![]() |
| পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ২০১১ সালে সালমান তাসিরকে গুলি করে হত্যা করেন তাঁর দেহরক্ষী মুমতাজ কাদরি -রয়টার্স |
পাকিস্তানের
পাঞ্জাব প্রদেশের গভর্নর সালমান তাসিরের হত্যাকারীর ফাঁসি কার্যকর করা
হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের
প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ফাঁসি কার্যকর হওয়া ব্যক্তির নাম মুমতাজ কাদরি। তিনি তাসিরের দেহরক্ষী ছিলেন। ২০১১ সালে ইসলামাবাদে তাঁর গুলিতে নিহত হন তাসির।
পাকিস্তানের কারা কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ইসলামাবাদের কাছে একটি কারাগারে আজ স্থানীয় সময় ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে মুমতাজের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
মুমতাজের ফাঁসি কার্যকর করার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়। ফাঁসি কার্যকরের কয়েক ঘণ্টা পর তাঁর ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা রাজপথে নেমে আসেন। তাঁরা এই ফাঁসি কার্যকরের ঘটনার নিন্দা জানান।
পাকিস্তানে ব্লাসফেমি আইনে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আসিয়া বিবিকে সমর্থন করায় তাসিরকে গুলি করার কথা স্বীকার করেন মুমতাজ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি পাকিস্তানে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়, আসিয়া বিবিকে ক্ষমা করার জন্য তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারিকে অনুরোধ করেছিলেন তাসির। তিনি ব্লাসফেমি আইনের বিপক্ষে কথা বলে একদল ইসলামপন্থীর বিরাগভাজন হয়েছিলেন।
ফাঁসি কার্যকর হওয়া ব্যক্তির নাম মুমতাজ কাদরি। তিনি তাসিরের দেহরক্ষী ছিলেন। ২০১১ সালে ইসলামাবাদে তাঁর গুলিতে নিহত হন তাসির।
পাকিস্তানের কারা কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ইসলামাবাদের কাছে একটি কারাগারে আজ স্থানীয় সময় ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে মুমতাজের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
মুমতাজের ফাঁসি কার্যকর করার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়। ফাঁসি কার্যকরের কয়েক ঘণ্টা পর তাঁর ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা রাজপথে নেমে আসেন। তাঁরা এই ফাঁসি কার্যকরের ঘটনার নিন্দা জানান।
পাকিস্তানে ব্লাসফেমি আইনে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আসিয়া বিবিকে সমর্থন করায় তাসিরকে গুলি করার কথা স্বীকার করেন মুমতাজ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি পাকিস্তানে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়, আসিয়া বিবিকে ক্ষমা করার জন্য তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারিকে অনুরোধ করেছিলেন তাসির। তিনি ব্লাসফেমি আইনের বিপক্ষে কথা বলে একদল ইসলামপন্থীর বিরাগভাজন হয়েছিলেন।

No comments:
Post a Comment