![]() |
| খাগড়াছড়ির দীঘিনালার পুলিন হেডম্যানপাড়া গ্রামে সরিষাখেত পরিচর্যা করছেন দুই কৃষক l প্রথম আলো |
খাগড়াছড়ির
দীঘিনালা উপজেলায় সরিষার পরীক্ষামূলক আবাদে সাফল্য এসেছে। তামাকের বিকল্প
ফসল হিসেবে সরিষা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য কৃষি বিভাগের এমন
উদ্যোগ। কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, চাষে খরচ কম আর লাভ বেশি বলে সরিষা
তামাকের বিকল্প ফসল হতে পারে।
দীঘিনালা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এবার ৪৯৬ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। উপজেলায় বিচ্ছিন্নভাবে সরিষার চাষ হলেও বাণিজ্যিকভাবে এর আগে হয়নি। সদর ইউনিয়নের দুজন কৃষকের ১৪০ শতক জমিতে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে সরিষার চাষ হয়েছে এবার। ফলন ভালো হওয়ায় সরিষা বিক্রি করে ভালো লাভ হবে বলে কৃষকদের আশা। পাশাপাশি সরিষাখেত থেকে মধু পাওয়ার জন্য মৌ-বাক্সও স্থাপন করেছেন তাঁরা।
উপজেলার পুলিন হেডম্যানপাড়ার সুবিজয় চাকমা (৬৮) তাঁর ১০০ শতক জমিতে এবার দেশি সরিষার চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে মাত্র ছয় হাজার টাকা। খেতের সরিষা বিক্রি করে ৩২ হাজার টাকা পাবেন বলে আশা করছেন তিনি। পাশাপাশি খেত থেকে মধু আহরণের জন্য খেতে দুটি মৌ-বাক্সও বসিয়েছেন তিনি। একই এলাকার গোপানন্দ চাকমা নিজের ৪০ শতক জমিতে বারি-১৫ জাতের সরিষার আবাদ করে সাফল্য পেয়েছেন।
দীঘিনালা কৃষি ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সমর বিজয় চাকমা বলেন, ‘দীঘিনালায় এর আগে বাণিজ্যিকভাবে সরিষার আবাদ হয়নি। এবার পরীক্ষামূলক আবাদে সাফল্য আসায় কৃষকেরা ক্ষতিকর তামাকের চাষ ছাড়তে উদ্বুদ্ধ হবেন বলে আশা করছি। তা ছাড়া সরিষা জমিতে মাড়াই করলে জমির উর্বরতা বাড়ে। সরিষা চাষের পর একই জমিতে বোরো ধানও চাষ করা যায়।’
দীঘিনালা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এবার ৪৯৬ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। উপজেলায় বিচ্ছিন্নভাবে সরিষার চাষ হলেও বাণিজ্যিকভাবে এর আগে হয়নি। সদর ইউনিয়নের দুজন কৃষকের ১৪০ শতক জমিতে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে সরিষার চাষ হয়েছে এবার। ফলন ভালো হওয়ায় সরিষা বিক্রি করে ভালো লাভ হবে বলে কৃষকদের আশা। পাশাপাশি সরিষাখেত থেকে মধু পাওয়ার জন্য মৌ-বাক্সও স্থাপন করেছেন তাঁরা।
উপজেলার পুলিন হেডম্যানপাড়ার সুবিজয় চাকমা (৬৮) তাঁর ১০০ শতক জমিতে এবার দেশি সরিষার চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে মাত্র ছয় হাজার টাকা। খেতের সরিষা বিক্রি করে ৩২ হাজার টাকা পাবেন বলে আশা করছেন তিনি। পাশাপাশি খেত থেকে মধু আহরণের জন্য খেতে দুটি মৌ-বাক্সও বসিয়েছেন তিনি। একই এলাকার গোপানন্দ চাকমা নিজের ৪০ শতক জমিতে বারি-১৫ জাতের সরিষার আবাদ করে সাফল্য পেয়েছেন।
দীঘিনালা কৃষি ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সমর বিজয় চাকমা বলেন, ‘দীঘিনালায় এর আগে বাণিজ্যিকভাবে সরিষার আবাদ হয়নি। এবার পরীক্ষামূলক আবাদে সাফল্য আসায় কৃষকেরা ক্ষতিকর তামাকের চাষ ছাড়তে উদ্বুদ্ধ হবেন বলে আশা করছি। তা ছাড়া সরিষা জমিতে মাড়াই করলে জমির উর্বরতা বাড়ে। সরিষা চাষের পর একই জমিতে বোরো ধানও চাষ করা যায়।’

No comments:
Post a Comment