নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার প্রধান আসামি
নূর হোসেন ও তার স্ত্রী রোমা হোসেনের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে
সিদ্ধিরগঞ্জে সরেজমিন অনুসন্ধান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক
উপপরিচালক মো. জুলফিকার আলীর নেতৃত্বাধীন একটি টিম সকাল ১০টার দিকে যান।
টিমের অন্য সদস্য ছিলেন দুদক সহকারী পরিচালক শফিউল্লাহ। জুলফিকার আলী
জানান, দুদকের অনুসন্ধানী টিম দুপুর ১টা পর্যন্ত সিদ্ধিরগঞ্জে ছিলেন। তারা
তিন ঘন্টা সময় ধরে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন। দুদক সূত্র জানায়,
প্রাথমিক অনুসন্ধানে নূর হোসেনের নামে-বেনামে প্রায় ৮ কোটি টাকার অবৈধ
সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে। গত নভেম্বর মাসে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার-২
এর জেল সুপারের মাধ্যমে নূর হোসেনকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা
হয়। গত ১৩ ডিসেম্বর কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দুদকের সচিব আবু মো. মোস্তফা
কামালের কাছে সম্পদের হিসাব জমা দেন নূর হোসেন। যেখানে নূর হোসেন ১ কোটি ৭৮
লাখ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রাপ্ত নূর
হোসেনের সম্পদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জে পাঁচতলা একটি বাড়ি আছে। নূর হোসেন ও তার
সন্তানদের নামে নারায়ণগঞ্জ-চিটাগাং রুটে চলাচলকারী এবিএস পরিবহনের
লাক্সারি ৩০টি বাস রয়েছে। নূর হোসেন কমপক্ষে ৫০ বিঘা জমির মালিক বলে
অভিযোগ রয়েছে। শিমরাইলে তার বাড়ির পেছনে রয়েছে ৪০ বিঘার মৎস্য খামার। প্রায়
১০০ বছরের পুরোনো মসজিদ ভেঙে মাছের আড়ৎ স্থাপন করার অভিযোগ রয়েছে তার
বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালের ট্রাক হেলপার নূর হোসেন ১৯৮৭ সালে ট্রাক
ড্রাইভার, ১৯৯১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, ২০১২ সালে নারায়নগঞ্জের
সিটির কাউন্সিলর হন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment