![]() |
| আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইরত ইরাকি বাহিনীর সদস্যরা গত রোববার দেশটির আনবার প্রদেশের রাজধানী রামাদির মধ্যাঞ্চলের হোজ এলাকায় ঢুকে পড়েন -এএফপি |
জঙ্গি
সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) হাতে বেদখল হওয়া ইরাকের আনবার প্রদেশের শহর
রামাদি মুক্ত করার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। গতকাল সোমবার সেনাবাহিনীর
মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার ইয়াহিয়া রসুল বলেছেন, সেনাবাহিনী আইএসের বিরুদ্ধে এক
‘মহাকাব্যিক বিজয়’ অর্জন করেছে। আনবারের সরকারি দপ্তরগুলোতে এখন ইরাকের
জাতীয় পতাকা উড়ছে।
তবে প্রাদেশিক গভর্নরের একজন মুখপাত্র বলেছেন, তাঁরা পুরো বিজয়ের ঘোষণা দিতে এখনো দ্বিধান্বিত। কেননা, শহরের কোনো কোনো জায়গায় এখনো প্রতিরোধ রয়ে গেছে। খবর বিবিসির।
কয়েক সপ্তাহ ধরে রামাদির নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই করছিল ইরাকের সরকারি বাহিনী। রাজধানী বাগদাদ থেকে ৫৫ মাইল পশ্চিমে রামাদি শহর। এ বছরের মে মাসে শহরটি দখল করে নেয় আইএস। সেনাবাহিনীর ঘোষণা আসার আগে আনবারের গভর্নরের মুখপাত্র মুহাম্মদ হাইমুর বলেন, ‘আমরা মনে করি, রামাদির কেন্দ্রস্থলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে রয়েছে। তবে বিজয় ঘোষণার আগে খুব সতর্কতা অবলম্বন করছি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পক্ষ থেকে সরকারি ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত আমরা বিজয় ঘোষণা করছি না।’ তিনি বলেন, ‘পুরো এলাকায় যেসব বিস্ফোরক ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল, তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এখন আমরা নিশ্চিত যে আইএস জঙ্গিরা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর আঘাত হানতে আর সমর্থ হবে না। যেসব এলাকায় আইএসের জঙ্গিরা এখনো ওত পেতে আছে বলে মনে হচ্ছে, সেসব এলাকায় কোনো শক্ত প্রতিরোধেরও সম্ভাবনা নেই।’
রামাদির পথে থাকা আইএস অধিকৃত বিভিন্ন এলাকাও দখল করে নিয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনী। সরকারি বাহিনী গভর্নরের বাসভবন দখলে নিয়েছে। ইরাকি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র সাবাহ আল-নোমানি বলেন, ‘ গর্ভনরের বাসভবনের পুরো নিয়ন্ত্রণ রয়েছে আমাদের হাতে। এখানে আইএসের কোনো অস্তিত্বই নেই। এটি দখলের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে এখানে আইএস পরাজিত হয়েছে।’
রামাদি শহর রক্ষায় ঠিক কতজন আইএস জঙ্গি নিয়োজিত ছিল, তা নিশ্চিত নয়। কিছু কিছু প্রতিবেদনে এই সংখ্যাকে ৪০০ বলা হয়েছে। শহর দখল করতে ইরাকের সরকারি বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়েও কিছু জানা যায়নি। ইরাকের সেনাবাহিনী মনে করে, রামাদি থেকে পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিরা উত্তর-পূর্ব দিকে চলে গেছে।
এএফপির খবরে বলা হয়, বিভিন্ন শহরে বিজয় উদ্যাপিত হচ্ছে।
তবে প্রাদেশিক গভর্নরের একজন মুখপাত্র বলেছেন, তাঁরা পুরো বিজয়ের ঘোষণা দিতে এখনো দ্বিধান্বিত। কেননা, শহরের কোনো কোনো জায়গায় এখনো প্রতিরোধ রয়ে গেছে। খবর বিবিসির।
কয়েক সপ্তাহ ধরে রামাদির নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই করছিল ইরাকের সরকারি বাহিনী। রাজধানী বাগদাদ থেকে ৫৫ মাইল পশ্চিমে রামাদি শহর। এ বছরের মে মাসে শহরটি দখল করে নেয় আইএস। সেনাবাহিনীর ঘোষণা আসার আগে আনবারের গভর্নরের মুখপাত্র মুহাম্মদ হাইমুর বলেন, ‘আমরা মনে করি, রামাদির কেন্দ্রস্থলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে রয়েছে। তবে বিজয় ঘোষণার আগে খুব সতর্কতা অবলম্বন করছি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পক্ষ থেকে সরকারি ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত আমরা বিজয় ঘোষণা করছি না।’ তিনি বলেন, ‘পুরো এলাকায় যেসব বিস্ফোরক ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল, তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এখন আমরা নিশ্চিত যে আইএস জঙ্গিরা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর আঘাত হানতে আর সমর্থ হবে না। যেসব এলাকায় আইএসের জঙ্গিরা এখনো ওত পেতে আছে বলে মনে হচ্ছে, সেসব এলাকায় কোনো শক্ত প্রতিরোধেরও সম্ভাবনা নেই।’
রামাদির পথে থাকা আইএস অধিকৃত বিভিন্ন এলাকাও দখল করে নিয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনী। সরকারি বাহিনী গভর্নরের বাসভবন দখলে নিয়েছে। ইরাকি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র সাবাহ আল-নোমানি বলেন, ‘ গর্ভনরের বাসভবনের পুরো নিয়ন্ত্রণ রয়েছে আমাদের হাতে। এখানে আইএসের কোনো অস্তিত্বই নেই। এটি দখলের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে এখানে আইএস পরাজিত হয়েছে।’
রামাদি শহর রক্ষায় ঠিক কতজন আইএস জঙ্গি নিয়োজিত ছিল, তা নিশ্চিত নয়। কিছু কিছু প্রতিবেদনে এই সংখ্যাকে ৪০০ বলা হয়েছে। শহর দখল করতে ইরাকের সরকারি বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়েও কিছু জানা যায়নি। ইরাকের সেনাবাহিনী মনে করে, রামাদি থেকে পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিরা উত্তর-পূর্ব দিকে চলে গেছে।
এএফপির খবরে বলা হয়, বিভিন্ন শহরে বিজয় উদ্যাপিত হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment