রাজধানীর
শাহবাগে ফুলের মার্কেট ও শিশু পার্কের সামনের দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা ও
দোকানপাট উচ্ছেদ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রধান
সম্পত্তি কর্মকর্তা খালিদ আহম্মেদের উপস্থিতিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
মামুনুর রশীদের ভ্রাম্যমান আদালত আজ শনিবার বেলা ১টা থেকে বিকেল ৫টা
পর্যন্ত টানা চার ঘণ্টা এ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় শিশুপার্কের ভেতরে
থাকা দু’টি রেস্টুরেন্টকে আট হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ব্যবসায়ীরা দফায়
দফায় অভিযান বন্ধের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।
বেলা ১টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত শিশু পার্ক এলাকায় অভিযান শুরু করে। এ সময় সিটি করপোরেশনের তিনটি বুলডোজার পার্কের সামনের খালি জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা শতাধিক দোকান ও চটপট্টি হাউজ গুড়িয়ে দেয়। অভিযান শুরু হলে দোকানিরা মালামাল বাঁচাতে দৌঁড়াদৌড়ি শুরু করে। যে যেভাবে পেরেছে মালামাল সরিয়ে নিলেও দোকান ঘর ও চেয়ারটেবিলগুলো ভাঙ্গার হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি তারা। এছাড়া অনেক মালামালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এরপর শিশুপার্কের ভিতরেও অভিযান শুরু করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় শিশুপার্কের ভেতরে থাকা ১৫টি রেস্টুরেন্টের মধ্যে অভিজাত স্ন্যাকস ও অপু স্ন্যাকসকে যথাক্রমে পাঁচ হাজার ও তিন হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। অভিজাত স্ন্যাকস নির্ধারিত সীমানার বাইরে টেবিল-চেয়ার রেখেছিল। আর অপু স্ন্যাকস মূল্যতালিকার চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছিল। অভিজাত স্ন্যাকসের বিক্রেতা সাঈদ অভিযোগ করেন, সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক বিভাগের প্রধান ক্লার্ক ফারহান তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে বেশি জায়গা ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে থাকেন।
শিশুপার্কে অভিযান শেষে এর পশ্চিম পাশে সিটি করপোরেশনের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা শিশু পার্ক ইউনিট আওয়ামী লীগ কার্যালয়সহ কয়েকটি টিনের ঘর গুড়িয়ে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটি ও ঢাকা ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের নামে গড়ে ওঠা দুই তলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ঘর ও আশেপাশের অস্থায়ী দোকানগুলো ভেঙে ফেলে সিটি করপোরেশনের বুলডোজার। এর নিচতলায় হাইকোর্টের স্থিতি অবস্থা জারি থাকায় ভাঙতে পারেনি ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে বটতলা ক্ষুদ্র ফুল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির প্রধান কার্যালয়সহ আশেপাশের সব দোকানঘর ভেঙে ফেলা হয়। শেষে বিকেলে অভিযান চালিয়ে শাহবাগ মোড়ের অর্ধশতাধিক ফুলের দোকানের সামনের অংশ ভেঙে ফেলে।
অভিযানকালে সমিতির নেতারা নিজেদের সরকারি দলের লোক, মেয়র সাঈদ খোকনের সাথে তোলা ছবি দেখিয়ে অভিযান না করার জন্য বারবার ম্যাজিস্ট্রেটের শরণাপন্ন হন। কিন্তু অভিযানের ব্যাপারে ম্যাজিস্ট্রেট অনড় মনোভাব দেখান।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, শিশু পার্ক ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি হেদায়েত সরদার রানা ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মোল্লার নেতৃত্বে পার্ক এলাকায় অবৈধভাবে দোকানপাট বসিয়ে প্রতি মাসে চাঁদা আদায় করতেন। দোকানপ্রতি তাদের কাছ থেকে দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা নিতেন তারা।
আর ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বাহালুল মজনু চুন্নু ও তার লোকজন ফুল মার্কেট থেকে চাঁদা তোলা ও অবৈধ দোকান বসিয়ে বাণিজ্য করে আসছেন।
ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা খালিদ আহম্মেদ এ ব্যাপারে বলেন, শাহবাগের এ এলাকায় যতো দোকানপাট রয়েছে, সবগুলোই অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে। একটা পার্কের সামনে এভাবে সৌন্দর্য নষ্ট করে দোকানপাট-হকার থাকতে পারে না। এর আগেও দু’বার উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিন্তু অভিযান শেষ হতেই সবাই আবার ফিরে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, এ এলাকা থেকে দোকানপাটসহ মালামাল সরিয়ে নিতে দু’দিন ধরে মাইকিং করা হয়েছে। তারপরও এতে কেউ কান দেননি। এজন্য উচ্ছেদ শুরু করা হয়েছে।
ফুলের মার্কেটের বর্ধিতাংশ ভেঙে দেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, এ অংশটুকু অবৈধ বলেই তা ভেঙে দেয়া হয়েছে।
তবে শিশুপার্কের সামনের এলাকার দোকানি জয়নাল, মাসুক, নাসির ও ফুল ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, পূর্ববর্তী কোনো নোটিশ ছাড়াই তাদের দোকান উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
বেলা ১টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত শিশু পার্ক এলাকায় অভিযান শুরু করে। এ সময় সিটি করপোরেশনের তিনটি বুলডোজার পার্কের সামনের খালি জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা শতাধিক দোকান ও চটপট্টি হাউজ গুড়িয়ে দেয়। অভিযান শুরু হলে দোকানিরা মালামাল বাঁচাতে দৌঁড়াদৌড়ি শুরু করে। যে যেভাবে পেরেছে মালামাল সরিয়ে নিলেও দোকান ঘর ও চেয়ারটেবিলগুলো ভাঙ্গার হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি তারা। এছাড়া অনেক মালামালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এরপর শিশুপার্কের ভিতরেও অভিযান শুরু করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় শিশুপার্কের ভেতরে থাকা ১৫টি রেস্টুরেন্টের মধ্যে অভিজাত স্ন্যাকস ও অপু স্ন্যাকসকে যথাক্রমে পাঁচ হাজার ও তিন হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। অভিজাত স্ন্যাকস নির্ধারিত সীমানার বাইরে টেবিল-চেয়ার রেখেছিল। আর অপু স্ন্যাকস মূল্যতালিকার চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছিল। অভিজাত স্ন্যাকসের বিক্রেতা সাঈদ অভিযোগ করেন, সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক বিভাগের প্রধান ক্লার্ক ফারহান তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে বেশি জায়গা ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে থাকেন।
শিশুপার্কে অভিযান শেষে এর পশ্চিম পাশে সিটি করপোরেশনের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা শিশু পার্ক ইউনিট আওয়ামী লীগ কার্যালয়সহ কয়েকটি টিনের ঘর গুড়িয়ে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটি ও ঢাকা ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের নামে গড়ে ওঠা দুই তলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ঘর ও আশেপাশের অস্থায়ী দোকানগুলো ভেঙে ফেলে সিটি করপোরেশনের বুলডোজার। এর নিচতলায় হাইকোর্টের স্থিতি অবস্থা জারি থাকায় ভাঙতে পারেনি ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে বটতলা ক্ষুদ্র ফুল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির প্রধান কার্যালয়সহ আশেপাশের সব দোকানঘর ভেঙে ফেলা হয়। শেষে বিকেলে অভিযান চালিয়ে শাহবাগ মোড়ের অর্ধশতাধিক ফুলের দোকানের সামনের অংশ ভেঙে ফেলে।
অভিযানকালে সমিতির নেতারা নিজেদের সরকারি দলের লোক, মেয়র সাঈদ খোকনের সাথে তোলা ছবি দেখিয়ে অভিযান না করার জন্য বারবার ম্যাজিস্ট্রেটের শরণাপন্ন হন। কিন্তু অভিযানের ব্যাপারে ম্যাজিস্ট্রেট অনড় মনোভাব দেখান।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, শিশু পার্ক ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি হেদায়েত সরদার রানা ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মোল্লার নেতৃত্বে পার্ক এলাকায় অবৈধভাবে দোকানপাট বসিয়ে প্রতি মাসে চাঁদা আদায় করতেন। দোকানপ্রতি তাদের কাছ থেকে দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা নিতেন তারা।
আর ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বাহালুল মজনু চুন্নু ও তার লোকজন ফুল মার্কেট থেকে চাঁদা তোলা ও অবৈধ দোকান বসিয়ে বাণিজ্য করে আসছেন।
ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা খালিদ আহম্মেদ এ ব্যাপারে বলেন, শাহবাগের এ এলাকায় যতো দোকানপাট রয়েছে, সবগুলোই অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে। একটা পার্কের সামনে এভাবে সৌন্দর্য নষ্ট করে দোকানপাট-হকার থাকতে পারে না। এর আগেও দু’বার উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিন্তু অভিযান শেষ হতেই সবাই আবার ফিরে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, এ এলাকা থেকে দোকানপাটসহ মালামাল সরিয়ে নিতে দু’দিন ধরে মাইকিং করা হয়েছে। তারপরও এতে কেউ কান দেননি। এজন্য উচ্ছেদ শুরু করা হয়েছে।
ফুলের মার্কেটের বর্ধিতাংশ ভেঙে দেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, এ অংশটুকু অবৈধ বলেই তা ভেঙে দেয়া হয়েছে।
তবে শিশুপার্কের সামনের এলাকার দোকানি জয়নাল, মাসুক, নাসির ও ফুল ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, পূর্ববর্তী কোনো নোটিশ ছাড়াই তাদের দোকান উচ্ছেদ করা হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment