্ট ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি চালাচালি হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি। কোর্টের দেয়া রায় না মানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে কনটেস্পট পর্যন্ত করেছে হাইকোর্ট। কনটেম্পটের পর মন্ত্রণালয় দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে মাউশিকে নির্দেশ দিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৮ সালে পরিপত্র মাধ্যমে বেসরকারি টিটি কলেজ থেকে পাস করা বিএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১১ কোড থেকে ১০ কোডে উন্নীত করার নিয়ম বাতিল করে দেয় শিক্ষামন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে ২৩টি কলেজ হাইকোর্টে একটি রিট করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সেই পরিপত্র বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিল করে দেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে আপিল বিভাগে আপিল করলে হাইকোর্টের রায় স্থগিত না করে নিয়মিত শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ রেখে দেয় আপিল বিভাগ। মন্ত্রণালয় প্রথমদিকে এ আদেশ পালন করতে গড়িমসি করায় কলেজগুলোর পক্ষ থেকে কনটেম্পট পিটিশন করা হয়। আদালত এই ২৩টি কলেজ থেকে বিএড সনদপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে আদেশ প্রদান করে। এরপর শিক্ষামন্ত্রণালয় মাউশিকে এ নির্দেশ প্রদান করে। গত ৮ই নভেম্বর মন্ত্রণালয় জানতে চায়, ২৩ বেসরকারি টিটি কলেজ থেকে বিএড প্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন দেয়ার জন্য কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। জানা গেছে, মন্ত্রণালয়  বেসরকারি টিটি কলেজের শিক্ষকদের ১১ কোড থেকে ১০ কোডে বেতন পাবেন বলে জানান। এর আগেও একই চিঠি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু মাউশি সেই চিঠির ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে (লাল তালিকাভুক্ত ৩৮ কলেজ ব্যতীত) বাকি সব বেসরকারি টিটি কলেজ থেকে পাস করা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদান করে। বাদী ২৩ কলেজের পক্ষ থেকে বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলে এই চিঠি দিয়ে মাউশিকে বললো কাজটি সঠিক হয়নি। এজন্য এই তাগিদপত্র দিয়ে স্পষ্ট করে বলে দেয়া হয়েছে দ্রুত এই ২৩টি কলেজ থেকে সনদপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করার জন্য। এবং কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন তা জানতে চাওয়া হয়। মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) এলিয়াছ হোসেন বলেন, মন্ত্রণালয়ের চিঠি নিয়ে আইন শাখার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

No comments:

Post a Comment