![]() |
| রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে ২০১৩ সালে সুন্দরবন অভিমুখে লংমার্চ করেছিল তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। |
রামপাল
বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে আগামী ১০-১৫ মার্চ সারাদেশ থেকে সুন্দরবন
অভিমুখে লংমার্চ করার ঘোষণা দিয়েছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর
রক্ষা জাতীয় কমিটি। এর আগেও সংগঠনটি ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে একই দাবিতে
সুন্দরবন অভিমুখে লংমার্চ করেছিল। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সম্মেলন
কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন তেল-গ্যাস-খনিজ
সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু
মুহাম্মদ।
এ সময় তিনি জানান, লংমার্চের আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার সারা দেশে প্রতিবাদ ও দাবি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে গ্যাসের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের পাশাপাশি এলপিজির মূল্য সমন্বয় এবং এজন্য সরকারি ভর্তুকি দেয়ার দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে আনু মুহাম্মদ বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় সরকারের কাছে লিখিত ও আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বলেছি রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র কেন বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর। বাংলাদেশ-ভারতের এ যৌথ প্রকল্পটি অস্বচ্ছ ও অসম।
তিনি বলেন, ভারতীয় কোম্পানি এনটিপিসি নিজ দেশের আইন ভঙ্গ করে এ প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের সুন্দরবনের ১৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাফারজোন বিবেচনায় চার কিলোমিটারের মধ্যে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এনটিসিপি ভারতে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারত না। ভারতে ইআইএ গাইডলাইন ২০১০ অনুসারে বনাঞ্চলের ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা যায় না। এমনকি ভারতে পরিবেশ আইন অনুসারে এনটিপিসির একাধিক প্রকল্প বাতিল করতে হয়েছে।
সুন্দরবন প্রাকৃতিক বর্ম হিসেবে বাংলদেশের মানুষ ও প্রকৃতিকে রক্ষা করছে, এটি জীব বৈচিত্রের আধার হিসেবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে জানিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে এই সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানান অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
তিনি জানান, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সর্বশেষ প্রযুক্তি ‘সুপার ক্রিটিক্যাল’ ব্যবহার করেও মাত্র ১০ শতাংশ ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে।
প্রসঙ্গত, সরকার ভারতের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাগেরহাটের রামপালে ‘বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড’নামে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে।
এই সাংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) বজলুর রশিদ ফিরোজ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির রুহিন হোসেন প্রিন্স ও গণসংহতির আহবায়ক জোনায়েদ সাকী উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তিনি জানান, লংমার্চের আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার সারা দেশে প্রতিবাদ ও দাবি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে গ্যাসের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের পাশাপাশি এলপিজির মূল্য সমন্বয় এবং এজন্য সরকারি ভর্তুকি দেয়ার দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে আনু মুহাম্মদ বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় সরকারের কাছে লিখিত ও আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বলেছি রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র কেন বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর। বাংলাদেশ-ভারতের এ যৌথ প্রকল্পটি অস্বচ্ছ ও অসম।
তিনি বলেন, ভারতীয় কোম্পানি এনটিপিসি নিজ দেশের আইন ভঙ্গ করে এ প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের সুন্দরবনের ১৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাফারজোন বিবেচনায় চার কিলোমিটারের মধ্যে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এনটিসিপি ভারতে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারত না। ভারতে ইআইএ গাইডলাইন ২০১০ অনুসারে বনাঞ্চলের ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা যায় না। এমনকি ভারতে পরিবেশ আইন অনুসারে এনটিপিসির একাধিক প্রকল্প বাতিল করতে হয়েছে।
সুন্দরবন প্রাকৃতিক বর্ম হিসেবে বাংলদেশের মানুষ ও প্রকৃতিকে রক্ষা করছে, এটি জীব বৈচিত্রের আধার হিসেবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে জানিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে এই সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানান অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
তিনি জানান, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সর্বশেষ প্রযুক্তি ‘সুপার ক্রিটিক্যাল’ ব্যবহার করেও মাত্র ১০ শতাংশ ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে।
প্রসঙ্গত, সরকার ভারতের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাগেরহাটের রামপালে ‘বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড’নামে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে।
এই সাংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) বজলুর রশিদ ফিরোজ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির রুহিন হোসেন প্রিন্স ও গণসংহতির আহবায়ক জোনায়েদ সাকী উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment