Friday, November 27, 2015

নবীগঞ্জে খুন

নবীগঞ্জে ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন (৩০)কে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে  । গতকাল বেলা সাড়ে ৩টায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইকবাল নবীগঞ্জ পৌর এলাকার নহরপুর গ্রামের আঙ্গুর মিয়ার পুত্র। ইকবালকে বাঁচাতে গিয়ে তার দুই সহোদর গুরুতর আহত হন। দুজনকে সিলেট এমজি ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা নিহত ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে যান। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এনিয়ে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নবীগঞ্জ পৌর এলাকার নহরপুর গ্রামের আঙ্গুর মিয়া ও তার ভাই বজলু মিয়া তাদের জমির ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে যায় গতকাল সকালে। ধানের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে আঙ্গুর মিয়ার বড় ছেলে ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল ও তার চাচাতো ভাই বাবলুর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার জের হিসেবে বেলা সাড়ে ৩টায় বাবলুর নেতৃত্বে ২০-২৫ ইকবালদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় ইকবাল ও তার দুই সহোদর দিলওয়ার হোসেন এবং লাভলু মিয়াকে ঘর থেকে বের করে এনে পিটিয়ে আহত করে। ইকবালকে মাটিতে ফেলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। ঘটনাস্থলেই ইকবালের মৃত্যু হয়। এ সময় গুরুতর আহত ইকবালের ছোট ভাই দিলওয়ারকে (২৮) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত লাভলু মিয়াকে (২০) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ইকবালের পিতা আঙ্গুর মিয়া জানান, যৌথ জমির ধান ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তার ভাই বজলু মিয়া ভাতিজা বাবলু, আফজল, নোমান, লিটন, ছোটন, রিপন, আবদুর রউফ, আওয়াল, আলকাছ গংরা অতর্কিতভাবে তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করে। তিনি হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি করেন। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি আবদুল বাতেন খান জানান, নিহত ইকবাল মিয়া ও তার চাচা বজলু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধান ও খড় নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।

No comments:

Post a Comment