মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ
হতদরিদ্র, অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের সাময়িক দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের লক্ষ্যে সরকার ঘোষিত কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ প্রতিটি ইউনিয়ন পর্য্যায়ের সংশ্লিষ্ট কিছু রাঘবেরা হ-য-ব-র-ল অবস্থা সৃষ্টি করে সিংহ ভাগ টাকা শ্রমিকদের ভাগিয়ে নিজেদের পকেটস্থ করার অভিযোগ ভোক্তভোগী শ্রমিকের। ৮ ইউনিয়নে প্রকল্পের কাজ সাপ্তাহে ৫ দিন ঘোষনা করা হলে ও দুর্নীতিবাজ পিআইও শফিউল আলম শাকিবের মাধ্যমে প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ঠ রাঘবেরা বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে ধার্য্যকৃত কাজের দিন কমিয়ে দেয় তা আবার পুরাপুরি কাজের দিন হিসাব করে ব্যাংক থেকে শ্রমিকের মারফতে টাকা উত্তোলন করে। শ্রমিকের পারিশ্রমিকের টাকা উত্তোলন কালীন সময় ব্যাংকে কোন সংবাদকর্মী, গোয়েদা ও প্রশাসনিক বিভাগের লোক উপস্থিত থাকলে তাদের চোখে ফাঁকি দিয়ে ভিন্ন কৌশলে গ্রহন করে প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকের নিযুক্ত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রতিজন শ্রমিকের পারিশ্রমিক থেকে সাড়ে ৫০০শত থেকে ১০০০ হাজার টাকা কেড়ে নিচ্ছে সে বিষয়ে কোন প্রতিনিধি প্রশ্ন করলে নিযুক্ত প্রতিনিধিরা বলে আমরা পিআইও শাকিবের কথামতে টাকা নিচ্ছি। অফিস সুত্রে জানাগেছে, মহেশখালীর প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ শফিউল আলম শাকিব তার চাচাত ভাই প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সহায়ক নজরুল ইসলাম ও আরেক চাচাত ভাই প্রকল্প বাস্তবায়নের নিয়ন্ত্রনাধীন ধলঘাট-মাতারবাড়ি ইউনিয়নের সাইকোন সেন্টার নির্মিতব্য প্রজেক্টের ইনচার্জ জাহেদুল ইসলাম সব মিলিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসটি ৩ ভাইয়ের নিয়ন্ত্রনে বলে বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার সচেতন মহলের মাঝে সউর হয়ে গেছে। আরো জানাগেছে, ৩ ভাইয়ের বসতবাড়ি সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায়। মোঃ শফিউল আলম মহেশখালীতে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উখিয়ায় ও দায়িত্ব পালন করত সেখানে দুর্নীতি ও নানান অপকর্মের কারনে দায়িত্ব থেকে বহিস্কার করে দেন এবং তার বিরোদ্ধে দুর্ণীতির দায়ে প্রায় ৭টি মামলা হয়েছে। অবৈধ পথের অর্জিত টাকা হালাল করতে বিশেষ কিছু নেতাদের তেলেশমাতি ও আতলামিতে ব্যস্ত থাকে। শাকিব কর্মসৃজন প্রকল্পের টাকা সু-কৌশলে প্রকল্পের সভাপতি/সেক্রেটারীদের সাথে গোপন আতাঁত করে সিংহভাগ টাকা তার পকেটে যাচ্ছে। পিআইও শাকিব হুংকার দিয়ে বলেন, এমন কোন শক্তি নাই আমাকে ক্ষতি করতে পারে কারন আমার উপরে অনেক লম্বা হাত রয়েছে এবং জেলায় যতসব রাজনৈতিক নেতা রয়েছে তা আমার কন্টোলে রয়েছে।
হতদরিদ্র, অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের সাময়িক দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের লক্ষ্যে সরকার ঘোষিত কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ প্রতিটি ইউনিয়ন পর্য্যায়ের সংশ্লিষ্ট কিছু রাঘবেরা হ-য-ব-র-ল অবস্থা সৃষ্টি করে সিংহ ভাগ টাকা শ্রমিকদের ভাগিয়ে নিজেদের পকেটস্থ করার অভিযোগ ভোক্তভোগী শ্রমিকের। ৮ ইউনিয়নে প্রকল্পের কাজ সাপ্তাহে ৫ দিন ঘোষনা করা হলে ও দুর্নীতিবাজ পিআইও শফিউল আলম শাকিবের মাধ্যমে প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ঠ রাঘবেরা বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে ধার্য্যকৃত কাজের দিন কমিয়ে দেয় তা আবার পুরাপুরি কাজের দিন হিসাব করে ব্যাংক থেকে শ্রমিকের মারফতে টাকা উত্তোলন করে। শ্রমিকের পারিশ্রমিকের টাকা উত্তোলন কালীন সময় ব্যাংকে কোন সংবাদকর্মী, গোয়েদা ও প্রশাসনিক বিভাগের লোক উপস্থিত থাকলে তাদের চোখে ফাঁকি দিয়ে ভিন্ন কৌশলে গ্রহন করে প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকের নিযুক্ত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রতিজন শ্রমিকের পারিশ্রমিক থেকে সাড়ে ৫০০শত থেকে ১০০০ হাজার টাকা কেড়ে নিচ্ছে সে বিষয়ে কোন প্রতিনিধি প্রশ্ন করলে নিযুক্ত প্রতিনিধিরা বলে আমরা পিআইও শাকিবের কথামতে টাকা নিচ্ছি। অফিস সুত্রে জানাগেছে, মহেশখালীর প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ শফিউল আলম শাকিব তার চাচাত ভাই প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সহায়ক নজরুল ইসলাম ও আরেক চাচাত ভাই প্রকল্প বাস্তবায়নের নিয়ন্ত্রনাধীন ধলঘাট-মাতারবাড়ি ইউনিয়নের সাইকোন সেন্টার নির্মিতব্য প্রজেক্টের ইনচার্জ জাহেদুল ইসলাম সব মিলিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসটি ৩ ভাইয়ের নিয়ন্ত্রনে বলে বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার সচেতন মহলের মাঝে সউর হয়ে গেছে। আরো জানাগেছে, ৩ ভাইয়ের বসতবাড়ি সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায়। মোঃ শফিউল আলম মহেশখালীতে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উখিয়ায় ও দায়িত্ব পালন করত সেখানে দুর্নীতি ও নানান অপকর্মের কারনে দায়িত্ব থেকে বহিস্কার করে দেন এবং তার বিরোদ্ধে দুর্ণীতির দায়ে প্রায় ৭টি মামলা হয়েছে। অবৈধ পথের অর্জিত টাকা হালাল করতে বিশেষ কিছু নেতাদের তেলেশমাতি ও আতলামিতে ব্যস্ত থাকে। শাকিব কর্মসৃজন প্রকল্পের টাকা সু-কৌশলে প্রকল্পের সভাপতি/সেক্রেটারীদের সাথে গোপন আতাঁত করে সিংহভাগ টাকা তার পকেটে যাচ্ছে। পিআইও শাকিব হুংকার দিয়ে বলেন, এমন কোন শক্তি নাই আমাকে ক্ষতি করতে পারে কারন আমার উপরে অনেক লম্বা হাত রয়েছে এবং জেলায় যতসব রাজনৈতিক নেতা রয়েছে তা আমার কন্টোলে রয়েছে।

No comments:
Post a Comment