রাষ্ট্রপতি
মো: আবদুল হামিদ বলেছেন, বর্তমান সরকার শুরু থেকেই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা
অব্যাহত রাখা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেশ
পরিচালনা করছে। সরকার রাজনীতি থেকে হিংসা, হানাহানি ও সঙ্ঘাত অবসানের
মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও আলোকিত দেশ হিসেবে
প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতীয় সংসদে আজ বুধবার প্রদত্ত ভাষণে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন। আজ বছরের প্রথম এবং চলতি সংসদের দশম অধিবেশন শুরু হয়। সংবিধান অনুযায়ী বছরের প্রথম অধিবেশন হিসেবে রাষ্ট্রপতি সংসদে এ ভাষণ দেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শত প্রতিকূলতা বাধা-বিপত্তি ও বৈরিতার মধ্যেও দেশে সুশাসন সুসংহতকরণ এবং গণতন্ত্র চর্চা ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, দশম জাতীয় সংসদ বর্জনকারী কতিপয় রাজনৈতিক দল সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অবরোধ ও হরতালের নামে পেট্রলবোমা নিক্ষেপসহ গাড়ি পোড়ানো, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। সরকার কর্তৃক যথাযথ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে এসব নাশকতা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বিকেল সাড়ে ৪টায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ এ সময় সংসদে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি ভাষণে যুদ্ধাপরাধের চলমান বিচার এবং শিশু রাজন ও রাকিব হত্যা মামলার দ্রুত বিচারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। ৯৩ পৃষ্ঠার লিখিত ভাষণে রাষ্ট্রপতি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
আবদুল হামিদ বলেন, বর্তমান সরকার শুরু থেকেই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেশ পরিচালনা করছে। বর্তমান সরকার দায়িত্বগ্রহণের পর থেকেই গণতন্ত্রের বিকাশ, আইনের শাসন ও আর্থ-সামাজিক সমৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সুশাসন সুসংহত করার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনে শান্তি, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে।
তিনি বলেন, শত প্রতিকূলতা, বাধা-বিপত্তি ও বৈরিতার মধ্যেও দেশে সুশাসন সুসংহতকরণ এবং গণতন্ত্র চর্চা ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে।
আবদুল হামিদ বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতা সমুন্নত এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুজ্জ্বল রাখতে, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করতে এবং শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে, বাঙালি জাতিকে আবারো ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, একাত্তরের শহীদদের কাছে আমাদের অপরিশোধ্য ঋণ রয়েছে, আসুন ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে এবং দল-মত-পথের পার্থক্য ভুলে জাতির গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে আমরা লাখো শহীদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করি।
সংসদে দেয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি সরকার ঘোষিত ভিশন-২০২১ এবং ভিশন-২০৪১ অর্জনে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ মধ্য-আয়ের দেশে পরিণত হবে এবং ২০৪১ সালে বিশ্বসভায় একটি উন্নত দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত হবে, এটাই জাতির প্রত্যাশা। আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরে সুশাসন সুসংহতকরণ, গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং জনগণের সর্বাত্মক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা এসব লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবো।
ভাষণে রাষ্ট্রপতি অর্থনীতি, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, খাদ্য-কৃষি, পরিবেশ-জলবায়ু, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের কার্যক্রম ও সাফল্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে সরকার নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে। এ ছাড়া মানব পাচার, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের মাটি থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বিগত মেয়াদের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার এ লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এর ফলে দেশে নাশকতামূলক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং জনজীবনে স্বস্তি বিরাজ করছে। সরকার রাজনীতি থেকে হিংসা, হানাহানি অবসান করতে চেষ্টা করছে মন্তব্য করে আবদুল হামিদ সরকার ও বিরোধী দলকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
জাতীয় সংসদে আজ বুধবার প্রদত্ত ভাষণে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন। আজ বছরের প্রথম এবং চলতি সংসদের দশম অধিবেশন শুরু হয়। সংবিধান অনুযায়ী বছরের প্রথম অধিবেশন হিসেবে রাষ্ট্রপতি সংসদে এ ভাষণ দেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শত প্রতিকূলতা বাধা-বিপত্তি ও বৈরিতার মধ্যেও দেশে সুশাসন সুসংহতকরণ এবং গণতন্ত্র চর্চা ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, দশম জাতীয় সংসদ বর্জনকারী কতিপয় রাজনৈতিক দল সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অবরোধ ও হরতালের নামে পেট্রলবোমা নিক্ষেপসহ গাড়ি পোড়ানো, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। সরকার কর্তৃক যথাযথ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে এসব নাশকতা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বিকেল সাড়ে ৪টায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ এ সময় সংসদে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি ভাষণে যুদ্ধাপরাধের চলমান বিচার এবং শিশু রাজন ও রাকিব হত্যা মামলার দ্রুত বিচারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। ৯৩ পৃষ্ঠার লিখিত ভাষণে রাষ্ট্রপতি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
আবদুল হামিদ বলেন, বর্তমান সরকার শুরু থেকেই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেশ পরিচালনা করছে। বর্তমান সরকার দায়িত্বগ্রহণের পর থেকেই গণতন্ত্রের বিকাশ, আইনের শাসন ও আর্থ-সামাজিক সমৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সুশাসন সুসংহত করার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনে শান্তি, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে।
তিনি বলেন, শত প্রতিকূলতা, বাধা-বিপত্তি ও বৈরিতার মধ্যেও দেশে সুশাসন সুসংহতকরণ এবং গণতন্ত্র চর্চা ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে।
আবদুল হামিদ বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতা সমুন্নত এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুজ্জ্বল রাখতে, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করতে এবং শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে, বাঙালি জাতিকে আবারো ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, একাত্তরের শহীদদের কাছে আমাদের অপরিশোধ্য ঋণ রয়েছে, আসুন ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে এবং দল-মত-পথের পার্থক্য ভুলে জাতির গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে আমরা লাখো শহীদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করি।
সংসদে দেয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি সরকার ঘোষিত ভিশন-২০২১ এবং ভিশন-২০৪১ অর্জনে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ মধ্য-আয়ের দেশে পরিণত হবে এবং ২০৪১ সালে বিশ্বসভায় একটি উন্নত দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত হবে, এটাই জাতির প্রত্যাশা। আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরে সুশাসন সুসংহতকরণ, গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং জনগণের সর্বাত্মক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা এসব লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবো।
ভাষণে রাষ্ট্রপতি অর্থনীতি, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, খাদ্য-কৃষি, পরিবেশ-জলবায়ু, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের কার্যক্রম ও সাফল্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে সরকার নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে। এ ছাড়া মানব পাচার, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের মাটি থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বিগত মেয়াদের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার এ লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এর ফলে দেশে নাশকতামূলক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং জনজীবনে স্বস্তি বিরাজ করছে। সরকার রাজনীতি থেকে হিংসা, হানাহানি অবসান করতে চেষ্টা করছে মন্তব্য করে আবদুল হামিদ সরকার ও বিরোধী দলকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

No comments:
Post a Comment