Thursday, November 26, 2015

রাজশাহীতে সীমান্ত সম্মেলন দশ সমস্যা নিয়ে আলোচনা

সীমান্তে মানব পাচার, চোরাচালান রোধে দুই দেশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অন্তত ১০টি সমস্যা নিয়ে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে। গতকাল দুপুরে রাজশাহীর সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে রাজশাহীর ৬টি জেলার এবং ভারতের নদীয়া ও মূর্শিবাদ জেলার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, ভারতের নদীয়া জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিজয় ভারতী, চাঁপাই নবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর কবির, চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুস, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক বিল্লাল হোসেন, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তরফদার, মেহেরপুর জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, রাজশাহী পুলিশ সুপার নিসারুল আরিফ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার বশির আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার রশিদুল হাসান, কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার প্রলয় ছিসিম, বিজিবি-৩৭ পরিচালক শাজাহান সিরাজ, বিজিবি-৯ অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) লেফটেন্যান্ট আহমেদ জুনায়েদ আলম খান প্রমুখ।ভারতের প্রতিনিধি দলেআরও ছিলেন- মুর্শিদাবাদের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রত্নাকর রাও ও পুলিশ সুপার সি. সুধাকর, পুলিশ সুপার ভারাত লাল মীনা।বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সম্মেলনের প্রথমে গত বছরের সম্মেলনের এজেন্ডাগুলোর অগ্রগতি, দুই দেশের জেলখানার বন্দি প্রত্যাবর্তন, মানব পাচার, অস্ত্র ও মাদক পাচার, সীমান্ত পিলার চিহ্নিতকরণ, চুয়াডাঙ্গার মাজদিয়া স্থলবন্দর পুনরায় চালু, গেদে-দর্শনা সড়ক প্রশ্বস্তকরণ, সীমান্ত হাটস্থাপনসহ সিএস রেকর্ড হস্তান্তর ও অন্যান্য সীমান্ত সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে আলোচনা হয়।রাজশাহী জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী জানান, এবারের সীমান্ত সম্মেলনে অন্তত দশটি বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়েছে। এরমধ্যে বর্ডার হাট বৃদ্ধি, মানব পাচার প্রতিরোধে কাজ করা অন্যতম।

No comments:

Post a Comment