রাজধানীর
কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা মোড়ে তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে সড়ক
অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুর
পৌনে ২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।
অবরোধের কারণে সার্ক ফোয়ারা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলাম
এভিনিউতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া পান্থপথ থেকে এফডিসির সড়কও অবরুদ্ধ
হয়ে পড়ে। এতে তীব্র যানজট তৈরি হয়। পরে পুলিশ কর্মকর্তারা মারধরের জন্য
অভিযুক্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট শাহেদ ও আনসার সদস্য রমজানের বিরুদ্ধে
ব্যব্স্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছেড়ে আসা বারিধারাগামী 'ফাল্গুন' বাসটি ফার্মগেটের দিকে যাওয়ার সময় সার্ক ফোয়ারার সামনে আটকায় পুলিশ।
এ নিয়ে শিক্ষার্থীর সঙ্গে পুলিশের বাক-বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে সার্জেন্ট শাহেদ ও আনসার সদস্য রমজানের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবি সার্জেন্ট শাহেদ ও আনসার রমজান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শফিউল, মাসুম ও আরিফকে শার্টের কলার ধরে মারধর করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীরা ফাল্গুনি বাস থেকে নেমে সড়ক অবরোধ করে ওই পুলিশ ও আনসার সদস্যকে গ্রেফতারের দাবি জানান।
পরে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসে শিক্ষার্থীদের ঘটনার ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করতে পরামর্শ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা।
‘ফাল্গুন’ বাসে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের কমিটির সভাপতি শামস মিরাজ দাবি করেন, সিগনালে পড়ে হর্ন বাজানোর কারণে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ শিক্ষার্থীকে পুলিশের গাড়িতে তুলে মারধর করা হয়েছে।
মারধরের শিকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এদিকে রমনা থানার পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, ফাল্গুন বাসটি সিগনাল না মেনে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে আনসারদের সঙ্গে তাদের ঝামেলা শুরু হয়।
এই পুলিশ কর্মকর্তার দাবি আনসার সদস্য রমজানকে শিক্ষার্থীরা গাড়িতে তুলে মারধর করে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল জানিয়েছেন, অভিযুক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছেড়ে আসা বারিধারাগামী 'ফাল্গুন' বাসটি ফার্মগেটের দিকে যাওয়ার সময় সার্ক ফোয়ারার সামনে আটকায় পুলিশ।
এ নিয়ে শিক্ষার্থীর সঙ্গে পুলিশের বাক-বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে সার্জেন্ট শাহেদ ও আনসার সদস্য রমজানের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবি সার্জেন্ট শাহেদ ও আনসার রমজান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শফিউল, মাসুম ও আরিফকে শার্টের কলার ধরে মারধর করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীরা ফাল্গুনি বাস থেকে নেমে সড়ক অবরোধ করে ওই পুলিশ ও আনসার সদস্যকে গ্রেফতারের দাবি জানান।
পরে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসে শিক্ষার্থীদের ঘটনার ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করতে পরামর্শ দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা।
‘ফাল্গুন’ বাসে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের কমিটির সভাপতি শামস মিরাজ দাবি করেন, সিগনালে পড়ে হর্ন বাজানোর কারণে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ শিক্ষার্থীকে পুলিশের গাড়িতে তুলে মারধর করা হয়েছে।
মারধরের শিকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এদিকে রমনা থানার পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, ফাল্গুন বাসটি সিগনাল না মেনে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে আনসারদের সঙ্গে তাদের ঝামেলা শুরু হয়।
এই পুলিশ কর্মকর্তার দাবি আনসার সদস্য রমজানকে শিক্ষার্থীরা গাড়িতে তুলে মারধর করে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল জানিয়েছেন, অভিযুক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

No comments:
Post a Comment