![]() |
| অনেক দিনের পুরোনো রসে ডুবিয়ে রাখা হয় এসব মিষ্টি। ছবি: জুয়েল শীল |
কারখানার
পরিবেশ স্যাঁতসেঁতে, নোংরা। গামলায় ফেলে রাখা অনেক দিনের পুরোনো মিষ্টির
রস তার পাশেই সেই রসে ভেজানো বাসী মিষ্টি। বিক্রির জন্য রাখা রসমালাইয়েরও
মেয়াদ নেই। আজ মঙ্গলবার বিকেলে নগরের চকবাজার এলাকার লালচাঁদ রোডের
‘মিষ্টি মুখ’ দোকানের কারখানায় গিয়ে এমন চিত্র পেয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দোকানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ রুহুল আমীন। গত কিছুদিন ধরে তিনি নগরের বিভিন্ন এলাকায় মিষ্টির দোকানে অভিযান চালাচ্ছেন।
মোহাম্মাদ রুহুল আমীন বলেন, মিষ্টিমুখের কারখানায় গিয়ে দেখা গেছে, কারখানার পরিবেশ নোংরা, দুর্গন্ধময়। সেখানে অনেক দিনের পুরোনো তিন মণ মিষ্টির রস রাখা আছে। মিষ্টির রস এতই পুরোনো যে রং পরিবর্তন হয়ে গেছে। মেয়াদোত্তীর্ণ রসমালাই থেকে গন্ধ বের হচ্ছিল, কিন্তু সেগুলোও ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখা হচ্ছিল। কারখানা থেকে মিষ্টিসহ তিন মণ মিষ্টির রস ও ২০ কেজি রসমালাই জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ রুহুল আমীন। গত কিছুদিন ধরে তিনি নগরের বিভিন্ন এলাকায় মিষ্টির দোকানে অভিযান চালাচ্ছেন।
মোহাম্মাদ রুহুল আমীন বলেন, মিষ্টিমুখের কারখানায় গিয়ে দেখা গেছে, কারখানার পরিবেশ নোংরা, দুর্গন্ধময়। সেখানে অনেক দিনের পুরোনো তিন মণ মিষ্টির রস রাখা আছে। মিষ্টির রস এতই পুরোনো যে রং পরিবর্তন হয়ে গেছে। মেয়াদোত্তীর্ণ রসমালাই থেকে গন্ধ বের হচ্ছিল, কিন্তু সেগুলোও ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখা হচ্ছিল। কারখানা থেকে মিষ্টিসহ তিন মণ মিষ্টির রস ও ২০ কেজি রসমালাই জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment