প্রবাসীকল্যাণ
ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান নীতির খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নারী
কর্মীদের শ্রম, ভূমি ও সম্ভাবনা, নিরাপদ অভিবাসন এবং প্রবাসী কর্মীদের
পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষা ও সুবিধাসহ ৬টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এ নীতিতে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার তৈরি করতে বিভিন্ন দেশে
নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে।
আজ সচিবলায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ২০০৬ সালে সংক্ষিপ্ত আকারে এ রকম একটি নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক নতুন নতুন আইন হওয়ায় নতুন করে নীতিমালাটি করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাই আন্তর্জাতিক ওই সব নতুন আইনের আলোকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নতুন করে বড় পরিসরে নীতি প্রণয়ন করে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করেছে। পরে মন্ত্রিসভা এটি অনুমোদন দিয়েছে।
শফিউল আলম বলেন, এ নীতিমালায় ছয়টি নীতিনির্ধারণী বিষয় রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অভিবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নারী কর্মীদের অভিবাসন, অভিবাসী শ্রমিকদের পারিবারিক সুরক্ষা, শ্রমিকদের কাজের নিশ্চয়তা ইত্যাদি। এই নীতিমালার ফলে নিরাপদ শ্রম ও অভিবাসন সুরক্ষা হবে বলেও তিনি জানান।
এদিকে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের কূটনীতিকদের শুধু রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে ভাবলে চলবে না। তাদের বাংলাদেশি পণ্যের বাজার তৈরির প্রচেষ্টাও চালাতে হবে। বিদেশে বাংলাদেশী পণ্যের বাজার তৈরি করতে রাষ্ট্রদূতদের তাগিদও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরতে হবে। বিদেশে কীভাবে দেশীয় পণ্যের বাজার তৈরি করা যায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে। কোন দেশে কোন পণ্যের চাহিদা আছে, কোন পণ্য কোন দেশের বাজারে বেশি চলে, সে বিষয়গুলোও খুঁজে বের করতে হবে। পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়’ এ নীতির ভিত্তিতে দেশি পণ্য বিদেশি বাজারে তুলে ধরার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে তার ৮৩তম জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো হয়। জন্মদিনের প্রসঙ্গটি প্রথমে তোলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এরপর প্রধানমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীরা অর্থমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
আজ সচিবলায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ২০০৬ সালে সংক্ষিপ্ত আকারে এ রকম একটি নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক নতুন নতুন আইন হওয়ায় নতুন করে নীতিমালাটি করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাই আন্তর্জাতিক ওই সব নতুন আইনের আলোকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নতুন করে বড় পরিসরে নীতি প্রণয়ন করে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করেছে। পরে মন্ত্রিসভা এটি অনুমোদন দিয়েছে।
শফিউল আলম বলেন, এ নীতিমালায় ছয়টি নীতিনির্ধারণী বিষয় রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অভিবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নারী কর্মীদের অভিবাসন, অভিবাসী শ্রমিকদের পারিবারিক সুরক্ষা, শ্রমিকদের কাজের নিশ্চয়তা ইত্যাদি। এই নীতিমালার ফলে নিরাপদ শ্রম ও অভিবাসন সুরক্ষা হবে বলেও তিনি জানান।
এদিকে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের কূটনীতিকদের শুধু রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে ভাবলে চলবে না। তাদের বাংলাদেশি পণ্যের বাজার তৈরির প্রচেষ্টাও চালাতে হবে। বিদেশে বাংলাদেশী পণ্যের বাজার তৈরি করতে রাষ্ট্রদূতদের তাগিদও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরতে হবে। বিদেশে কীভাবে দেশীয় পণ্যের বাজার তৈরি করা যায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে। কোন দেশে কোন পণ্যের চাহিদা আছে, কোন পণ্য কোন দেশের বাজারে বেশি চলে, সে বিষয়গুলোও খুঁজে বের করতে হবে। পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়’ এ নীতির ভিত্তিতে দেশি পণ্য বিদেশি বাজারে তুলে ধরার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে তার ৮৩তম জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো হয়। জন্মদিনের প্রসঙ্গটি প্রথমে তোলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এরপর প্রধানমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীরা অর্থমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

No comments:
Post a Comment