Sunday, December 20, 2015

বিজিবি এখন কলঙ্কমুক্ত : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেছেন যে, নবগঠিত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা সীমান্ত বাহিনীর সুনাম ও মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য সর্বোচ্চ সততা ও দেশপ্রেম নিয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় ঘটে যাওয়া বিদ্রোহ এই বাহিনীর ২০০ বছরের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়। একটি আধুনিক ও সময়োপযোগী সীমান্তরক্ষী বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন, ২০১০ প্রণীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আজ পিলখানায় বিজিবি সদর দফতরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিবস-২০১৫ উপলক্ষে বিজিবি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় বিজিবি এখন কলঙ্কমুক্ত এবং একটি গতিশীল ও আধুনিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, এই বাহিনীর সকল সদস্যের কঠোর পরিশ্রমে বাহিনীর সুনাম ও মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, যে কোন জরুরি পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জাতিগঠনমূলক কর্মকাণ্ড এবং বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা প্রদানের ক্ষেত্রে এই বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি সফল ভূমিকা পালন করছে।
প্রধানমন্ত্রী বিজিবি সদর দফতরে পৌঁছলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান। এ উপলক্ষে বিজিবি সদর দফতরে বীর উত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি আকর্ষণীয় কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবর্গ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, বিরোধী দলীয় নেতা, সংসদ সদস্যবর্গ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, কূটনীতিকবর্গ এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বিজিবি’র বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সাহসিকতা, উৎকর্ষমূলক অবদানের জন্য ১০ জন বিজিবি সদস্যকে বিজিবি পদক (বিজিবিএম), ২০ জন বিজিবি সদস্যকে রাষ্ট্রপতি বর্ডার গার্ড পদক (পিবিজিএম), ১০ জন বিজিবি সদস্যকে বিজিবি মেডাল-সার্ভিস (বিজিবিএমএস) এবং ২০ জন বিজিবি সদস্যকে পিবিজিএমএস-সার্ভিস (পিবিজিএমএস) প্রদান করেন।

No comments:

Post a Comment