![]() |
| বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে যুক্ত হওয়া বোয়িং উড়োজাহাজের সামনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ও অন্য অতিথিরা l ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় |
প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেছেন, নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ সংযুক্তির মাধ্যমে আওয়ামী
লীগ সরকার বাংলাদেশ বিমানকে আধুনিক সংস্থায় পরিণত করেছে। পূর্ববর্তী কোনো
সরকার এই সাফল্য দেখাতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘একটু কঠিন করে বললে বলতে হবে,
মরা লাশে আমরা প্রাণের সঞ্চার করেছি।’
গতকাল মঙ্গলবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে নতুন যুক্ত হওয়া দুটি উড়োজাহাজের (বোয়িং ৭৩৭-৮০০) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রতিটি ১৬২ আসনের উড়োজাহাজ দুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেঘদূত’ ও ‘ময়ূরপঙ্খী’।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ দুটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার কারণে গতকাল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে সব উড্ডয়ন ও অবতরণ বন্ধ রাখা হয়। ওই সময়ের ফ্লাইটগুলোর উড্ডয়ন ও অবতরণসূচি পরিবর্তন করা হয়। একই দিন বেলা তিনটায় বিমানবন্দরের ভেতরে জরুরি ভিত্তিতে আগুন নেভানোর অনুশীলনের কর্মসূচি রেখেছিল বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। এ কারণে আরও দুই ঘণ্টা ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ছিল।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, একই দিন দুটি অনুষ্ঠান রেখে দেশের প্রধান বিমানবন্দর চার ঘণ্টা উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখলে পরে ফ্লাইট জট লেগে ব্যাপক যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা থাকে। এ কারণে আগুন নেভানোর অনুশীলন কর্মসূচি পেছানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ তা মানেনি। গতকাল সকালে বিমানের উড়োজাহাজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি জানতে পারেন এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভানোর কর্মসূচি স্থগিত করতে বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ বিমানকে দেশের ভাবমূর্তির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি যাত্রীসেবা বাড়িয়ে বিমানকে বিদেশিদের কাছেও জনপ্রিয় করে তোলার তাগিদ দেন।
বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, বিমান আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সত্যিকার অর্থে জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বহরে আধুনিক উড়োজাহাজ যুক্ত হচ্ছে।
এর আগে ২০১১ ও ২০১৩ সালে বোয়িং কোম্পানি থেকে কেনা চারটি নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ বিমানবহরে যুক্ত হয়। প্রতিটি ৪১৯ আসনের ওই চারটি উড়োজাহাজের (বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর) নাম রাখা হয়েছে পালকি, অরুণ আলো, আকাশ প্রদীপ ও রাঙা প্রভাত। ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান কর্তৃপক্ষ।
২০১৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে আরও চারটি ‘ড্রিমলাইনার’ বহরে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব.) জামালউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, আগামী এপ্রিল থেকে চীনের ক্যানটন, শ্রীলঙ্কার কলম্বোসহ কয়েকটি নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে বিমান। একই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়া কয়েকটি গন্তব্য পুনরায় চালু করা হবে। জামালউদ্দিন জানান, বিমান গত বছর ২৭২ কোটি টাকা মুনাফা করেছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের সচিব এম খোরশেদ আলম চৌধুরী, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ডেভিড মিলি, বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আসাদুজ্জামান ও বোয়িং কোম্পানির প্রতিনিধি সবিতা গৌড়।
গতকাল মঙ্গলবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে নতুন যুক্ত হওয়া দুটি উড়োজাহাজের (বোয়িং ৭৩৭-৮০০) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রতিটি ১৬২ আসনের উড়োজাহাজ দুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেঘদূত’ ও ‘ময়ূরপঙ্খী’।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ দুটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার কারণে গতকাল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে সব উড্ডয়ন ও অবতরণ বন্ধ রাখা হয়। ওই সময়ের ফ্লাইটগুলোর উড্ডয়ন ও অবতরণসূচি পরিবর্তন করা হয়। একই দিন বেলা তিনটায় বিমানবন্দরের ভেতরে জরুরি ভিত্তিতে আগুন নেভানোর অনুশীলনের কর্মসূচি রেখেছিল বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। এ কারণে আরও দুই ঘণ্টা ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ছিল।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, একই দিন দুটি অনুষ্ঠান রেখে দেশের প্রধান বিমানবন্দর চার ঘণ্টা উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখলে পরে ফ্লাইট জট লেগে ব্যাপক যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা থাকে। এ কারণে আগুন নেভানোর অনুশীলন কর্মসূচি পেছানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ তা মানেনি। গতকাল সকালে বিমানের উড়োজাহাজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি জানতে পারেন এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভানোর কর্মসূচি স্থগিত করতে বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ বিমানকে দেশের ভাবমূর্তির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি যাত্রীসেবা বাড়িয়ে বিমানকে বিদেশিদের কাছেও জনপ্রিয় করে তোলার তাগিদ দেন।
বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, বিমান আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সত্যিকার অর্থে জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বহরে আধুনিক উড়োজাহাজ যুক্ত হচ্ছে।
এর আগে ২০১১ ও ২০১৩ সালে বোয়িং কোম্পানি থেকে কেনা চারটি নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ বিমানবহরে যুক্ত হয়। প্রতিটি ৪১৯ আসনের ওই চারটি উড়োজাহাজের (বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর) নাম রাখা হয়েছে পালকি, অরুণ আলো, আকাশ প্রদীপ ও রাঙা প্রভাত। ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান কর্তৃপক্ষ।
২০১৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে আরও চারটি ‘ড্রিমলাইনার’ বহরে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব.) জামালউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, আগামী এপ্রিল থেকে চীনের ক্যানটন, শ্রীলঙ্কার কলম্বোসহ কয়েকটি নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে বিমান। একই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়া কয়েকটি গন্তব্য পুনরায় চালু করা হবে। জামালউদ্দিন জানান, বিমান গত বছর ২৭২ কোটি টাকা মুনাফা করেছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের সচিব এম খোরশেদ আলম চৌধুরী, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ডেভিড মিলি, বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আসাদুজ্জামান ও বোয়িং কোম্পানির প্রতিনিধি সবিতা গৌড়।

No comments:
Post a Comment