গোপন ব্যালটে সিলেট জেলার নেতৃত্বে কাহের শামীম-আলী, মহানগরে নাসিম-সেলিম
সরকার
বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার সকালে সিলেট
কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের শহীদ সোলেমান হলে সিলেট জেলা ও মহানগর
বিএনপির সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ
করেন।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব বাছাই করে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি। এতে জেলায় সভাপতি পদে আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সাধারণ সম্পাদক পদে আলী আহমদ নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সমান ভোট পেয়েছেন এমরান আহমদ চৌধুরী ও রিপন পাটোয়ারী। অন্যদিকে, মহানগরে সভাপতি পদে নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক পদে বদরুজ্জামান সেলিম বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মিফতাহ সিদ্দিকী নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রথম অধিবেশনে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, দেশে গণতন্ত্র আজ অবরুদ্ধ। দেশ এখন মহাবিপদে। সরকার বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। চারদিকে জুলুম-নির্যাতনে মানুষ আক্রান্ত। সবচেয়ে ভরসার স্থল বিচার বিভাগ থেকেও মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি যখন রাষ্ট্রপতির বাসভবনে যান, তখন আইনের শাসন লংঘিত হয়। দেশে এখন সংবিধানও সংরক্ষিত নয়।
গোপন ব্যালটে সিলেট বিএনপির নির্বাচনকে গণতন্ত্রের মাইলফলক উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার জোর করে ক্ষমতায় থাকার কারণে দেশে খুন, গুম ও অপহরণ বেড়েছে। তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলকে সংগঠিত করে হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে। গুরুত্ব দিতে হবে তৃণমূলকে। তৃণমূল থেকে আন্দোলন শুরু করে ‘ফ্যাসিবাদী’ সরকারকে হটানো সম্ভব। সরকার যত ষড়যন্ত্রই করুক দলীয় নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে বিএনপিকে কেউ ধ্বংস করতে পারবে না।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নূরুল হকের সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহজাহানসহ স্থানীয় নেতারা।
এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত গোপন ব্যালেটের মাধ্যমে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতা নির্বাচন করেন কাউন্সিলররা। জেলার নির্বাচনে কমিশনার ছিলেন অ্যাডভোকেট নূরুল হক এবং মহানগরের নির্বাচনে কমিশনার ছিলেন আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী। নির্বাচনে জেলা ও মহানগরের শীর্ষ তিন পদে প্রার্থী ছিলেন ২৬ জন। মোট ১৩২ জন কাউন্সিলরের মধ্যে জেলার ৫১ জন, মহানগরের ৮১ জন। সিলেট জেলার অধীনে বিএনপির ১৭টি ইউনিটে রয়েছে ১৩টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভা।
জেলা বিএনপির সভাপতি পদে আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী দিলদার হোসেন সেলিম পেয়েছেন ২২ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে আলী আহমদ বিজয়ী হয়েছেন ২৭ ভোট পেয়ে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সামসুজ্জামান পেয়েছেন ২২ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১২টি করে ভোট পেয়েছেন এমরান আহমদ চৌধুরী ও রিপন পাটোয়ারী। এ পদে আবদুল আহাদ খান রিপন ১১, সিদ্দিকুর রহমান পাপলু ১০ ও অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান পেয়েছেন ৪ ভোট। কোনো ভোট পাননি জিল্লুর রহমান শোয়েব। জেলায় ৫১ জন ভোটারের মধ্যে ৪৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
অপরদিকে মহানগর বিএনপির সভাপতি পদে ৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন নাসিম হোসাইন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী ২৮ ভোট এবং আবদুল কাইয়ুম জালালি পংকি ৬ ভোট পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে বদরুজ্জামান সেলিম ৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফরহাদ চৌধুরী শামীম ২১ ভোট এবং রেজাউল হাসান লোদী (কয়েস লোদী) ৪ ভোট পেয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মিফতাহ সিদ্দিকী। এ পদে এমদাদ হোসেইন চৌধুরী ১৬, আজমল বক্ত সাদেক ও সৈয়দ তৌফিদুল হাদী ১৩, হুমায়ুন হবির শাহীন ১০, কাউন্সিলর রোকশানা বেগম শাহনাজ ৮ ভোট পেয়েছেন। কোনো ভোট পাননি আফজাল হোসেন ও মাহবুব চৌধুরী। মহানগরে ৮১ জন ভোটারের মধ্যে ৭৮ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
প্রায় সাত বছর পর অনুষ্ঠিত হল সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সম্মেলন। সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০০৯ সালে। ২০১৪ সালের ১৪ আগস্ট জেলা ও মহানগর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করার আড়াই বছরের মাথায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব বাছাই করে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি। এতে জেলায় সভাপতি পদে আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সাধারণ সম্পাদক পদে আলী আহমদ নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সমান ভোট পেয়েছেন এমরান আহমদ চৌধুরী ও রিপন পাটোয়ারী। অন্যদিকে, মহানগরে সভাপতি পদে নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক পদে বদরুজ্জামান সেলিম বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মিফতাহ সিদ্দিকী নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রথম অধিবেশনে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, দেশে গণতন্ত্র আজ অবরুদ্ধ। দেশ এখন মহাবিপদে। সরকার বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। চারদিকে জুলুম-নির্যাতনে মানুষ আক্রান্ত। সবচেয়ে ভরসার স্থল বিচার বিভাগ থেকেও মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি যখন রাষ্ট্রপতির বাসভবনে যান, তখন আইনের শাসন লংঘিত হয়। দেশে এখন সংবিধানও সংরক্ষিত নয়।
গোপন ব্যালটে সিলেট বিএনপির নির্বাচনকে গণতন্ত্রের মাইলফলক উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার জোর করে ক্ষমতায় থাকার কারণে দেশে খুন, গুম ও অপহরণ বেড়েছে। তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলকে সংগঠিত করে হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে। গুরুত্ব দিতে হবে তৃণমূলকে। তৃণমূল থেকে আন্দোলন শুরু করে ‘ফ্যাসিবাদী’ সরকারকে হটানো সম্ভব। সরকার যত ষড়যন্ত্রই করুক দলীয় নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে বিএনপিকে কেউ ধ্বংস করতে পারবে না।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নূরুল হকের সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহজাহানসহ স্থানীয় নেতারা।
এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত গোপন ব্যালেটের মাধ্যমে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতা নির্বাচন করেন কাউন্সিলররা। জেলার নির্বাচনে কমিশনার ছিলেন অ্যাডভোকেট নূরুল হক এবং মহানগরের নির্বাচনে কমিশনার ছিলেন আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী। নির্বাচনে জেলা ও মহানগরের শীর্ষ তিন পদে প্রার্থী ছিলেন ২৬ জন। মোট ১৩২ জন কাউন্সিলরের মধ্যে জেলার ৫১ জন, মহানগরের ৮১ জন। সিলেট জেলার অধীনে বিএনপির ১৭টি ইউনিটে রয়েছে ১৩টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভা।
জেলা বিএনপির সভাপতি পদে আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী দিলদার হোসেন সেলিম পেয়েছেন ২২ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে আলী আহমদ বিজয়ী হয়েছেন ২৭ ভোট পেয়ে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সামসুজ্জামান পেয়েছেন ২২ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১২টি করে ভোট পেয়েছেন এমরান আহমদ চৌধুরী ও রিপন পাটোয়ারী। এ পদে আবদুল আহাদ খান রিপন ১১, সিদ্দিকুর রহমান পাপলু ১০ ও অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান পেয়েছেন ৪ ভোট। কোনো ভোট পাননি জিল্লুর রহমান শোয়েব। জেলায় ৫১ জন ভোটারের মধ্যে ৪৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
অপরদিকে মহানগর বিএনপির সভাপতি পদে ৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন নাসিম হোসাইন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী ২৮ ভোট এবং আবদুল কাইয়ুম জালালি পংকি ৬ ভোট পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে বদরুজ্জামান সেলিম ৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফরহাদ চৌধুরী শামীম ২১ ভোট এবং রেজাউল হাসান লোদী (কয়েস লোদী) ৪ ভোট পেয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মিফতাহ সিদ্দিকী। এ পদে এমদাদ হোসেইন চৌধুরী ১৬, আজমল বক্ত সাদেক ও সৈয়দ তৌফিদুল হাদী ১৩, হুমায়ুন হবির শাহীন ১০, কাউন্সিলর রোকশানা বেগম শাহনাজ ৮ ভোট পেয়েছেন। কোনো ভোট পাননি আফজাল হোসেন ও মাহবুব চৌধুরী। মহানগরে ৮১ জন ভোটারের মধ্যে ৭৮ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
প্রায় সাত বছর পর অনুষ্ঠিত হল সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সম্মেলন। সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০০৯ সালে। ২০১৪ সালের ১৪ আগস্ট জেলা ও মহানগর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করার আড়াই বছরের মাথায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল।

No comments:
Post a Comment