Thursday, December 31, 2015

চকরিয়া বদরখালী বাজার প্রানকেন্দ্রে অতি লোকালয়ে মরিচের মিল, নিত্য হাতাহাতি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চকরিয়া উপজেলার ব্যস্ততম ও গুরুত্বপুর্ন ঐতিহ্যবাহি বানিজ্যিক এলাকার নাম বদরখালী বাজার। যেখানে মহেশখালী.মাতারবাড়ী,ধলঘাট,কুতুবদিয়া,উজানটিয়া ও মগনামার প্রায় ১০(দশ)লক্ষ মানুষের কেনাবেচার আর ,দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী প্রবেশদ্বার এ বাজার দিয়ে হওয়ায় হাজার হাজার মানুষ বদরখালী বাজারের উপর দিয়ে চলাচল করে থাকে। তাছাড়া প্রতি শুক্র ও মঙ্গলবার হাজার হাজার ব্যবসায়ী এ বাজারে কেনাবেচা করে থাকে। আর এ বাজারের প্রান কেন্দ্রে অতিলোকালয়ে পরিবেশের কোনধরনের অনুমতি না নিয়ে স্থাপন করা হয় মরিচ গুড়ার মিল। আর এ মিলের মরিচ গুড়ার সময় মরিচের গুড়ি বাতাসে উড়ে মানুষের চোখেমুখে ঢুকে বাজারের আশপাশের ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় ও  জনচলাচলে প্রচন্ড ভাবে বেঘাত সৃষ্টি হলেও মালীকের ডাকাতপুত্র ইসমাইলের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে নাপারলেও কেউ কেউ মুখ খোললে ডাকাত ইসমাইল ও তার ভাই নাছির উদ্দিন তাকে শাররীকভাবে হেনস্থ করা হয়। মিল মালীক বদরখালী বাজার পাড়া এলাকার আলী আহমদ মেস্ত্রীর বাজারের সকল এলাকার জেনেরটর বিদ্যুত সরবরাহের মাধ্যমে বছরে অর্ধকোটি টাকা আয় করলে ও আয়কর ফাঁিক দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া তার ডাকাতপুত্র ইসমাইল ধলগাটা থাকা অবস্থায় ডাকাতি করার কারনে একাধীক মামলার বর্তমান পলাতক আসামী বলে জানান এলাকার ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা জানান মরিচের গুড়ার কারনে প্রায় সময় জনগনের সাথে হাতাহাতি হয় বলে বলেন- মরিচের গুড়া বাতাসে উড়ে জনগনের চোখে মুখে ঢুকে এমন জায়গায় মরিচেল মিল স্থাপনের কোন বৈধতা আছে কিনা আমাদের জানা না থাকলেও এ ধরনের জায়গা থেকে মরিচের মিল সরানো দরকার। বাজার ব্যবসায়ী ডাঃ ইকবাল , সোলাইমান সওঃ, ডাঃ মহিউদ্দিন ও ইছহাক সওঃ এর মত প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ীরা জানান মরিচের গুড়ার মিলের ব্যপারে এলাকার সবাই বিরক্ত হলে ও বিশেষ কারনে কেউ মুখ খুলেনা। তারা বলেন-আমরা প্রশাসনের কাছে শুধু মরিচের মিল নয় জনক্ষতিকর যে কোন ব্যবসা তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের আবেদন জানাচ্ছি। এ ব্যপারে বদরখালী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ শাহজাহান বলেন- আমরা মরিচের মিলের বিষয়টি শুনেছি কিন্তু কেউ অভিযোগ না করায় ব্যবস্থা নিতে পারছিনা। কেউ অভিযোগ করলেই ব্যবস্থা নিব।

No comments:

Post a Comment