প্রায় চার বছরের কূটনীতিক ও রাজনৈতিক পথে কথা চালাচালির পর অবশেষে ভারতে
রপ্তানি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ব্যান্ডউইথ। আগামী ৭ই ডিসেম্বর
আনুষ্ঠানিকভাবে এ রপ্তানি কাজ শুরু হবে। তবে আজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে
রপ্তানির প্রক্রিয়া চালানো হবে। এ থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের আয় হতে যাচ্ছে
৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। দুই দেশের চুক্তি অনুযায়ী ১০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার
সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করা হবে। এক্ষেত্রে প্রতি এমবিপিএস
ব্যান্ডউইথের দাম ধরা হয়েছে ১০ ডলার। এর আগে ১লা ডিসেম্বর থেকে অন্তত ৫ দিন
পরীক্ষামূলকভাবে ব্যন্ডউইথ রপ্তানি করা হবে। রপ্তানি শুরুর পরে পরিস্থিতি
মূল্যায়ন করে ব্যান্ডউইথ বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে বলেও চুক্তিতে
উল্লেখ আছে। বর্তমানে সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির হাতে আছে ২০০ জিবিপিএস
ব্যান্ডউইথ। এর মধ্যে
স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবহার হচ্ছে ৪৩ জিবিপিএস। ভারতে ১০ জিবিপিএস রপ্তানি করা হলে ব্যবহার বেড়ে দাঁড়াবে ৫৩ জিবিপিএস। বাংলাদেশের এ ব্যান্ডউইথ ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মনিপুর ও অরুণাচল রাজ্যে ব্যবহৃত হবে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন মানবজমিনকে বলেন, মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে রপ্তানির কাজ শুরু করা হবে। এতে পরীক্ষা করা হবে বিট অ্যারর রেট (বিইআর)। কারণ দুই দেশের ট্রান্সমিশন আলাদা। ৫ দিনের মধ্যে আশা করি জানা সম্ভব হবে কোন সমস্যা আছে কি না। সবকিছু ঠিক থাকলে ৭ই ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানি করা যাবে। কারিগরি কোন সমস্যা থাকলে হয়তো তারিখ পরিবর্তন হবে। তিনি জানান, ২৫শে নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে বৈঠক হয়েছে। সেখানে তিনি ভারতের সঙ্গে করা সব চুক্তির বিস্তারিত জানতে চান। ব্যান্ডউইথ প্রসঙ্গে আমরা তাকে এ বিষয়টিই জানিয়েছি। এর আগে ১৬ই নভেম্বর আখাউড়া-আগরতলা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে দুই দেশের অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা হয়। বিএসসিসিএল জানিয়েছে, দুই বছর আগে সরকার সক্ষমতার অর্ধেক সাবমেরিন ক্যাবল বিক্রি বা লিজ দেয়ার নির্দেশনা দেয়। তখন কোন প্রতিষ্ঠানকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ভারতে ব্যান্ডউইথ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপরই গত ৫ই জুন উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিএসসিসিএলের সঙ্গে চুক্তি করে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি সঞ্চার নিগার লিমিটেড (বিএসএনএল)। চুক্তির পর চার মাস পেরিয়ে গেলেও ভারতের সাত রাজ্যে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি শুরু করা যায়নি। অথচ চুক্তিতে তিন মাসের একটি বাধ্যবাধকতা ছিল। এ প্রসঙ্গে মনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ অংশের কাজ অনেক আগেই শেষ হয়। কিন্তু ভারতীয় দিকে কাজ শেষ হতে দেরি হয়। এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার বিষয়টি নিয়ে চিঠি চালাচালি করা হয়। কয়েকবার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেন দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিভিন্ন কারণে তা পেছানো হয়। আপাতত ৭ই ডিসেম্বরকে রোডম্যাপ ধরে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ অংশে সীমান্ত পর্যন্ত ক্যাবল স্থাপনে সরকার খরচ বহন করেছে। ভারতের অংশের জন্য ভারতের প্রতিষ্ঠান খরচ বহন করেছে। এই প্রকল্পে ভারত সরকার প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয় করে অবকাঠামো নির্মাণ করবে বলে জানানো হয়েছে। ব্যান্ডউইথ রপ্তানির জন্য কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা এবং আখাউড়ার স্থলভাগ দিয়ে লিংক সাবমেরিন ক্যাবল গিয়ে যুক্ত হবে ভারতের গোহাটিতে। এর জন্য নতুন করে প্রায় ৩২ কিলোমিটার নতুন লিংক লাইন তৈরি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, বংলাদেশ শিগগিরই সিমিউয়ি-৫ এর সঙ্গে যুক্ত হবে। তখন ব্যান্ডউইথের সক্ষমতা বাড়বে আরও এক হাজার ৩০০ জিবিপিএস।
স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবহার হচ্ছে ৪৩ জিবিপিএস। ভারতে ১০ জিবিপিএস রপ্তানি করা হলে ব্যবহার বেড়ে দাঁড়াবে ৫৩ জিবিপিএস। বাংলাদেশের এ ব্যান্ডউইথ ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মনিপুর ও অরুণাচল রাজ্যে ব্যবহৃত হবে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন মানবজমিনকে বলেন, মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে রপ্তানির কাজ শুরু করা হবে। এতে পরীক্ষা করা হবে বিট অ্যারর রেট (বিইআর)। কারণ দুই দেশের ট্রান্সমিশন আলাদা। ৫ দিনের মধ্যে আশা করি জানা সম্ভব হবে কোন সমস্যা আছে কি না। সবকিছু ঠিক থাকলে ৭ই ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানি করা যাবে। কারিগরি কোন সমস্যা থাকলে হয়তো তারিখ পরিবর্তন হবে। তিনি জানান, ২৫শে নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে বৈঠক হয়েছে। সেখানে তিনি ভারতের সঙ্গে করা সব চুক্তির বিস্তারিত জানতে চান। ব্যান্ডউইথ প্রসঙ্গে আমরা তাকে এ বিষয়টিই জানিয়েছি। এর আগে ১৬ই নভেম্বর আখাউড়া-আগরতলা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে দুই দেশের অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা হয়। বিএসসিসিএল জানিয়েছে, দুই বছর আগে সরকার সক্ষমতার অর্ধেক সাবমেরিন ক্যাবল বিক্রি বা লিজ দেয়ার নির্দেশনা দেয়। তখন কোন প্রতিষ্ঠানকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ভারতে ব্যান্ডউইথ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপরই গত ৫ই জুন উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিএসসিসিএলের সঙ্গে চুক্তি করে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি সঞ্চার নিগার লিমিটেড (বিএসএনএল)। চুক্তির পর চার মাস পেরিয়ে গেলেও ভারতের সাত রাজ্যে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি শুরু করা যায়নি। অথচ চুক্তিতে তিন মাসের একটি বাধ্যবাধকতা ছিল। এ প্রসঙ্গে মনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ অংশের কাজ অনেক আগেই শেষ হয়। কিন্তু ভারতীয় দিকে কাজ শেষ হতে দেরি হয়। এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার বিষয়টি নিয়ে চিঠি চালাচালি করা হয়। কয়েকবার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেন দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিভিন্ন কারণে তা পেছানো হয়। আপাতত ৭ই ডিসেম্বরকে রোডম্যাপ ধরে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ অংশে সীমান্ত পর্যন্ত ক্যাবল স্থাপনে সরকার খরচ বহন করেছে। ভারতের অংশের জন্য ভারতের প্রতিষ্ঠান খরচ বহন করেছে। এই প্রকল্পে ভারত সরকার প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয় করে অবকাঠামো নির্মাণ করবে বলে জানানো হয়েছে। ব্যান্ডউইথ রপ্তানির জন্য কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা এবং আখাউড়ার স্থলভাগ দিয়ে লিংক সাবমেরিন ক্যাবল গিয়ে যুক্ত হবে ভারতের গোহাটিতে। এর জন্য নতুন করে প্রায় ৩২ কিলোমিটার নতুন লিংক লাইন তৈরি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, বংলাদেশ শিগগিরই সিমিউয়ি-৫ এর সঙ্গে যুক্ত হবে। তখন ব্যান্ডউইথের সক্ষমতা বাড়বে আরও এক হাজার ৩০০ জিবিপিএস।

No comments:
Post a Comment