মহেশখালীতে সরকারী অফিসের নাম ভাঙ্গিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে গনহারে টাকা আদায়ের অভিযোগ
আবু বক্কর ছিদ্দিক , মহেশখালী ঃ
মহেশখালীতে সরকারী অফিস ষ্টাফদের নাম ভাঙ্গিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে গনহারে টাকা আদায় করে নিজেদেরকে সাধু সাজার অভিযোগ উঠেছে। সুত্রে জানাগেছে, উপজেলা হিসাব রক্ষন অফিস সংক্রান্ত ঝটলা সমাধানের কথা বলে মহেশখালী উপজেলাস্থ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন শিক্ষকের কাছ থেকে জনপ্রতি ৪০০ টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছে শিক্ষক নেতা নামধারী মো. নেছার, মো. রেজাউল করিমও আসিকের নেতৃত্বে গুটি কয়েক শিক্ষক। আরো জানাগেছে, ২৪ জন শিক্ষকদের নামে বেতনভাতা জনিত সিভিল অডিট অধিদপ্তর ঢাকা কর্তৃক আপত্তি উত্থাপন করে। আপত্তিকৃত টাকা সরকারী কোষাগারে চালানের মাধ্যমে জমা প্রদানের জন্য হিসাব রক্ষন অফিস কর্তৃক উক্ত শিক্ষকদের তাগাদা ও পরমার্শ প্রদান করিলে তারা তা চালানে জমা প্রদান না করে হিসাব রক্ষন অফিসকে চাপ সৃষ্টি করে আসছে। এবং উন্নয়ন প্রকল্প হতে রাজস্ব হাতে স্থানান্তরিত, এডিপি প্রকল্পের শিক্ষকগনকে উন্নয়ন প্রকল্প হতে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের মধ্যবর্তী সময়টুকু অসাধারন ছুটি মঞ্জুর করায় ভেতন পুনঃনির্ধারন করে অতিরিক্ত গৃহীত অর্থ সরকারী কোষাগারে চালানের মাধ্যমে জমা প্রদান করার জন্য সিভিল অডিট অধিদপ্তর ঢাকা কর্তৃক আপত্তি উত্থাপন করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগনকে আপত্তি অনুযায়ী পুর্বে গৃহীত বেতন সংশোধন করে জাতীয় বেতন স্কেল ১৫ এ ভেতন নির্ধারনের জন্য হিসাব রক্ষন অফিস কর্তৃক তাগিদপত্র/ পরমার্শ প্রদান করেন। শিক্ষকগন তাহা না করে তাদের অন্যায় আবদার পাশ করার জন্য উল্টো হিসাব রক্ষন অফিসের ষ্টাফদের উপর হয়রানী করে যাচ্ছে পাশাপশি তাদের নানান অপকর্ম ঢাকতে বিভিন্ন ধরনের চলচাতুরী করে চলেছে। উপজেলা শিক্ষক নেতা মো. শাহজাহান জানান, কিছু শিক্ষক তাদের উদ্দেশ্য হাছিল করতে না পারায় হিসাব রক্ষন অফিসের ষ্টাফদের ব্যাপারে নানান যড়ষন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে আর দাবীদার শিক্ষক নেতারা প্রতিজন শিক্ষকের কাছ থেকে অফিসের হিসাবের বাহানা করে ৪০০ শত টাকা করে নিয়েছে। হিসাব রক্ষন অফিসের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা জানান, চিহ্নিত শিক্ষক নেতারা শিক্ষকের খাতায় নাম লিখিয়ে সারাটা দিন উপজেলা গেইটস্থ ঘুরঘুর করে থাকে, তারা কিভাবে কোথায় ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া করায়। এবং তারা শিক্ষকতার নাম দিয়ে নিউরন নামক হাসপাতালে ব্যবসার সাথে জড়িত হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি তারা বিভিন্ন প্রতিষ্টানে দায়িত্ব পালন কালীন সময় তাদের নানান অপকর্মের পাহাড় রয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবুল কালাম জানান, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যত নষ্ট করে যারা স্কুল চলাকালীন সময়ে উপজেলায় ঘুরাঘুরি করে এবং বিভিন্ন পেশার সাথে জড়িত হয়ে পড়েছে তাদের নামের তালিকা দেওয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেব।

No comments:
Post a Comment