আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও
জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি যদি বাংলাদেশে
বাস্তবমুখী রাজনীতি করতে চায়, তাহলে ঐতিহাসিক সত্য মানতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুকে মানতে হবে। নতুবা তারা ইতিহাসের
আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।
গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফ এসব কথা বলেন। দলের জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতির লক্ষ্যে এ বৈঠক হয়।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘খালেদা জিয়া কোনো দিনই মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ছিলেন না এবং জীবনেও হবেন না। বাংলাদেশের সৃষ্টি তারা এখন পর্যন্ত মানে নাই। তাদের কাছে সাধের পাকিস্তানই এখনো পবিত্র স্থান। এ থেকে তারা এক ইঞ্চিও সরে আসে নাই।’
সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আগামীতে নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সেই নির্বাচনে আমরা আশা করি বিএনপি আর ভুল করবে না। এবার নিশ্চয়ই তারা নির্বাচনে আসবে বর্তমান সংবিধানের অধীনে। এটাই হবে তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। তারা যদি আবারও নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বিএনপি কিন্তু বাংলাদেশে আর রাজনৈতিক দল হিসেবে থাকবে না।’
বিচারপতিদের অবসরের পর রায় লেখা নিয়ে প্রধান বিচারপতির দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘এটা মনে হয় একটা সেমিনারে বলেছেন। কোনো রায় নয়।’
বিএনপির জাতীয় সম্মেলনের বিষয়ে আশরাফ বলেন, বিএনপি ঢাকায় বসে বিভিন্ন জেলা-উপজেলার কমিটি ঘোষণা করে। পত্রপত্রিকায় হঠাৎ দেখা যায়, অমুক নেতা হয়েছেন। এটা আবার ফলাও করে ছাপানো হয়।
আগামী ২৮ মার্চ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের দিন ঠিক করা আছে। সৈয়দ আশরাফ বলেন, ৭৭ সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ৬৯টির সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। বাকিগুলোতে সম্মেলনের তারিখ দেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, গতকালের বৈঠকে সাতটি জেলার সম্মেলনের তারিখ ঠিক করা হয়। এর মধ্যে চাঁদপুরে ২৭ জানুয়ারি ও কক্সবাজারে ৩১ জানুয়ারি, ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোলায়, ১৯ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জে, ২৩ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনায়, ২৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জে এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি শরীয়তপুরের সম্মেলন অনুষ্ঠানের তারিখ ঠিক করা হয়।
এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর নূরুল ইসলাম ও মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ সম্প্রতি মারা গেছেন। তাঁদের দুজনের স্মরণে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি শোকসভা করার সিদ্ধান্ত হয়।

গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফ এসব কথা বলেন। দলের জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতির লক্ষ্যে এ বৈঠক হয়।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘খালেদা জিয়া কোনো দিনই মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ছিলেন না এবং জীবনেও হবেন না। বাংলাদেশের সৃষ্টি তারা এখন পর্যন্ত মানে নাই। তাদের কাছে সাধের পাকিস্তানই এখনো পবিত্র স্থান। এ থেকে তারা এক ইঞ্চিও সরে আসে নাই।’
সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আগামীতে নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সেই নির্বাচনে আমরা আশা করি বিএনপি আর ভুল করবে না। এবার নিশ্চয়ই তারা নির্বাচনে আসবে বর্তমান সংবিধানের অধীনে। এটাই হবে তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। তারা যদি আবারও নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বিএনপি কিন্তু বাংলাদেশে আর রাজনৈতিক দল হিসেবে থাকবে না।’
বিচারপতিদের অবসরের পর রায় লেখা নিয়ে প্রধান বিচারপতির দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘এটা মনে হয় একটা সেমিনারে বলেছেন। কোনো রায় নয়।’
বিএনপির জাতীয় সম্মেলনের বিষয়ে আশরাফ বলেন, বিএনপি ঢাকায় বসে বিভিন্ন জেলা-উপজেলার কমিটি ঘোষণা করে। পত্রপত্রিকায় হঠাৎ দেখা যায়, অমুক নেতা হয়েছেন। এটা আবার ফলাও করে ছাপানো হয়।
আগামী ২৮ মার্চ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের দিন ঠিক করা আছে। সৈয়দ আশরাফ বলেন, ৭৭ সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ৬৯টির সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। বাকিগুলোতে সম্মেলনের তারিখ দেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, গতকালের বৈঠকে সাতটি জেলার সম্মেলনের তারিখ ঠিক করা হয়। এর মধ্যে চাঁদপুরে ২৭ জানুয়ারি ও কক্সবাজারে ৩১ জানুয়ারি, ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোলায়, ১৯ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জে, ২৩ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনায়, ২৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জে এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি শরীয়তপুরের সম্মেলন অনুষ্ঠানের তারিখ ঠিক করা হয়।
এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর নূরুল ইসলাম ও মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ সম্প্রতি মারা গেছেন। তাঁদের দুজনের স্মরণে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি শোকসভা করার সিদ্ধান্ত হয়।
No comments:
Post a Comment