![]() |
| রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার-এর রজতজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ছবি: ফোকাস বাংলা |
রাষ্ট্রপতি
মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, সংবাদপত্রকে সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার
সাহস থাকতে হবে। গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশে মতপ্রকাশের জন্য স্বাধীনতা
গুরুত্বপূর্ণ। তবে স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছে তা করা নয়। আজ শুক্রবার ইংরেজি
দৈনিক ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
রাষ্ট্রপতি এ অভিমত দেন।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও একটি সংগঠনকে সম্মাননা দিয়েছে ‘দ্য ডেইলি স্টার’।
বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য সংবাদপত্রকে আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, সংবাদপত্রকে সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার সাহস থাকতে হবে। প্রয়োজনে আপনারা সরকারের এমনকি আমারও সমালোচনা করবেন। তবে তা যেন তথ্যভিত্তিক হয়, একপেশে না হয়। গঠনমূলক সমালোচনা সঠিকভাবে সরকার পরিচালনা ও জাতি গঠনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যাপারে সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। তবে স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছে তা করা নয়।
রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্র ও সংবিধানের মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে সংবাদপত্রকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। দেশ ও দেশের জনগণের কল্যাণে সংবাদপত্রকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার চর্চা করতে হবে।
‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘সাংবাদিকতা যেহেতু একটি আন্তর্জাতিক পেশা, তাই এই পেশায় অবশ্যই আন্তর্জাতিক সংহতি থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে পৃথিবীর কোনো প্রান্তে যদি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়, তা বাকি অংশের জন্যও ক্ষুণ্ন হয়।’
মিডিয়া ওয়ার্ল্ডের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রোকেয়া আফজাল রহমান বলেন, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। একটি ছাড়া অন্যটি অর্জিত হয় না।
আমন্ত্রিত বিদেশি সম্পাদক ও সাংবাদিকদের পক্ষে বক্তব্য দেন ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার ও কস্তুরি গ্রুপ অব পাবলিকেশনের চেয়ারম্যান এন রাম এবং থাইল্যান্ডের নেশন মাল্টিমিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা সুথিচাই ইয়ুন।
রজতজয়ন্তীতে ২৪ ব্যক্তি ও একটি সংগঠনকে সম্মাননা
রজতজয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ ব্যক্তি ও একটি সংগঠনকে সম্মাননা দেওয়া প্রসঙ্গে ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আজ আমরা ২৪ জন বিরল ব্যক্তি ও একটি সংগঠনকে সম্মানিত করছি, যাঁরা আজীবন দেশকে ভালোবেসে নিজেদের পেশায় থেকে উৎসর্গ করেছেন।’
সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তি ও সংগঠন হচ্ছে—মহিউদ্দিন আহমেদ (প্রকাশনা), মাহবুবুর রহমান (ব্যবসার প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন), সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (শিক্ষা/গবেষণা), অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী (পুরকৌশল), অধ্যাপক রেহমান সোবহান (অর্থনীতি), ঝর্ণা ধারা চৌধুরী (সমাজসেবা), অধ্যাপক আনিসুজ্জামান (সাহিত্য), হাসান আজিজুল হক (সাহিত্য), অধ্যাপক অরুণ কুমার বসাক (পদার্থবিদ্যা), মুর্তজা বশীর (চিত্রকলা), মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর (স্বাধীনতাযুদ্ধের জাদুঘর), অ্যাঞ্জেলা গোমেজ (সমাজসেবা), ভ্যালেরি টেইলর (সমাজসেবা), অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ (শিক্ষা), অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম (নজরুল শিক্ষা), মোস্তফা মনওয়ার (পারফর্মিং আর্টস), মতিউর রহমান (সাংবাদিকতা), বশির আহমেদ (ক্রীড়া), ফেরদৌসি মজুমদার (নাটক), দ্বিজেন শর্মা (উদ্ভিদবিদ্যা), সৈয়দ শামসুল হক (সাহিত্য), ফেরদৌসী রহমান (সংগীত), মোহাম্মদ আলী রেজা খান (বন্য প্রাণী সংরক্ষণ), তাহেরুন্নেসা আবদুল্লাহ (নারী উন্নয়ন) ও অধ্যাপক এ আর হারুন অর রশীদ (পদার্থবিদ্যা)। আজকের অনুষ্ঠানে হাসান আজিজুল হকের পক্ষে জাহানারা বেগম, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পক্ষে সারওয়ার আলী ও ফেরদৌসি রহমানের পক্ষে নাশিদ কামাল সম্মাননা গ্রহণ করেন। এ ছাড়া তাহেরুন্নেসা আবদুল্লাহ ও অধ্যাপক এ আর হারুন অর রশীদ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন।
সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তিদের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, পুরস্কারের আশায় কেউ কাজ করেন না। তবে নিজেদের কাজের ক্ষেত্রে যাঁরা বিশেষ অবদান রাখেন তাঁদের অনুপ্রেরণার প্রয়োজন হয়।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও একটি সংগঠনকে সম্মাননা দিয়েছে ‘দ্য ডেইলি স্টার’।
বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য সংবাদপত্রকে আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, সংবাদপত্রকে সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার সাহস থাকতে হবে। প্রয়োজনে আপনারা সরকারের এমনকি আমারও সমালোচনা করবেন। তবে তা যেন তথ্যভিত্তিক হয়, একপেশে না হয়। গঠনমূলক সমালোচনা সঠিকভাবে সরকার পরিচালনা ও জাতি গঠনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যাপারে সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। তবে স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছে তা করা নয়।
রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্র ও সংবিধানের মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে সংবাদপত্রকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। দেশ ও দেশের জনগণের কল্যাণে সংবাদপত্রকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার চর্চা করতে হবে।
‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘সাংবাদিকতা যেহেতু একটি আন্তর্জাতিক পেশা, তাই এই পেশায় অবশ্যই আন্তর্জাতিক সংহতি থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে পৃথিবীর কোনো প্রান্তে যদি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়, তা বাকি অংশের জন্যও ক্ষুণ্ন হয়।’
মিডিয়া ওয়ার্ল্ডের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রোকেয়া আফজাল রহমান বলেন, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। একটি ছাড়া অন্যটি অর্জিত হয় না।
আমন্ত্রিত বিদেশি সম্পাদক ও সাংবাদিকদের পক্ষে বক্তব্য দেন ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার ও কস্তুরি গ্রুপ অব পাবলিকেশনের চেয়ারম্যান এন রাম এবং থাইল্যান্ডের নেশন মাল্টিমিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা সুথিচাই ইয়ুন।
রজতজয়ন্তীতে ২৪ ব্যক্তি ও একটি সংগঠনকে সম্মাননা
রজতজয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ ব্যক্তি ও একটি সংগঠনকে সম্মাননা দেওয়া প্রসঙ্গে ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আজ আমরা ২৪ জন বিরল ব্যক্তি ও একটি সংগঠনকে সম্মানিত করছি, যাঁরা আজীবন দেশকে ভালোবেসে নিজেদের পেশায় থেকে উৎসর্গ করেছেন।’
সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তি ও সংগঠন হচ্ছে—মহিউদ্দিন আহমেদ (প্রকাশনা), মাহবুবুর রহমান (ব্যবসার প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন), সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (শিক্ষা/গবেষণা), অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী (পুরকৌশল), অধ্যাপক রেহমান সোবহান (অর্থনীতি), ঝর্ণা ধারা চৌধুরী (সমাজসেবা), অধ্যাপক আনিসুজ্জামান (সাহিত্য), হাসান আজিজুল হক (সাহিত্য), অধ্যাপক অরুণ কুমার বসাক (পদার্থবিদ্যা), মুর্তজা বশীর (চিত্রকলা), মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর (স্বাধীনতাযুদ্ধের জাদুঘর), অ্যাঞ্জেলা গোমেজ (সমাজসেবা), ভ্যালেরি টেইলর (সমাজসেবা), অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ (শিক্ষা), অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম (নজরুল শিক্ষা), মোস্তফা মনওয়ার (পারফর্মিং আর্টস), মতিউর রহমান (সাংবাদিকতা), বশির আহমেদ (ক্রীড়া), ফেরদৌসি মজুমদার (নাটক), দ্বিজেন শর্মা (উদ্ভিদবিদ্যা), সৈয়দ শামসুল হক (সাহিত্য), ফেরদৌসী রহমান (সংগীত), মোহাম্মদ আলী রেজা খান (বন্য প্রাণী সংরক্ষণ), তাহেরুন্নেসা আবদুল্লাহ (নারী উন্নয়ন) ও অধ্যাপক এ আর হারুন অর রশীদ (পদার্থবিদ্যা)। আজকের অনুষ্ঠানে হাসান আজিজুল হকের পক্ষে জাহানারা বেগম, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পক্ষে সারওয়ার আলী ও ফেরদৌসি রহমানের পক্ষে নাশিদ কামাল সম্মাননা গ্রহণ করেন। এ ছাড়া তাহেরুন্নেসা আবদুল্লাহ ও অধ্যাপক এ আর হারুন অর রশীদ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন।
সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তিদের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, পুরস্কারের আশায় কেউ কাজ করেন না। তবে নিজেদের কাজের ক্ষেত্রে যাঁরা বিশেষ অবদান রাখেন তাঁদের অনুপ্রেরণার প্রয়োজন হয়।

No comments:
Post a Comment