চট্টগ্রামের
উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন আওয়ামী লীগ
সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশ উন্নয়নে ভাসে। আর বিএনপি ও জামায়াত থাকলে হয়
লুটপাট, মানি লন্ডারিং। গতকাল বিকালে অক্সিজেন-কুয়াইশ ও আগ্রাবাদে প্রায়
৫০০০ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে
সেনানিবাস সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতি ও দেশের স্বার্থে যে কোনো
ধরনের ত্যাগের জন্য সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে আশা করি সেনাবাহিনী দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যে কোনো সময় নিজেদের প্রস্তুত রাখবে। তারা দেশের জনগণের অংশ। এজন্য যে ধরনের সহযোগিতা দরকার তার সবকিছুই করবে সরকার।
তিনি আরও বলেন, অর্ধদশক আগে যেমন ছিল, তারচেয়ে এখন অনেকখানি এগিয়ে গেছি আমরা। আমাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। যে কোনো অসম্ভব কাজকে আমরা সম্ভব করতে পারি। পদ্মা সেতু তার উদাহরণ। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানুষের কথা ভাবে। এই তো কদিন আগেই আমরা শতভাগ বেতন বাড়িয়ে দিয়েছি। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের দেশ হবো। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের সারিতে দেখা যাবে বাংলাদেশকে। আপনারা আমাদের পাশে থাকলে অর্থনৈতিক মুক্তি অবশ্যই সম্ভব।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, জনগণ আর তাদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না। জ্বালাও, পোড়াও করে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তাদের সঙ্গে জনগণ নেই। মানুষকে মেরে কোনোদিন ক্ষমতায় আসা যায় না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ পরিচালনায় আমরা কারও কাছে মাথানত করবো না। গণতন্ত্র সুরক্ষায় যা যা করণীয় সবই করবো। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মডেল রোল। উন্নয়নের মহাসড়কে আমরা আরও একধাপ এগিয়ে গেছি।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন অনেক শান্তিতে আছে। আওয়ামী লীগ তাদের কাছে যে ওয়াদা করেছিল তা পূরণ করার চেষ্টা করছি আমরা। জনগণের ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে। গণতান্ত্রিক ধারায় দেশকে এগিয়ে নিতে তারা আমাদের সাহস জোগাচ্ছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পর অর্থনীতি এখন অনেক শক্তিশালী। ৯০ ভাগ কাজ নিজস্ব অর্থায়নে করার চেষ্টা করা হচ্ছে। উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ এখন মাঝামাঝিতে অবস্থান করছে। কারও কাছে হাত পাততে পারবো না। সবাই একটু সহযোগিতা করুন। নিয়মিত টেক্স পরিশোধ করুন।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। ১৯৭১ সালে যারা ঘৃণ্য হত্যার সঙ্গে ছিল তাদের বিচার শুরু হয়েছে। কেউ পার পাবে না। সবাইকে মুখোমুখি করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেকারদের চাকরির ব্যবস্থা করছি। কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য নানা পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। বয়স্ক-ভাতা, বিধবা-ভাতা চালু করেছি। ডিজিটালাইজড প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবকিছুকে সহজতর করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদসহ অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন। গতকাল সকালে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের রেজিমেন্টাল কমান্ডারদের সম্মেলন ও নবম টাইগার্স রিইউনিয়ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত প্যারেডে অনুষ্ঠানে অংশ নেন শেখ হাসিনা। পরে বিকালে ঢাকায় ফেরার পথে প্রায় ৫০০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার উদ্বোধন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি অঞ্চলকে পরিকল্পিতভাবে সাজানো হবে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়ার কথা চিন্তা করা হচ্ছে।
এ সময় শেখ হাসিনা নগর আওয়ামী লীগ নেতাদের সব ধরনের দ্বন্দ্ব ভুলে একসঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দেন বলে দলের একজন নেতা জানান। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে সেনানিবাস থেকে চট্টগ্রাম অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের দুই ধার। সেনানিবাসে শেখ হাসিনা পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক। তার সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা ছাড়াও ছিলেন নৌ, বিমান, সামরিক ও বেসামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা।
বিকাল সাড়ে ৩টায় শেখ হাসিনা প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে টাইগারপাস থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ভিত্তি স্থাপন করেন। পাশাপাশি এক হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত চিটাগাং সিটি আউটার রিংরোড প্রকল্পের উদ্বোধন করেন নিজে।
অন্যদিকে তিনি ১৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে বায়েজিদ থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত লুপ রোডের নির্মাণকাজ উদ্বোধন, ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ও দেশের সবচেয়ে সুউচ্চ বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল উদ্বোধন করেন। পরে ৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কদমতলী ওভারপাসটি সবার জন্য খুলে দেয়া হয়।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম মানবজমিনকে বলেন, এতগুলো উন্নয়ন দেখে শেখ হাসিনা ভীষণ আনন্দিত। তিনি সিডিএর কাজের বেশ প্রশংসা করছেন। আমরা জনদুর্ভোগ কমাতে নানা ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছি।
বিকাল ৪টায় শেখ হাসিনা সেখান থেকে চলে যান আগ্রাবাদে। সেখানে তিনি উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম চেম্বারের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের। ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বাণিজ্যিক অফিস রয়েছে ১০ তলা পর্যন্ত। কেবল তা-ই নয়, ২৪ তলা পর্যন্ত রয়েছে হোটেল। আছে সুইমিং পুল, টেনিস কোর্ট, হলরুমসহ সব ধরনের সুবিধা আছে। ভবনের ছাদে রয়েছে হেলিপ্যাড।
বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে আশা করি সেনাবাহিনী দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যে কোনো সময় নিজেদের প্রস্তুত রাখবে। তারা দেশের জনগণের অংশ। এজন্য যে ধরনের সহযোগিতা দরকার তার সবকিছুই করবে সরকার।
তিনি আরও বলেন, অর্ধদশক আগে যেমন ছিল, তারচেয়ে এখন অনেকখানি এগিয়ে গেছি আমরা। আমাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। যে কোনো অসম্ভব কাজকে আমরা সম্ভব করতে পারি। পদ্মা সেতু তার উদাহরণ। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানুষের কথা ভাবে। এই তো কদিন আগেই আমরা শতভাগ বেতন বাড়িয়ে দিয়েছি। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের দেশ হবো। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের সারিতে দেখা যাবে বাংলাদেশকে। আপনারা আমাদের পাশে থাকলে অর্থনৈতিক মুক্তি অবশ্যই সম্ভব।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, জনগণ আর তাদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না। জ্বালাও, পোড়াও করে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তাদের সঙ্গে জনগণ নেই। মানুষকে মেরে কোনোদিন ক্ষমতায় আসা যায় না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ পরিচালনায় আমরা কারও কাছে মাথানত করবো না। গণতন্ত্র সুরক্ষায় যা যা করণীয় সবই করবো। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মডেল রোল। উন্নয়নের মহাসড়কে আমরা আরও একধাপ এগিয়ে গেছি।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন অনেক শান্তিতে আছে। আওয়ামী লীগ তাদের কাছে যে ওয়াদা করেছিল তা পূরণ করার চেষ্টা করছি আমরা। জনগণের ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে। গণতান্ত্রিক ধারায় দেশকে এগিয়ে নিতে তারা আমাদের সাহস জোগাচ্ছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পর অর্থনীতি এখন অনেক শক্তিশালী। ৯০ ভাগ কাজ নিজস্ব অর্থায়নে করার চেষ্টা করা হচ্ছে। উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ এখন মাঝামাঝিতে অবস্থান করছে। কারও কাছে হাত পাততে পারবো না। সবাই একটু সহযোগিতা করুন। নিয়মিত টেক্স পরিশোধ করুন।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। ১৯৭১ সালে যারা ঘৃণ্য হত্যার সঙ্গে ছিল তাদের বিচার শুরু হয়েছে। কেউ পার পাবে না। সবাইকে মুখোমুখি করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেকারদের চাকরির ব্যবস্থা করছি। কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য নানা পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। বয়স্ক-ভাতা, বিধবা-ভাতা চালু করেছি। ডিজিটালাইজড প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবকিছুকে সহজতর করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদসহ অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন। গতকাল সকালে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের রেজিমেন্টাল কমান্ডারদের সম্মেলন ও নবম টাইগার্স রিইউনিয়ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত প্যারেডে অনুষ্ঠানে অংশ নেন শেখ হাসিনা। পরে বিকালে ঢাকায় ফেরার পথে প্রায় ৫০০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার উদ্বোধন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি অঞ্চলকে পরিকল্পিতভাবে সাজানো হবে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়ার কথা চিন্তা করা হচ্ছে।
এ সময় শেখ হাসিনা নগর আওয়ামী লীগ নেতাদের সব ধরনের দ্বন্দ্ব ভুলে একসঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দেন বলে দলের একজন নেতা জানান। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে সেনানিবাস থেকে চট্টগ্রাম অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের দুই ধার। সেনানিবাসে শেখ হাসিনা পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক। তার সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা ছাড়াও ছিলেন নৌ, বিমান, সামরিক ও বেসামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা।
বিকাল সাড়ে ৩টায় শেখ হাসিনা প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে টাইগারপাস থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ভিত্তি স্থাপন করেন। পাশাপাশি এক হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত চিটাগাং সিটি আউটার রিংরোড প্রকল্পের উদ্বোধন করেন নিজে।
অন্যদিকে তিনি ১৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে বায়েজিদ থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত লুপ রোডের নির্মাণকাজ উদ্বোধন, ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ও দেশের সবচেয়ে সুউচ্চ বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল উদ্বোধন করেন। পরে ৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কদমতলী ওভারপাসটি সবার জন্য খুলে দেয়া হয়।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম মানবজমিনকে বলেন, এতগুলো উন্নয়ন দেখে শেখ হাসিনা ভীষণ আনন্দিত। তিনি সিডিএর কাজের বেশ প্রশংসা করছেন। আমরা জনদুর্ভোগ কমাতে নানা ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছি।
বিকাল ৪টায় শেখ হাসিনা সেখান থেকে চলে যান আগ্রাবাদে। সেখানে তিনি উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম চেম্বারের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের। ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বাণিজ্যিক অফিস রয়েছে ১০ তলা পর্যন্ত। কেবল তা-ই নয়, ২৪ তলা পর্যন্ত রয়েছে হোটেল। আছে সুইমিং পুল, টেনিস কোর্ট, হলরুমসহ সব ধরনের সুবিধা আছে। ভবনের ছাদে রয়েছে হেলিপ্যাড।

No comments:
Post a Comment