ঢাকার
কেরানীগঞ্জে অপহরণের পর নিহত শিশু আবদুল্লাহ হত্যা মামলার বিচার বিশেষ
ট্রাইনুবালে হবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের
আফরোজ চুমকি। শনিবার সকালে কেরানীগঞ্জের মুগারচরে নিহত আবদুল্লাহর পরিবারের
সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। এদিকে প্রতিমন্ত্রীর
আসার খবরে সকাল থেকে এলাকাবাসী ও পশ্চিম মুগারচর সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবদুল্লাহর খুনিদের ফাঁসির দাবিতে দফায় দফয়
বিক্ষোভ মিছিল করে। নিহত আবদুল্লাহর স্বজনদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী মেহের
আফরোজ চুমকি বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে নিঃসন্দেহে এতোটাই মর্মান্তিক যে এ বিষয়ে
কথা বলার ভাষাও খুঁজে পাচ্ছি না। আবদুল্লাহর বাবা-মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে
কথা বলতে আমাদের কষ্ট হচ্ছে। এতো আমানবিকভাবে হত্যা করা হয়েছে ছোট্র
শিশুটিকে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, হত্যাকারীদের বিচার বাংলাদেশের মাটিতে অতি দ্রুত হবে, এটা আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। তিনিও তার ভাই হারিয়েছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে যুগ্ম সচিব ড. আবুল হোসেন, কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক মো. শাহিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাশার মো. ফখরুজ্জামান, রুহিতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলী প্রমুখ
প্রসঙ্গত, গত ২৯ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের মুগারচরে বাড়ির সামনে থেকে আবদুল্লাহকে অপহরণ করা হয়।
অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণের মধ্যে ২ লাখ টাকা দেয়ার পরও তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
গত ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে প্রতিবেশী ও আবদুল্লাহর মায়ের আপন মামা মোতাহার হোসেনের দোতলা বাড়ির ছাদে ড্রামের ভেতর আবদুল্লাহর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মোতাহারের ছেলে মেহেদী, মেয়ে মিতু ও দুই সহযোগী খোরশেদ ও আলামিনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
ঘটনার সন্দেহভাজন প্রধান আসামি মোতাহার ও তার স্ত্রী নাসিমা বেগম পলাতক রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, হত্যাকারীদের বিচার বাংলাদেশের মাটিতে অতি দ্রুত হবে, এটা আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। তিনিও তার ভাই হারিয়েছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে যুগ্ম সচিব ড. আবুল হোসেন, কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক মো. শাহিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাশার মো. ফখরুজ্জামান, রুহিতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলী প্রমুখ
প্রসঙ্গত, গত ২৯ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের মুগারচরে বাড়ির সামনে থেকে আবদুল্লাহকে অপহরণ করা হয়।
অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণের মধ্যে ২ লাখ টাকা দেয়ার পরও তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
গত ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে প্রতিবেশী ও আবদুল্লাহর মায়ের আপন মামা মোতাহার হোসেনের দোতলা বাড়ির ছাদে ড্রামের ভেতর আবদুল্লাহর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মোতাহারের ছেলে মেহেদী, মেয়ে মিতু ও দুই সহযোগী খোরশেদ ও আলামিনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
ঘটনার সন্দেহভাজন প্রধান আসামি মোতাহার ও তার স্ত্রী নাসিমা বেগম পলাতক রয়েছে।

No comments:
Post a Comment