প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেছেন, সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশকে জনগণের সেবক হতে হবে।
পুলিশের প্রত্যেক সদস্যকে অসহায় ও বিপন্ন মানুষের পাশে বিশ্বস্ত বন্ধুর
মতো দাঁড়াতে হবে।
রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে গতকাল মঙ্গলবার সকালে ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০১৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পুলিশের প্রত্যেক সদস্য সর্বোচ্চ দেশপ্রেম নিয়ে তাঁদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। দেশের শান্তি রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে তাঁরা অবদান রাখবেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ জানুয়ারি প্রথম পুলিশ সপ্তাহে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ভাষণের একটি অংশ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, কেবল চুরি-ডাকাতি, হত্যা-রাহাজানি বন্ধ করা নয়; সাইবার ক্রাইম, মানি লন্ডারিং, মাদক পাচার এবং পণ্য চোরাচালান ও নারী-শিশু পাচার প্রতিরোধে পুলিশ বাহিনীকে কাজ করতে হয়। পুলিশ বাহিনীকে উন্নত প্রশিক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক তাঁকে স্বাগত জানান। পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং সালাম নেন। প্যারেডে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) শামসুন্নাহার। এবারই প্রথম কোনো নারী পুলিশ কর্মকর্তা প্যারেডে নেতৃত্ব দিলেন।
২০১৫ সালে সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ কাজ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে ‘প্রশংসনীয় অবদানের’ স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এ অনুষ্ঠানে পুলিশের সদস্যদের পদক পরিয়ে দেন। এবার পুলিশের ১৯ জন সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), ২০ জনকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম), ২৩ জনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা ও ৪০ জনকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা পদক দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে ছয়জনকে দেওয়া হয় মরণোত্তর পদক।
শেখ হাসিনা একাত্তরের ২৫ মার্চ রাজারবাগে পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় শহীদ পুলিশ সদস্যদের এবং মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের সহিংসতা ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২৬ জন সদস্য জীবন দিয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ২১ জনই পুলিশের সদস্য। তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগ ও পেট্রলবোমার শিকার হয়ে ২৩১ জন নিরীহ মানুষ নিহত ও ১ হাজার ১৮০ জন আহত হয়। এ সময় ২ হাজার ৯০৩টি গাড়ি, ১৮টি রেলগাড়ি ও আটটি লঞ্চে আগুন দেয় তারা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের জনবল দেড় লক্ষাধিক। গত সাত বছরে পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে ৭৩৯টি ক্যাডার পদসহ ৩২ হাজার ৩১টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। তথাপি দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে পুলিশের জনবল যথেষ্ট নয়। সে বিবেচনায় আমরা বাংলাদেশ পুলিশে আরও ৫০ হাজার নতুন পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে ২৭৭টি ক্যাডার পদসহ ১৩ হাজার ৫৫৮টি পদে পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাকি জনবলের নিয়োগ কার্যক্রম অচিরেই সম্পন্ন করা হবে।’
জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, পুলিশের জন্য সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।
রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে গতকাল মঙ্গলবার সকালে ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০১৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পুলিশের প্রত্যেক সদস্য সর্বোচ্চ দেশপ্রেম নিয়ে তাঁদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। দেশের শান্তি রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে তাঁরা অবদান রাখবেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ জানুয়ারি প্রথম পুলিশ সপ্তাহে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ভাষণের একটি অংশ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, কেবল চুরি-ডাকাতি, হত্যা-রাহাজানি বন্ধ করা নয়; সাইবার ক্রাইম, মানি লন্ডারিং, মাদক পাচার এবং পণ্য চোরাচালান ও নারী-শিশু পাচার প্রতিরোধে পুলিশ বাহিনীকে কাজ করতে হয়। পুলিশ বাহিনীকে উন্নত প্রশিক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক তাঁকে স্বাগত জানান। পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং সালাম নেন। প্যারেডে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) শামসুন্নাহার। এবারই প্রথম কোনো নারী পুলিশ কর্মকর্তা প্যারেডে নেতৃত্ব দিলেন।
২০১৫ সালে সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ কাজ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে ‘প্রশংসনীয় অবদানের’ স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এ অনুষ্ঠানে পুলিশের সদস্যদের পদক পরিয়ে দেন। এবার পুলিশের ১৯ জন সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), ২০ জনকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম), ২৩ জনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা ও ৪০ জনকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা পদক দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে ছয়জনকে দেওয়া হয় মরণোত্তর পদক।
শেখ হাসিনা একাত্তরের ২৫ মার্চ রাজারবাগে পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় শহীদ পুলিশ সদস্যদের এবং মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের সহিংসতা ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২৬ জন সদস্য জীবন দিয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ২১ জনই পুলিশের সদস্য। তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগ ও পেট্রলবোমার শিকার হয়ে ২৩১ জন নিরীহ মানুষ নিহত ও ১ হাজার ১৮০ জন আহত হয়। এ সময় ২ হাজার ৯০৩টি গাড়ি, ১৮টি রেলগাড়ি ও আটটি লঞ্চে আগুন দেয় তারা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের জনবল দেড় লক্ষাধিক। গত সাত বছরে পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে ৭৩৯টি ক্যাডার পদসহ ৩২ হাজার ৩১টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। তথাপি দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে পুলিশের জনবল যথেষ্ট নয়। সে বিবেচনায় আমরা বাংলাদেশ পুলিশে আরও ৫০ হাজার নতুন পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে ২৭৭টি ক্যাডার পদসহ ১৩ হাজার ৫৫৮টি পদে পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাকি জনবলের নিয়োগ কার্যক্রম অচিরেই সম্পন্ন করা হবে।’
জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, পুলিশের জন্য সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।

No comments:
Post a Comment