সিপিবি
সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, জনগণের অধিকার সংকুচিত করার পথেই
সরকার চলছে। তিনি বলেন, দেশে ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হলে
প্রকৃত দেশপ্রেমিক ও জনগণের পক্ষের ধারাকে শক্তিশালী করতে হবে। এই লক্ষ্যে
সব বাম-গণতান্ত্রিক-দেশপ্রেমিক ও উদারনৈতিক দল এবং ব্যক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে
হবে।
সিপিবি’র জানুয়ারি মাসব্যাপী প্রচার কর্মসূচিতে আজ মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের জালপুরিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সেলিম এসব কথা বলেন।
সেলিম আরো বলেন, সংকীর্ণ ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির জন্য বুর্জোয়া দলগুলো দ্বন্দ্ব-সংঘাতে লিপ্ত। তাদের আদর্শহীন রুগ্ন রাজনীতির খেসারত দিতে হচ্ছে জনগণকে। সার্বিক সংকট থেকে মুক্তি পেতে দ্বি-দলীয় মেরুকরণের বাইরে আদর্শভিত্তিক বাম-গণতান্ত্রিক বিকল্প রাজনীতির উত্থান ঘটাতে হবে।
তিনি বলেন, দেশকে কার্যত একটা পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করার দিকে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দেশে কার্যকর ও শক্তিশালী বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে পারলে, আওয়ামী লীগ-বিএনপি জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।
কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজ্জাদ জহির চন্দন, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ চক্রবর্তী, দুলাল সাহা প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে জালপুরি বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রাটি দেলপাড়া, চিতাশাল, নয়ামাটি, শাহীবাজার, বৌবাজার হয়ে পাগলা বাজারে গিয়ে শেষ হয়। এছাড়াও পথে পথে সমাবেশ, পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত ১ জানুয়ারি থেকে সিপিবি দেশের গ্রামাঞ্চলে মাসব্যাপী প্রচার অভিযান পরিচালনা করছে। জনগণের সম্মিলিত শক্তিতে সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও লুটপাটতন্ত্র প্রতিরোধ করে; দুই জোটের বাইরে বাম-গণতান্ত্রিক বিকল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে জানুয়ারি মাসব্যাপী এ অভিযান পরিচালিত হবে। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সিপিবি’র জানুয়ারি মাসব্যাপী প্রচার কর্মসূচিতে আজ মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের জালপুরিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সেলিম এসব কথা বলেন।
সেলিম আরো বলেন, সংকীর্ণ ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির জন্য বুর্জোয়া দলগুলো দ্বন্দ্ব-সংঘাতে লিপ্ত। তাদের আদর্শহীন রুগ্ন রাজনীতির খেসারত দিতে হচ্ছে জনগণকে। সার্বিক সংকট থেকে মুক্তি পেতে দ্বি-দলীয় মেরুকরণের বাইরে আদর্শভিত্তিক বাম-গণতান্ত্রিক বিকল্প রাজনীতির উত্থান ঘটাতে হবে।
তিনি বলেন, দেশকে কার্যত একটা পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করার দিকে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দেশে কার্যকর ও শক্তিশালী বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে পারলে, আওয়ামী লীগ-বিএনপি জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।
কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজ্জাদ জহির চন্দন, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ চক্রবর্তী, দুলাল সাহা প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে জালপুরি বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রাটি দেলপাড়া, চিতাশাল, নয়ামাটি, শাহীবাজার, বৌবাজার হয়ে পাগলা বাজারে গিয়ে শেষ হয়। এছাড়াও পথে পথে সমাবেশ, পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত ১ জানুয়ারি থেকে সিপিবি দেশের গ্রামাঞ্চলে মাসব্যাপী প্রচার অভিযান পরিচালনা করছে। জনগণের সম্মিলিত শক্তিতে সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও লুটপাটতন্ত্র প্রতিরোধ করে; দুই জোটের বাইরে বাম-গণতান্ত্রিক বিকল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে জানুয়ারি মাসব্যাপী এ অভিযান পরিচালিত হবে। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

No comments:
Post a Comment