এটিএম কার্ড জালিয়াতির প্রধান হোতা
জার্মানি নাগরিক থমাস পিটার গ্রেফতার হওয়ার পর এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে
সিটি ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকেও আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। আটক হওয়া তিন
ব্যাংক কর্মকর্তা হলেন- মোরশেদ আলম মাকসুদ, রেজাউল করিম ও রিয়াজ আহমেদ।
তারা সিটি ব্যাংকের আইটি শাখার কর্মকর্তা বলে সোমবার ডিএমপির সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এদিকে গ্রেফতারের পর তাদের বিরুদ্ধে কোনো
পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সিটি ব্যাংকের প্রধান
নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সোহেল আর এফ রহমান বলেন, তাদের গ্রেফতারের খবর
পুলিশ আমাদের দিয়েছে। কিন্তু কী অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু
বলেনি।
তিনি আরো বলেন, আমরাও বিষয়টি তদন্ত করছি। যেই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত বেসরকারি তিনটি ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে অন্তত ২০ লাখ টাকা তুলে নেয় চক্রটি। টাকা হাতিয়ে নিতে তারা স্কিমিং ডিভাইস বসিয়ে গ্রাহকদের গোপন তথ্য চুরি করে। এরপর ঘটনার শিকার ২১ জন সাধারণ গ্রাহক ছাড়াও সংশ্লিষ্ট ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল), সিটি ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে টনক নড়ে। এ সেক্টরের কড়া নিরাপত্তা সুরক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংকও দ্রুত এগিয়ে আসে। মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অবশেষে যুগান্তর অনুসন্ধান সেলের সহযোগিতায় এটিএম কার্ড জালিয়াত চক্রটির অবস্থান সনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরই প্রেক্ষিতে এ চক্রের মূল হোতা থমাস পিটারকে রাজধানী থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরই গ্রেফতার করা হয় সিটি ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকে।
জানা গেছে, থমাস পিটার আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত। রাশিয়া, ইউক্রেন ও পোল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে রয়েছে তার বহু সহযোগী। বাংলাদেশে বসেই আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। কয়েকটি দেশের পুলিশের তালিকায় পিটার আন্তর্জাতিক অপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত।
প্রথম এক বছর বাংলাদেশে ব্যবসায়ী হিসেবে ভিসা নিয়ে বসবাস করেন। এরপর গত তিন বছর ধরেই আছেন অবৈধভাবে। দেশীয় একটি চক্রের সহায়তায় বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে বিপুল অংকের টাকা লুট করার বড় ধরনের প্রস্তুতি ছিল তার।
তিনি আরো বলেন, আমরাও বিষয়টি তদন্ত করছি। যেই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত বেসরকারি তিনটি ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে অন্তত ২০ লাখ টাকা তুলে নেয় চক্রটি। টাকা হাতিয়ে নিতে তারা স্কিমিং ডিভাইস বসিয়ে গ্রাহকদের গোপন তথ্য চুরি করে। এরপর ঘটনার শিকার ২১ জন সাধারণ গ্রাহক ছাড়াও সংশ্লিষ্ট ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল), সিটি ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে টনক নড়ে। এ সেক্টরের কড়া নিরাপত্তা সুরক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংকও দ্রুত এগিয়ে আসে। মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অবশেষে যুগান্তর অনুসন্ধান সেলের সহযোগিতায় এটিএম কার্ড জালিয়াত চক্রটির অবস্থান সনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরই প্রেক্ষিতে এ চক্রের মূল হোতা থমাস পিটারকে রাজধানী থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরই গ্রেফতার করা হয় সিটি ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকে।
জানা গেছে, থমাস পিটার আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত। রাশিয়া, ইউক্রেন ও পোল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে রয়েছে তার বহু সহযোগী। বাংলাদেশে বসেই আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। কয়েকটি দেশের পুলিশের তালিকায় পিটার আন্তর্জাতিক অপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত।
প্রথম এক বছর বাংলাদেশে ব্যবসায়ী হিসেবে ভিসা নিয়ে বসবাস করেন। এরপর গত তিন বছর ধরেই আছেন অবৈধভাবে। দেশীয় একটি চক্রের সহায়তায় বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে বিপুল অংকের টাকা লুট করার বড় ধরনের প্রস্তুতি ছিল তার।

No comments:
Post a Comment