![]() |
| ধর্ষণের অভিযোগ ওঠা জওয়ানদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কলকাতায় যুব ও ছাত্র সংগঠন গভর্নর হাউস গেটের সামনের সড়কে বিক্ষোভ করে। ছবি: ভাস্কর মুখার্জি |
চলন্ত
ট্রেনে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী
বাহিনীর (বিএসএফ) পলাতক দুই জওয়ানকে গ্রেপ্তার করেছে রেল পুলিশ। গতকাল
শুক্রবার সন্ধ্যায় আসামের গুয়াহাটি থেকে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ
শনিবার তাঁদের কলকাতায় নেওয়া হবে।
হাওড়ার রেল পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের নাম পবন কুমার ও বাবলু যাদব। পবনের বাড়ি বিহারের হাজিপুরে। আর বাবলুর বাড়ি উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদে। এই দুই জওয়ান আগরতলায় বিএসএফ ইউনিটে কর্মরত। ছুটি কাটাতে তাঁরা ওই ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন।
গত ২৭ ডিসেম্বর বাড়ির কাউকে না জানিয়ে পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় যাওয়ার জন্য হাওড়া থেকে অমৃতসর এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠেছিল কলকাতার দমদমের ওই কিশোরী। তবে সে ভুলবশত উঠে পড়েছিল সেনাবাহিনীর সংরক্ষিত কামরায়। ওই কিশোরীকে নেশাজাতীয় কিছু পান করিয়ে তিন জওয়ান ধর্ষণ করেন। ট্রেনে ওঠার পর অমৃতসর এক্সপ্রেস ট্রেনে করে লুধিয়ানায় যাওয়ার কথা খুদেবার্তায় জানিয়েছিল মেয়েটি। এই তথ্য কিশোরীর পরিবার ও কলকাতার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ঝাড়খন্ড পুলিশকে জানিয়ে সহযোগিতা চায়। ঝাড়খন্ডের মধুপুর রেলস্টেশনে রেল পুলিশ ও ঝাড়খন্ড পুলিশের যৌথ তল্লাশিতে অচেতন অবস্থায় সংরক্ষিত কামরা থেকে উদ্ধার হয় ওই কিশোরীকে। এ ঘটনায় মঞ্জরীশ ত্রিপাঠী নামের এক সেনা জওয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পালিয়ে যায় বাকি দুজন। গতকাল সন্ধ্যায় দুই পলাতককে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঝাড়খন্ড রেল পুলিশের উপপরিদর্শক পি জোনি বলেন, ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে। আর হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কিশোরীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। গ্রেপ্তার মঞ্জরীশ ত্রিপাঠীকে আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এই ধর্ষণ ঘটনায় কলকাতাসহ গোটা পশ্চিমবঙ্গে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ ওঠা জওয়ানদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে। কলকাতায় যুব ও ছাত্র সংগঠন এই ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতার গভর্নর হাউস গেটের সামনের সড়কে বিক্ষোভ করে।
হাওড়ার রেল পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের নাম পবন কুমার ও বাবলু যাদব। পবনের বাড়ি বিহারের হাজিপুরে। আর বাবলুর বাড়ি উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদে। এই দুই জওয়ান আগরতলায় বিএসএফ ইউনিটে কর্মরত। ছুটি কাটাতে তাঁরা ওই ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন।
গত ২৭ ডিসেম্বর বাড়ির কাউকে না জানিয়ে পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় যাওয়ার জন্য হাওড়া থেকে অমৃতসর এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠেছিল কলকাতার দমদমের ওই কিশোরী। তবে সে ভুলবশত উঠে পড়েছিল সেনাবাহিনীর সংরক্ষিত কামরায়। ওই কিশোরীকে নেশাজাতীয় কিছু পান করিয়ে তিন জওয়ান ধর্ষণ করেন। ট্রেনে ওঠার পর অমৃতসর এক্সপ্রেস ট্রেনে করে লুধিয়ানায় যাওয়ার কথা খুদেবার্তায় জানিয়েছিল মেয়েটি। এই তথ্য কিশোরীর পরিবার ও কলকাতার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ঝাড়খন্ড পুলিশকে জানিয়ে সহযোগিতা চায়। ঝাড়খন্ডের মধুপুর রেলস্টেশনে রেল পুলিশ ও ঝাড়খন্ড পুলিশের যৌথ তল্লাশিতে অচেতন অবস্থায় সংরক্ষিত কামরা থেকে উদ্ধার হয় ওই কিশোরীকে। এ ঘটনায় মঞ্জরীশ ত্রিপাঠী নামের এক সেনা জওয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পালিয়ে যায় বাকি দুজন। গতকাল সন্ধ্যায় দুই পলাতককে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঝাড়খন্ড রেল পুলিশের উপপরিদর্শক পি জোনি বলেন, ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে। আর হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কিশোরীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। গ্রেপ্তার মঞ্জরীশ ত্রিপাঠীকে আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এই ধর্ষণ ঘটনায় কলকাতাসহ গোটা পশ্চিমবঙ্গে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ ওঠা জওয়ানদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে। কলকাতায় যুব ও ছাত্র সংগঠন এই ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতার গভর্নর হাউস গেটের সামনের সড়কে বিক্ষোভ করে।

No comments:
Post a Comment