মুক্তিযুদ্ধকালীন
মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে খালাস
চেয়ে জামায়াত ইসলামীর নেতা মীর কাসেম আলীর আপিল শুনানি আগামী মঙ্গলবার
পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। সোমবার প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন
পাঁচ সদস্যের পুনর্গঠিত আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা
হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি
মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান সানা। এদিনে বেলা
সাড়ে ১১টা থেকে আপিল মামলার তৃতীয় দিনের শুনানিতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন
মীর কাসেমের আইনজীবী এস এম শাহজাহান। তিনি আসামির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা ৪, ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগের বিষয়ে যুক্তিতর্ক
উপস্থাপন করেন। ৯ নম্বর অভিযোগের যুক্তিতর্ক অসমাপ্ত অবস্থায় আদালত শুনানি
মুলতবি করেন। এ সময় আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন
উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে সকালে আপিল বেঞ্চে মীর কাসেম আলীর তৃতীয় দিনের শুনানি চলাকালে গিয়ে নিজেকে মামলা থেকে প্রত্যাহার করে নেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম।
পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'আইনজীবী হিসেবে আমার অংশগ্রহণ আইন বিরোধী কিংবা অনৈতিক হয়নি। তবে প্রচণ্ড বৈরী পরিবেশের কারণেই আমি মীর কাসেম আলীর মামলা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলাম।'
গত ১০ ফেব্রুয়ারি আপিল বেঞ্চে মীর কাসেম আলীর দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে বিচারপতি নজরুল ইসলাম অংশ নেন।
ওইদিনই অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতে আপত্তি জানান, সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কোনো বিচারপতি এ ধরনের বিচার কাজে অংশ নিতে পারেন না।
পরে আদালতে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা সাবেক হোক আর সিটিং জজ হোক সবাইকে জাজেস কমপ্লেক্সের মর্যাদা রক্ষা করে চলার জন্য আহবান জানান।
এরপর সোমবার নিজেকে মীর কাসেমের মামলা থেকে প্রত্যাহারের কথা জানান বিচারপতি নজরুল ইসলাম।
২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর মীর কাসেম আলীর খালাস চেয়ে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। আপিল আবেদনে ১৮১টি যুক্তি দেখিয়ে মীর কাসেম আলীর খালাস চাওয়া হয়।
২০১৪ সালের ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে সকালে আপিল বেঞ্চে মীর কাসেম আলীর তৃতীয় দিনের শুনানি চলাকালে গিয়ে নিজেকে মামলা থেকে প্রত্যাহার করে নেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম।
পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'আইনজীবী হিসেবে আমার অংশগ্রহণ আইন বিরোধী কিংবা অনৈতিক হয়নি। তবে প্রচণ্ড বৈরী পরিবেশের কারণেই আমি মীর কাসেম আলীর মামলা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলাম।'
গত ১০ ফেব্রুয়ারি আপিল বেঞ্চে মীর কাসেম আলীর দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে বিচারপতি নজরুল ইসলাম অংশ নেন।
ওইদিনই অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতে আপত্তি জানান, সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কোনো বিচারপতি এ ধরনের বিচার কাজে অংশ নিতে পারেন না।
পরে আদালতে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা সাবেক হোক আর সিটিং জজ হোক সবাইকে জাজেস কমপ্লেক্সের মর্যাদা রক্ষা করে চলার জন্য আহবান জানান।
এরপর সোমবার নিজেকে মীর কাসেমের মামলা থেকে প্রত্যাহারের কথা জানান বিচারপতি নজরুল ইসলাম।
২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর মীর কাসেম আলীর খালাস চেয়ে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। আপিল আবেদনে ১৮১টি যুক্তি দেখিয়ে মীর কাসেম আলীর খালাস চাওয়া হয়।
২০১৪ সালের ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

No comments:
Post a Comment