![]() |
| মোশাররফ হোসেন |
সরকারকে
আবাসন খাতে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী
মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর কাছে
অনুরোধ, এ খাতে বিনিয়োগ করুন। এখানে হল-মার্ক কিংবা ডেসটিনির মতো
কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটবে না।’ পাশাপাশি আবাসন খাতে বিনা প্রশ্নে কালোটাকা
বিনিয়োগেরও সুবিধা চেয়েছেন গৃহায়ণমন্ত্রী।
রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) আয়োজিত পাঁচ দিনের আবাসন মেলার উদ্বোধনকালে গতকাল বুধবার এ সব কথা বলেন গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মেলাটি হচ্ছে। এতে দেড় শতাধিক স্টল আছে। আবাসন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ভবন নির্মাণসামগ্রী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গৃহায়ণমন্ত্রী আবাসন খাতের জন্য সরকারকে ২০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল করার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, ‘তহবিল থেকে সিঙ্গেল ডিজিটে (এক অঙ্কের সুদে) দীর্ঘদিনের জন্য গৃহঋণ দেওয়া হলে মানুষ লাভবান হবে। সবারই একটি ফ্ল্যাটের দরকার। আর মানুষ যেহেতু ব্যবসা নয়, থাকার জন্য ঋণ নেবে, তাই তারা সেটি পরিশোধে আপ্রাণ চেষ্টা করবে। সরকার নিশ্চিত থাকতে পারে, এই টাকা ফেরত আসবে। মধ্যবিত্ত মানুষ টাকা আত্মসাৎ করবে না।’
আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, ‘চার বছর ধরে আবাসন খাতে মন্দা চলছে। আমরা সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে মন্দা থেকে উত্তরণের জন্য বারবার আলোচনা করেছি। কিছুটা সফল হয়েছি। সরকার প্রবাসীদের জন্য গৃহঋণের সুযোগ দিয়েছে। প্রত্যাশা করছি, দেশের মানুষের জন্যও যেন একইভাবে ঋণ দেওয়া হয়।’
আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, সম্প্রতি ৭৬ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এই টাকা দেশেই থাকতে পারত। পরপর দুটি বাজেটে আবাসন খাতে কালোটাকা বিনিয়োগের সুবিধা দেওয়া হলেও অর্থের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ জন্য সুযোগটি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অন্যথায় টাকা পাচার হতো না।
পরে গৃহায়ণমন্ত্রী বলেন, ‘রিহ্যাব সদস্যদের অনেক ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে না। আবাসন খাতের ওপর নির্ভরশীল ৩০০ উপখাত দাঁড়িয়ে গেছে। এসব উপখাত বাঁচাতে হলে আবাসন খাতকে রক্ষা করতে হবে। এ জন্য সরকারকে নীতিসহায়তা দিতে হবে। আগে বিনা প্রশ্নে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ ছিল। কিন্তু এখন প্রশ্ন করার বিধান রাখা হয়েছে। এটি যেন আগের জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এটা খুবই জরুরি।’ তিনি বলেন, ‘অর্থ পাচার বন্ধে বিধিবিধান সংশোধনে সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। যেন দেশের টাকা দেশেই থাকে, পাচার না হয়।’
বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ৫০: ৫০ অনুপাতে ব্যাংক থেকে গৃহঋণ দেওয়ার সুবিধা দিয়েছে। এ বিষয়ে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে সুদহার ১০ শতাংশ না করে ৮ কিংবা ৯ শতাংশ করা হোক। তবে মানুষ আরও বেশি করে বিনিয়োগে উদ্যোগী হবে।’ তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে আবাসন প্রকল্প করার সময় পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ নজর দিতে অনুরোধ করেন।
রিহ্যাবের সহসভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া গৃহায়ণমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘কিছু বিদেশি এখানে ফ্ল্যাট করতে আসছেন। আমাদেরও করতে দেন। সরকার যদি রিহ্যাবকে জমি দেয়, তবে আমরা ক্রেতাদের স্বল্পমূল্যে ফ্ল্যাট দিতে পারব।’ এ বিষয়ে গৃহায়ণমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মিরপুরের কালসীতে একটি জায়গা রিহ্যাবকে দেওয়া হচ্ছে। উত্তরাতে ৬ হাজার ৮০০ অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ প্রকল্পেও দেশি উদ্যোক্তারা কাজ করছেন। আমি নিজে গিয়ে দেখেছি, তাঁদের কাজের মান ভালো। তাই ভবিষ্যতে দেশে এমন প্রকল্প হলে আপনারা প্রতিযোগিতা করতে পারবেন।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রিহ্যাবের সহসভাপতি মো. ওহিদুজ্জামান (প্রশাসন)। পরে গৃহায়ণমন্ত্রী ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন এবং প্রায় সব কটি প্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন।
উদ্বোধনের পর মেলার কয়েকটি স্টল ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীতে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ বর্গফুট আয়তনের মাঝারি আকারের একটি ফ্ল্যাট কিনতে হলে কমপক্ষে ৪০ লাখ টাকা লাগবে। তবে সেটিও গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওয়া যাবে। অবশ্য ব্যতিক্রম একটি আছে। দেশের আবাসন খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কনকর্ড রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড বিল্ডিং প্রোডাক্টস লিমিটেডের আছে ৫৯১ বর্গফুটের দুই কক্ষবিশিষ্ট স্টুডিও ফ্ল্যাট। তবে এ জন্যও ক্রেতাকে গুনতে হবে ২৪ লাখ টাকা। নগদে কিনলে এই টাকায় হবে, আর স্বল্প কিংবা দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে কিনলে পড়বে ২৮ থেকে ৩৬ লাখ টাকা।
কনকর্ডের সহকারী ব্যবস্থাপক এ কে এম খালিদ শাহীন জানান, তাঁদের স্টুডিও ফ্ল্যাটগুলো খিলক্ষেতের লেক সিটি কনকর্ডের স্যাটেলাইট সিটিতে। মেলা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি তাদের সব প্রকল্পেই বিশেষ মূল্যছাড় দিচ্ছে।
রাজধানীতে ফ্ল্যাটের এই দাম শুনে যাঁরা চমকে উঠছেন, তাঁদের জন্য রিহ্যাবের সভাপতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আবাসন খাতে মন্দার কারণে রিহ্যাব সদস্যদের অনেকেই এখন নতুন প্রকল্প নিচ্ছে না। ফলে শিগগিরই ফ্ল্যাটের চাহিদা ও সরবরাহ প্রায় কাছাকাছি হয়ে যাবে। তখন ফ্ল্যাটের দাম বেড়ে যাবে।’ ক্রেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এখনই সুবর্ণ সুযোগ। আসুন মেলায়। খুঁজে নিন পছন্দের ফ্ল্যাট।’
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত টিকিট ক্রয় করে দর্শনার্থীরা মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। একবার প্রবেশের জন্য ৫০ টাকা এবং পাঁচবার প্রবেশের জন্য টিকিটের মূল্য ১০০ টাকা। মেলা শেষ হবে রোববার।
রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) আয়োজিত পাঁচ দিনের আবাসন মেলার উদ্বোধনকালে গতকাল বুধবার এ সব কথা বলেন গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মেলাটি হচ্ছে। এতে দেড় শতাধিক স্টল আছে। আবাসন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ভবন নির্মাণসামগ্রী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গৃহায়ণমন্ত্রী আবাসন খাতের জন্য সরকারকে ২০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল করার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, ‘তহবিল থেকে সিঙ্গেল ডিজিটে (এক অঙ্কের সুদে) দীর্ঘদিনের জন্য গৃহঋণ দেওয়া হলে মানুষ লাভবান হবে। সবারই একটি ফ্ল্যাটের দরকার। আর মানুষ যেহেতু ব্যবসা নয়, থাকার জন্য ঋণ নেবে, তাই তারা সেটি পরিশোধে আপ্রাণ চেষ্টা করবে। সরকার নিশ্চিত থাকতে পারে, এই টাকা ফেরত আসবে। মধ্যবিত্ত মানুষ টাকা আত্মসাৎ করবে না।’
আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, ‘চার বছর ধরে আবাসন খাতে মন্দা চলছে। আমরা সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে মন্দা থেকে উত্তরণের জন্য বারবার আলোচনা করেছি। কিছুটা সফল হয়েছি। সরকার প্রবাসীদের জন্য গৃহঋণের সুযোগ দিয়েছে। প্রত্যাশা করছি, দেশের মানুষের জন্যও যেন একইভাবে ঋণ দেওয়া হয়।’
আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, সম্প্রতি ৭৬ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এই টাকা দেশেই থাকতে পারত। পরপর দুটি বাজেটে আবাসন খাতে কালোটাকা বিনিয়োগের সুবিধা দেওয়া হলেও অর্থের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ জন্য সুযোগটি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অন্যথায় টাকা পাচার হতো না।
পরে গৃহায়ণমন্ত্রী বলেন, ‘রিহ্যাব সদস্যদের অনেক ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে না। আবাসন খাতের ওপর নির্ভরশীল ৩০০ উপখাত দাঁড়িয়ে গেছে। এসব উপখাত বাঁচাতে হলে আবাসন খাতকে রক্ষা করতে হবে। এ জন্য সরকারকে নীতিসহায়তা দিতে হবে। আগে বিনা প্রশ্নে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ ছিল। কিন্তু এখন প্রশ্ন করার বিধান রাখা হয়েছে। এটি যেন আগের জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এটা খুবই জরুরি।’ তিনি বলেন, ‘অর্থ পাচার বন্ধে বিধিবিধান সংশোধনে সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। যেন দেশের টাকা দেশেই থাকে, পাচার না হয়।’
বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ৫০: ৫০ অনুপাতে ব্যাংক থেকে গৃহঋণ দেওয়ার সুবিধা দিয়েছে। এ বিষয়ে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে সুদহার ১০ শতাংশ না করে ৮ কিংবা ৯ শতাংশ করা হোক। তবে মানুষ আরও বেশি করে বিনিয়োগে উদ্যোগী হবে।’ তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে আবাসন প্রকল্প করার সময় পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ নজর দিতে অনুরোধ করেন।
রিহ্যাবের সহসভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া গৃহায়ণমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘কিছু বিদেশি এখানে ফ্ল্যাট করতে আসছেন। আমাদেরও করতে দেন। সরকার যদি রিহ্যাবকে জমি দেয়, তবে আমরা ক্রেতাদের স্বল্পমূল্যে ফ্ল্যাট দিতে পারব।’ এ বিষয়ে গৃহায়ণমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মিরপুরের কালসীতে একটি জায়গা রিহ্যাবকে দেওয়া হচ্ছে। উত্তরাতে ৬ হাজার ৮০০ অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ প্রকল্পেও দেশি উদ্যোক্তারা কাজ করছেন। আমি নিজে গিয়ে দেখেছি, তাঁদের কাজের মান ভালো। তাই ভবিষ্যতে দেশে এমন প্রকল্প হলে আপনারা প্রতিযোগিতা করতে পারবেন।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রিহ্যাবের সহসভাপতি মো. ওহিদুজ্জামান (প্রশাসন)। পরে গৃহায়ণমন্ত্রী ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন এবং প্রায় সব কটি প্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন।
উদ্বোধনের পর মেলার কয়েকটি স্টল ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীতে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ বর্গফুট আয়তনের মাঝারি আকারের একটি ফ্ল্যাট কিনতে হলে কমপক্ষে ৪০ লাখ টাকা লাগবে। তবে সেটিও গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওয়া যাবে। অবশ্য ব্যতিক্রম একটি আছে। দেশের আবাসন খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কনকর্ড রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড বিল্ডিং প্রোডাক্টস লিমিটেডের আছে ৫৯১ বর্গফুটের দুই কক্ষবিশিষ্ট স্টুডিও ফ্ল্যাট। তবে এ জন্যও ক্রেতাকে গুনতে হবে ২৪ লাখ টাকা। নগদে কিনলে এই টাকায় হবে, আর স্বল্প কিংবা দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে কিনলে পড়বে ২৮ থেকে ৩৬ লাখ টাকা।
কনকর্ডের সহকারী ব্যবস্থাপক এ কে এম খালিদ শাহীন জানান, তাঁদের স্টুডিও ফ্ল্যাটগুলো খিলক্ষেতের লেক সিটি কনকর্ডের স্যাটেলাইট সিটিতে। মেলা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি তাদের সব প্রকল্পেই বিশেষ মূল্যছাড় দিচ্ছে।
রাজধানীতে ফ্ল্যাটের এই দাম শুনে যাঁরা চমকে উঠছেন, তাঁদের জন্য রিহ্যাবের সভাপতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আবাসন খাতে মন্দার কারণে রিহ্যাব সদস্যদের অনেকেই এখন নতুন প্রকল্প নিচ্ছে না। ফলে শিগগিরই ফ্ল্যাটের চাহিদা ও সরবরাহ প্রায় কাছাকাছি হয়ে যাবে। তখন ফ্ল্যাটের দাম বেড়ে যাবে।’ ক্রেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এখনই সুবর্ণ সুযোগ। আসুন মেলায়। খুঁজে নিন পছন্দের ফ্ল্যাট।’
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত টিকিট ক্রয় করে দর্শনার্থীরা মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। একবার প্রবেশের জন্য ৫০ টাকা এবং পাঁচবার প্রবেশের জন্য টিকিটের মূল্য ১০০ টাকা। মেলা শেষ হবে রোববার।

No comments:
Post a Comment