সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা ছিনতাইয়ের সময় এক
পুলিশ সদস্যকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে জনতা। পরে তাকে টহল পুলিশের হাতে সোপর্দ
করা হয়। এদিকে ঘটনার পরপরই টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে অপর আরও একজন। তাকে
গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে সিলেটের কোতোয়ালি থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত ছিনতাইকারী পুলিশ সদস্যের নাম সোহেল রানা। সে সিলেট জেলা
পুলিশের মোটরযান সেকশনের কনস্টেবল। তার আইডি নম্বর ৪৯৫। দুপুর দেড়টার দিকে
ছিনতাইয়ের এ ঘটনা ঘটে। সিলেটের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী
তামান্না আক্তার কলি দুপুর পৌনে ১২টার সময় ২ লাখ টাকা নিয়ে তার ভাই সাগর
আহমদের সঙ্গে বারুতখানাস্থ ডাচবাংলা ব্যাংকে আসেন। ব্যাংক থেকে আরো ৬ লাখ
৯০ হাজার টাকা উত্তোলন করে জিন্দাবাজারস্থ ব্র্যাক ব্যাংকে জমা করার
উদ্দেশ্য রওনা দেন। বারুতখানা পয়েন্টে এলে একটি মোটরসাইকেল এসে তার গতিরোধ
করে। এ সময় ব্যাগে টান দেয় সোহেল রানা। কলির কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় দুই লাখ
টাকা। এ সময় সঙ্গে থাকা আরও এক যুবকের হাতে টাকার ব্যাগ তুলে দেয় সে। ওই
যুবক হাতে থাকা ব্যাগ নিয়ে জিন্দাবাজার অভিমুখে চলে যায়। এ সময় তার চিৎকারে
রিকশা থেকে তার ভাই ও অন্যরা এগিয়ে এলে ছিনতাইকারী বারুতখানার দিকে দৌড়
দেয়। পালানোর সময় আশপাশের সিকিউরিটি গার্ড ও জনতা সোহেল রানাকে ধরে ফেলেন।
গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। ছিনতাইয়ের শিকার কলি নগরীর
ধোপাদিঘীর পাড় আল ফালাহ্ টাওয়ারের বাসিন্দা আনসার আলীর মেয়ে। সিলেটের
কোতোয়ালী থানার ওসি সোহেল জানান, কনস্টেবল শরীফ রানাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
জিজ্ঞাসাবাদে রানার সঙ্গীদের পরিচয় ও টাকা উদ্ধারে তৎপর রয়েছে পুলিশ। তিনি
জানান, বেলা দেড়টার দিকে বারুতখানা পয়েন্টে এক মহিলার কাছ থেকে ছিনতাই করে
পালিয়ে যাওয়ার সময় এক যুবককে আটক করে জনতা। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ
ছিনতাইকারীকে থানায় নিয়ে আসে। এদিকে, বিকালে সিলেটের কোতোয়ালী থানার
সেকেন্ড অফিসার ফয়েজ আহমদ জানিয়েছেন, পালিয়ে যাওয়া অপর ছিনতাইকারীকে
গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment