২০১৯
সালের মধ্যে কোনো বাড়ি বিদ্যুৎ বিহীন থাকবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দেশের উন্নয়নে কাজ করছি। সেজন্য
কেউ জ্বালাও, পোড়াও এবং বাধা দিয়ে দেশের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না।
দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে গেলে আমরা বরদাশত করবো না।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আজ সোমবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি একথা বলেন। এ সময় শিক্ষকদের কর্মবিরতিসহ আন্দোলন থেকে সরে আসার আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের দাবিও করতে হয়নি, আমি নিজে তাদের চাকরির বয়স ৬৫ বছর করেছি। ১২৩ ভাগ বেতন বাড়িয়েছি। আমরা শিক্ষকদের সমস্যা দেখব; কিন্তু ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ করতে পারবেন না। শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে সম্মান আদায় করা যায় না, ছাত্র-ছাত্রীরা তা মেনে নেবে না। লেখাপড়া বন্ধ করা চলবে না। বিশ্ববিদ্যালয় সচল রাখতে হবে।
ক্লাস বন্ধ করে শিক্ষকদের এ আন্দোলনে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এত বড় বেতন বাড়ানোর পরও কেন এত অসন্তোষ! আসলে পেটের টান দূর হয়েছে, এখন প্রেস্টিজের চিন্তা! আর যদি এত মর্যাদাই লাগে, চাকরি ছেড়ে দিয়ে পিএসসিতে (পাবলিক সার্ভিস কমিশন) পরীক্ষা দিয়ে সচিব হয়ে যান।
মেট্রোরেলের বিরোধীতা করে আন্দোলনকারীদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দিয়ে মেট্রোরেলের লাইন তৈরি হচ্ছে। এর শব্দে পড়ালেখা বিঘ্ন হবে না। কারণ, রেল হবে আকাশ পথে। যেখানে ‘সাউন্ড প্রুফ’ করা দরকার, সেখানে ‘সাউন্ড প্রুফ’ হবে।
প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, ‘যার জন্য চুরি করি সেই বলে চোর’। আসলে বাংলাদেশে এক শ্রেণির লোক আছে যাই করতে চাই সেখানে কিন্তু খোঁজে, আন্দোলন খোঁজে। অকারণে বিরোধীতা করে। মেট্রোরেলের পাশাপাশি এ সময় রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্রের উদাহরণও টানেন প্রধানমন্ত্রী।
বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে তারেক রহমানের যোগসূত্র ছিল অভিযোগ করে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি নেত্রী প্রায়ই বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ২০০৯ সালে সরকার গঠন করলাম। দুই মাসের মধ্যে শুধু পিলখানায় নয়; সমগ্র বাংলাদেশে সেই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। আমরা মাত্র দুই দিনে তা কন্ট্রোল করি।
নতুন সেই সরকার কেন একটা বাহিনীতে বিদ্রোহ ঘটাবে-এমন প্রশ্ন রেখে খালেদা জিয়াকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি কেন ক্যান্টনমেন্ট থেকে আন্ডারগ্রাউন্ডে গেলেন? সকাল সাড়ে ৭-৮টার মধ্যে কেন বাড়ি ছেড়ে চলে গেলেন, সেই জবাব জনগণকে দিতে হবে। আমার ধারণা হয়, ওই ঘটনার সাথে তার যোগসূত্র ছিল।
বিডিআর বিদ্রোহের আগের রাতে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান লন্ডন থেকে ফোন করেন দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, তার ছেলে লন্ডন সময় রাত ১টার পর ৪৫ বার ফোন করে বাসা থেকে বের হয়ে যেতে বলেছে। কেন তার মাকে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বলেছে? জনগণের কাছে এর জবাব তাদের দিতে হবে।
২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারির ওই বিদ্রোহে নিহত ৫৭ জন সেনা অফিসারের মধ্যে ৩৩ জনই আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তাদেরকে কেন সেখানে পোস্টিং দেয়া হয়েছিল-সেটাও একটা প্রশ্ন। হাইকোর্টে এই হত্যা মামলার বিচার চলছে। আমরা এই ষড়যন্ত্রের মূলোৎপাটন একদিন করব।
খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, পাকিস্তান যে সুরে কথা বলে তিনিও সে সুরে কথা বলেন। ৩০ লাখ শহীদকে কটাক্ষ করে তিনি বললেন, এত মানুষ তো মারা যায়নি। আসলে ‘খালেদা জিয়ার দিল মে হে পেয়ারে পাকিস্তান’। তিনি পাকিস্তানকে ভুলতে পারেন না। তাই পাকিস্তানি দোসররা যে সুরে কথা বলেন, তিনিও সেই সুরে কথা বলেন।
বিগত ওয়ান ইলেভেনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপির অপকর্মের কারণেই ওয়ান ইলেভেন হয়েছিল।’
এ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাস্তায় যানজট দেখলে আমার ভালো লাগে, খুশি হই। এতে বোঝা যায়, দেশের মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বেড়েছে। তারা এখন গাড়িতে চলে। সেজন্য রাস্তায় এতো গাড়ি।’ তবে রাজধানীকে যানজটমুক্ত করতে মেট্রোরেলসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।
৫ জানুয়ারি ও সাম্প্রতিক পৌর নির্বাচন নিয়ে খালেদা জিয়ার সমালোচনার জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, উনি ভোট নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু তার স্বামী জিয়াউর রহমান কিভাবে হ্যাঁ না ভোট করেছিলেন তা জনগণ ভুলে যায়নি। আর উনি (খালেদা) ’৯৬ সালে ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসেন। কিন্তু মানুষ তাকে ক্ষমতায় থাকতে দেয়নি। আন্দোলন করে পদত্যাগে বাধ্য করেছিল।
সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও আর্থিক প্রবৃদ্ধির কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, আরো কয়েক টার্ম শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রয়োজন আছে। এ প্রয়োজন শেখ হাসিনার জন্য নয়, বাংলাদেশের আপামর জনগণের জন্য।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, আজকে বাংলাদেশ অগ্রগামী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়নি। এই অগ্রযাত্রা রাখতে হলে শেখ হাসিনাকে প্রয়োজন রয়েছে। সেজন্য আওয়ামী লীগ ও আপামর জনগণের কাছে আহবান জননেত্রীর অগ্রযাত্রায় শামিল হোন।
বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতের জন্য আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা একদিন পেছানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাকিস্তানিরা বলত, বঙ্গবন্ধু হিন্দুর বাচ্চা। আওয়ামী লীগ যারা করে সব হিন্দু। ক্রমাগত আওয়ামী লীগের উপর এই কালিমা লেপনের জন্য দীর্ঘদিন চেষ্টা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে কেউ দমাতে পারেনি। শেখ হাসিনাকেও দমাতে পারবে না। সারাবিশ্ব দেখছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সর্বোচ্চ কাতারে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, ঢাকা মহাগর সভাপতি এম এ আজিজ, সাধরাণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, দুই মেয়র আনিসুল হক ও সাঈদ খোকন প্রমুখ।
এর আগে ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে মিছিল সহকারে দলে দলে জনসভাস্থলে উপস্থিত হন নেতাকর্মীরা। এ উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জুড়ে এবং এর আশপাশ এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। মৎস্য ভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত রাস্তায় গাড়ি ডাইভারশন করে। ফলে নগরীতে যানজটে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আজ সোমবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি একথা বলেন। এ সময় শিক্ষকদের কর্মবিরতিসহ আন্দোলন থেকে সরে আসার আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের দাবিও করতে হয়নি, আমি নিজে তাদের চাকরির বয়স ৬৫ বছর করেছি। ১২৩ ভাগ বেতন বাড়িয়েছি। আমরা শিক্ষকদের সমস্যা দেখব; কিন্তু ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ করতে পারবেন না। শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে সম্মান আদায় করা যায় না, ছাত্র-ছাত্রীরা তা মেনে নেবে না। লেখাপড়া বন্ধ করা চলবে না। বিশ্ববিদ্যালয় সচল রাখতে হবে।
ক্লাস বন্ধ করে শিক্ষকদের এ আন্দোলনে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এত বড় বেতন বাড়ানোর পরও কেন এত অসন্তোষ! আসলে পেটের টান দূর হয়েছে, এখন প্রেস্টিজের চিন্তা! আর যদি এত মর্যাদাই লাগে, চাকরি ছেড়ে দিয়ে পিএসসিতে (পাবলিক সার্ভিস কমিশন) পরীক্ষা দিয়ে সচিব হয়ে যান।
মেট্রোরেলের বিরোধীতা করে আন্দোলনকারীদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দিয়ে মেট্রোরেলের লাইন তৈরি হচ্ছে। এর শব্দে পড়ালেখা বিঘ্ন হবে না। কারণ, রেল হবে আকাশ পথে। যেখানে ‘সাউন্ড প্রুফ’ করা দরকার, সেখানে ‘সাউন্ড প্রুফ’ হবে।
প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, ‘যার জন্য চুরি করি সেই বলে চোর’। আসলে বাংলাদেশে এক শ্রেণির লোক আছে যাই করতে চাই সেখানে কিন্তু খোঁজে, আন্দোলন খোঁজে। অকারণে বিরোধীতা করে। মেট্রোরেলের পাশাপাশি এ সময় রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্রের উদাহরণও টানেন প্রধানমন্ত্রী।
বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে তারেক রহমানের যোগসূত্র ছিল অভিযোগ করে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি নেত্রী প্রায়ই বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ২০০৯ সালে সরকার গঠন করলাম। দুই মাসের মধ্যে শুধু পিলখানায় নয়; সমগ্র বাংলাদেশে সেই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। আমরা মাত্র দুই দিনে তা কন্ট্রোল করি।
নতুন সেই সরকার কেন একটা বাহিনীতে বিদ্রোহ ঘটাবে-এমন প্রশ্ন রেখে খালেদা জিয়াকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি কেন ক্যান্টনমেন্ট থেকে আন্ডারগ্রাউন্ডে গেলেন? সকাল সাড়ে ৭-৮টার মধ্যে কেন বাড়ি ছেড়ে চলে গেলেন, সেই জবাব জনগণকে দিতে হবে। আমার ধারণা হয়, ওই ঘটনার সাথে তার যোগসূত্র ছিল।
বিডিআর বিদ্রোহের আগের রাতে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান লন্ডন থেকে ফোন করেন দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, তার ছেলে লন্ডন সময় রাত ১টার পর ৪৫ বার ফোন করে বাসা থেকে বের হয়ে যেতে বলেছে। কেন তার মাকে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বলেছে? জনগণের কাছে এর জবাব তাদের দিতে হবে।
২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারির ওই বিদ্রোহে নিহত ৫৭ জন সেনা অফিসারের মধ্যে ৩৩ জনই আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তাদেরকে কেন সেখানে পোস্টিং দেয়া হয়েছিল-সেটাও একটা প্রশ্ন। হাইকোর্টে এই হত্যা মামলার বিচার চলছে। আমরা এই ষড়যন্ত্রের মূলোৎপাটন একদিন করব।
খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, পাকিস্তান যে সুরে কথা বলে তিনিও সে সুরে কথা বলেন। ৩০ লাখ শহীদকে কটাক্ষ করে তিনি বললেন, এত মানুষ তো মারা যায়নি। আসলে ‘খালেদা জিয়ার দিল মে হে পেয়ারে পাকিস্তান’। তিনি পাকিস্তানকে ভুলতে পারেন না। তাই পাকিস্তানি দোসররা যে সুরে কথা বলেন, তিনিও সেই সুরে কথা বলেন।
বিগত ওয়ান ইলেভেনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপির অপকর্মের কারণেই ওয়ান ইলেভেন হয়েছিল।’
এ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাস্তায় যানজট দেখলে আমার ভালো লাগে, খুশি হই। এতে বোঝা যায়, দেশের মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বেড়েছে। তারা এখন গাড়িতে চলে। সেজন্য রাস্তায় এতো গাড়ি।’ তবে রাজধানীকে যানজটমুক্ত করতে মেট্রোরেলসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।
৫ জানুয়ারি ও সাম্প্রতিক পৌর নির্বাচন নিয়ে খালেদা জিয়ার সমালোচনার জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, উনি ভোট নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু তার স্বামী জিয়াউর রহমান কিভাবে হ্যাঁ না ভোট করেছিলেন তা জনগণ ভুলে যায়নি। আর উনি (খালেদা) ’৯৬ সালে ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসেন। কিন্তু মানুষ তাকে ক্ষমতায় থাকতে দেয়নি। আন্দোলন করে পদত্যাগে বাধ্য করেছিল।
সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও আর্থিক প্রবৃদ্ধির কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, আরো কয়েক টার্ম শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রয়োজন আছে। এ প্রয়োজন শেখ হাসিনার জন্য নয়, বাংলাদেশের আপামর জনগণের জন্য।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, আজকে বাংলাদেশ অগ্রগামী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়নি। এই অগ্রযাত্রা রাখতে হলে শেখ হাসিনাকে প্রয়োজন রয়েছে। সেজন্য আওয়ামী লীগ ও আপামর জনগণের কাছে আহবান জননেত্রীর অগ্রযাত্রায় শামিল হোন।
বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতের জন্য আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা একদিন পেছানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাকিস্তানিরা বলত, বঙ্গবন্ধু হিন্দুর বাচ্চা। আওয়ামী লীগ যারা করে সব হিন্দু। ক্রমাগত আওয়ামী লীগের উপর এই কালিমা লেপনের জন্য দীর্ঘদিন চেষ্টা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে কেউ দমাতে পারেনি। শেখ হাসিনাকেও দমাতে পারবে না। সারাবিশ্ব দেখছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সর্বোচ্চ কাতারে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, ঢাকা মহাগর সভাপতি এম এ আজিজ, সাধরাণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, দুই মেয়র আনিসুল হক ও সাঈদ খোকন প্রমুখ।
এর আগে ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে মিছিল সহকারে দলে দলে জনসভাস্থলে উপস্থিত হন নেতাকর্মীরা। এ উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জুড়ে এবং এর আশপাশ এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। মৎস্য ভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত রাস্তায় গাড়ি ডাইভারশন করে। ফলে নগরীতে যানজটে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।

No comments:
Post a Comment