বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সরকার
পতনের আন্দোলন হিসেবে বিএনপি পৌরসভা নির্বাচনে যাবে। এ নির্বাচনে
অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে
নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। মানবজমিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জানি এ
নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। কারণ, নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি আজ্ঞাবহ
প্রতিষ্ঠান। তারা আওয়ামী লীগের কথাই মানবে। আমাদের কথা মানবে না। বিএনপির
মতো বড় দলের দাবিকে তারা আবদার বলে আখ্যায়িত করেছে। সরকারের দলীয় লোকজনই
বসে আছে নির্বাচন কমিশনে। এ কারণেই তারা এসব কথাবার্তা বলে। পৌরসভা
নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রতীক আর কাউন্সিলর পদে সাধারণ প্রতীকে
নির্বাচনের বিষয়ে মেজর হাফিজ বলেন, পৌরসভা নির্বাচন দুই ভাগে করে সরকার
কারচুপির নীলনকশা করেছে। প্রশাসনকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের চিনিয়ে দেয়ার
জন্য এ কৌশল করেছে তারা; যাতে করে নৌকা মার্কার ইজ্জত রক্ষায় প্রশাসনের
সহায়তায় তাদের প্রার্থীকে জিতিয়ে আনতে পারে। এদিকে বিএনপি যেন নির্বাচনে
অংশ নিতে না পারে সেজন্যে গণহারে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা
হচ্ছে। বিএনপির বেশির ভাগ প্রার্থীই এখন কারাগারে। সেখান থেকেই প্রার্থীরা
নির্বাচন করবে। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার
প্রয়োগ করতে পারেনি। কোন সংবাদকর্মীকে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।
বিএনপির এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। জনগণকে তাদের
ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।
শেষবারের মতো পৌরসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ইসিকে
বাধ্য করা হবে। এর পরও যদি নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব পালন না করে, তবে
জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলন করবে বিএনপি।
Sunday, November 29, 2015
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment