বাংলাদেশে
সেমি-ফিনিশড লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) রফতানি করার প্রস্তাব
দিয়েছে ইরান। দু’দেশের মধ্যকার বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি ও নিবিড় করতেই ইরানের
শিল্প, খনি এবং বাণিজ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. রেজা মওদোদি বাণিজ্যমন্ত্রী
তোফায়েল আহমেদের কাছে গ্যাস রফতানি করার এ আগ্রহ প্রকাশ করেন। বুধবার
সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সফররত ইরানের শিল্প, খনি এবং
বাণিজ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. রেজা মওদোদির নেতৃত্বে ইরানি বাণিজ্য
প্রতিনিধিদলের এক বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়। পরে বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের
ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এতে উভয় দেশ লাভবান হবে। ইরানে বাংলাদেশে বড় রফতানি বাজার রয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ, পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে ইরানে। বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য উভয় দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তোফায়েল আহমেদ বলেন, এ মুহূর্তে দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার ৫০ ভাগ সরকার আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে সংগ্রহ করে। বাকি ৫০ ভাগ ব্যবসায়ী টু ব্যবসায়ী (জিটুজি) পর্যায়ে সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইরান চায় উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে বাণিজ্য কৌশল, পণ্য ও পরিমাণ নির্ধারণ করা হোক। এতে করে উভয় দেশ লাভবান হবে। নতুন পরিবেশ ও উদ্যোগে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব। দীর্ঘদিন উভয় দেশের মধ্যে কোনো বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর হয়নি। উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।
তিনি বলেন, এ মুহূর্তে ইরানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য খুবই সামান্য। এখন উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির সময় এসেছে। বাংলাদেশ এবং ইরানের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। উভয় দেশে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মেলায় অংগ্রহণ করে পণ্যের সঙ্গে পরিচয় ও গুণগত মান পরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে। আগামীতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বড় পরিসরে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) সালাহ উদ্দিন আকবর, অতিরিক্তি সচিব (রফতানি) জহির উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এতে উভয় দেশ লাভবান হবে। ইরানে বাংলাদেশে বড় রফতানি বাজার রয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ, পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে ইরানে। বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য উভয় দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তোফায়েল আহমেদ বলেন, এ মুহূর্তে দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার ৫০ ভাগ সরকার আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে সংগ্রহ করে। বাকি ৫০ ভাগ ব্যবসায়ী টু ব্যবসায়ী (জিটুজি) পর্যায়ে সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইরান চায় উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে বাণিজ্য কৌশল, পণ্য ও পরিমাণ নির্ধারণ করা হোক। এতে করে উভয় দেশ লাভবান হবে। নতুন পরিবেশ ও উদ্যোগে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব। দীর্ঘদিন উভয় দেশের মধ্যে কোনো বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর হয়নি। উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।
তিনি বলেন, এ মুহূর্তে ইরানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য খুবই সামান্য। এখন উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির সময় এসেছে। বাংলাদেশ এবং ইরানের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। উভয় দেশে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মেলায় অংগ্রহণ করে পণ্যের সঙ্গে পরিচয় ও গুণগত মান পরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে। আগামীতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বড় পরিসরে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) সালাহ উদ্দিন আকবর, অতিরিক্তি সচিব (রফতানি) জহির উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment