দক্ষিণ
এশিয়ার আঞ্চলিক মান সংস্থা (সারসো) পরিশোধিত চিনি, বিস্কুটসহ ছয়টি পণ্যের
অভিন্ন মান চূড়ান্ত করেছে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে দুগ্ধজাত
পণ্যের পরিচ্ছন্নতা-সম্পর্কিত সাধারণ মানদণ্ড চূড়ান্ত করেছে সারসো। আট
দেশের জোট দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠার তিন
দশক পর এই প্রথম পণ্যের অভিন্ন মান তৈরি হলো।
ঢাকায় স্থাপিত দক্ষিণ এশিয়ার আট দেশের আঞ্চলিক মান সংস্থা সারসো ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক মান সংস্থার (আইএসও) স্বীকৃতি পেয়েছে। এর ফলে আইএসওর প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের আঞ্চলিক মান নির্ধারণের সুযোগ পাবে সারসো। তেমনি সারসোর স্বীকৃত মান অনুসরণ করবে এমন সব পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে যাওয়ার পথ সুগম হবে। এ বছরের প্রথমার্ধে আইএসওর সঙ্গে সারসোর এ বিষয়ে একটি চুক্তি সইয়ের কথা রয়েছে।
সারসোর মহাপরিচালক সৈয়দ হুমায়ন কবীর গত সোমবার তাঁর দপ্তরে প্রথম আলোকে বলেন, ইতিমধ্যে চিনি, বিস্কুট, চট, দুই ধরনের সুতা ও পাটের দক্ষিণ এশীয় মান চূড়ান্ত হয়েছে। মার্চে সদস্যদেশগুলোর চূড়ান্ত সম্মতির পর পণ্যগুলোর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সার্ক মান অনুসরণ করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশগুলোতে আঞ্চলিক বাণিজ্য ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি বিশ্ব বাজারে অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করতে ২০০৮ সালে কলম্বোয় অনুষ্ঠিত ১৫তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে সারসো প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। এ জন্য সার্কের আটটি দেশ একটি চুক্তিতে সইও করে।
দক্ষিণ এশিয়ার জন্য অভিন্ন মান চূড়ান্ত করতে সারসো প্রাথমিকভাবে পাঁচটি খাতে ৪৭টি পণ্য বেছে নিয়েছে। পাঁচটি খাত হচ্ছে খাদ্য ও কৃষিজাত পণ্য, পাট, সুতা এবং চামড়া, আবাসন ও নির্মাণশিল্পের পণ্য, রাসায়নিক দ্রব্য, বৈদ্যুতিক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পণ্য। পাঁচটি খাতের কারিগরি কমিটিতে আলোচনার মাধ্যমে পণ্যের অভিন্ন মান চূড়ান্ত করার কাজ হয়।
এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে খাদ্যের স্বাস্থ্যসম্মত মান, দুই ধরনের পাটের তৈরি বস্তা, পাটের সুতা ও কার্পেটসহ পাঁচটি পণ্যের মান চূড়ান্ত করার লক্ষ্যমাত্রা আছে।
কীভাবে বাস্তবায়িত হবে: সারসোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো পণ্যের অভিন্ন মান চূড়ান্ত করতে গড়ে প্রায় তিন বছর সময়ের প্রয়োজন। এ সময়ের মধ্যে পরীক্ষাগারে পণ্যের মান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাইয়ের পর প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। এরপর নির্ধারিত পণ্যটির ফলাফল নিয়ে সদস্যদেশগুলোর কারিগরি কমিটির বৈঠকের মাধ্যমে সবার মতামত নেওয়া হয়। কারিগরি কমিটির মতামতের পর পণ্যের মান চূড়ান্ত করার পর এ নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণার আগে সদস্যদেশগুলোর কাছে সম্মতি চাওয়া হয়। এভাবে পণ্যের মান ঠিক করা হচ্ছে। আর কোনো পণ্যের সার্ক মান চূড়ান্ত হওয়ার পর নির্দিষ্ট পণ্যটির জাতীয় মানের পরিবর্তে ভবিষ্যতে আঞ্চলিক মান বিবেচ্য হবে।
পণ্যের তালিকা তৈরি: সারসোর মহাপরিচালক সৈয়দ হুমায়ন কবীরের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজধানীর তেজগাঁওয়ের নিজস্ব ভবনে আঞ্চলিক মান সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৪ সালের এপ্রিলে কাজ শুরু করে। তবে অভিন্ন মান চূড়ান্ত করার কাজ শুরু হয় ২০০৮ সাল থেকে। তৎকালীন সার্ক মান সমন্বয় বোর্ডের মাধ্যমে শুরুতে ৩৫টি পণ্যের প্রাথমিক তালিকা করে কাজ শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন খাতভিত্তিক কারিগরি কমিটির বৈঠকে আলোচনার পর পণ্যের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ হয়েছে।
জানা গেছে, পণ্যের তালিকা বাড়াতে গত বছরের অক্টোবরে সদস্যদেশগুলোর কাছে প্রধান ১০টি আমদানি ও ১০টি রপ্তানিজাত পণ্যের তালিকা চেয়েছে সারসো। ওই তালিকা পর্যালোচনার পর নতুন একটি তালিকা তৈরির পরিকল্পনা আছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো বণিক সংগঠন কিংবা সার্ক দেশগুলোর অভিন্ন বণিক সংগঠনের কাছ থেকে অভিন্ন পণ্যের মান চূড়ান্ত করার জন্য কোনো তালিকা পায়নি সারসো।
ঢাকায় স্থাপিত দক্ষিণ এশিয়ার আট দেশের আঞ্চলিক মান সংস্থা সারসো ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক মান সংস্থার (আইএসও) স্বীকৃতি পেয়েছে। এর ফলে আইএসওর প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের আঞ্চলিক মান নির্ধারণের সুযোগ পাবে সারসো। তেমনি সারসোর স্বীকৃত মান অনুসরণ করবে এমন সব পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে যাওয়ার পথ সুগম হবে। এ বছরের প্রথমার্ধে আইএসওর সঙ্গে সারসোর এ বিষয়ে একটি চুক্তি সইয়ের কথা রয়েছে।
সারসোর মহাপরিচালক সৈয়দ হুমায়ন কবীর গত সোমবার তাঁর দপ্তরে প্রথম আলোকে বলেন, ইতিমধ্যে চিনি, বিস্কুট, চট, দুই ধরনের সুতা ও পাটের দক্ষিণ এশীয় মান চূড়ান্ত হয়েছে। মার্চে সদস্যদেশগুলোর চূড়ান্ত সম্মতির পর পণ্যগুলোর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সার্ক মান অনুসরণ করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশগুলোতে আঞ্চলিক বাণিজ্য ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি বিশ্ব বাজারে অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করতে ২০০৮ সালে কলম্বোয় অনুষ্ঠিত ১৫তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে সারসো প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। এ জন্য সার্কের আটটি দেশ একটি চুক্তিতে সইও করে।
দক্ষিণ এশিয়ার জন্য অভিন্ন মান চূড়ান্ত করতে সারসো প্রাথমিকভাবে পাঁচটি খাতে ৪৭টি পণ্য বেছে নিয়েছে। পাঁচটি খাত হচ্ছে খাদ্য ও কৃষিজাত পণ্য, পাট, সুতা এবং চামড়া, আবাসন ও নির্মাণশিল্পের পণ্য, রাসায়নিক দ্রব্য, বৈদ্যুতিক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পণ্য। পাঁচটি খাতের কারিগরি কমিটিতে আলোচনার মাধ্যমে পণ্যের অভিন্ন মান চূড়ান্ত করার কাজ হয়।
এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে খাদ্যের স্বাস্থ্যসম্মত মান, দুই ধরনের পাটের তৈরি বস্তা, পাটের সুতা ও কার্পেটসহ পাঁচটি পণ্যের মান চূড়ান্ত করার লক্ষ্যমাত্রা আছে।
কীভাবে বাস্তবায়িত হবে: সারসোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো পণ্যের অভিন্ন মান চূড়ান্ত করতে গড়ে প্রায় তিন বছর সময়ের প্রয়োজন। এ সময়ের মধ্যে পরীক্ষাগারে পণ্যের মান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাইয়ের পর প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। এরপর নির্ধারিত পণ্যটির ফলাফল নিয়ে সদস্যদেশগুলোর কারিগরি কমিটির বৈঠকের মাধ্যমে সবার মতামত নেওয়া হয়। কারিগরি কমিটির মতামতের পর পণ্যের মান চূড়ান্ত করার পর এ নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণার আগে সদস্যদেশগুলোর কাছে সম্মতি চাওয়া হয়। এভাবে পণ্যের মান ঠিক করা হচ্ছে। আর কোনো পণ্যের সার্ক মান চূড়ান্ত হওয়ার পর নির্দিষ্ট পণ্যটির জাতীয় মানের পরিবর্তে ভবিষ্যতে আঞ্চলিক মান বিবেচ্য হবে।
পণ্যের তালিকা তৈরি: সারসোর মহাপরিচালক সৈয়দ হুমায়ন কবীরের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজধানীর তেজগাঁওয়ের নিজস্ব ভবনে আঞ্চলিক মান সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৪ সালের এপ্রিলে কাজ শুরু করে। তবে অভিন্ন মান চূড়ান্ত করার কাজ শুরু হয় ২০০৮ সাল থেকে। তৎকালীন সার্ক মান সমন্বয় বোর্ডের মাধ্যমে শুরুতে ৩৫টি পণ্যের প্রাথমিক তালিকা করে কাজ শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন খাতভিত্তিক কারিগরি কমিটির বৈঠকে আলোচনার পর পণ্যের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ হয়েছে।
জানা গেছে, পণ্যের তালিকা বাড়াতে গত বছরের অক্টোবরে সদস্যদেশগুলোর কাছে প্রধান ১০টি আমদানি ও ১০টি রপ্তানিজাত পণ্যের তালিকা চেয়েছে সারসো। ওই তালিকা পর্যালোচনার পর নতুন একটি তালিকা তৈরির পরিকল্পনা আছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো বণিক সংগঠন কিংবা সার্ক দেশগুলোর অভিন্ন বণিক সংগঠনের কাছ থেকে অভিন্ন পণ্যের মান চূড়ান্ত করার জন্য কোনো তালিকা পায়নি সারসো।

No comments:
Post a Comment