রান্নাঘরের
গ্যাসের আগুন কেড়ে নিয়েছে দুটি জীবন। সঙ্গে পুড়ে গেল সাজানো গোছানো একটি
পরিবার। পরিবারের অন্য দুই সদস্য যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন বার্ন ইউনিটে। একজন
চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। রাতে বাবার সঙ্গে গল্প করে ঘুমাতে গিয়েছিল তিন
সন্তান। গতকাল মা-বাবার সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার কথা ছিল তাদের। কিন্তু বেড়ানো
হয়নি। বরং চিরদিনের মতো না ফেরার দেশে চলে গেছে দুজন। হাসপাতালে চিকিৎসা
নিচ্ছেন তাদের মা-বাবা। দুই সন্তানের মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি দগ্ধ
মা-বাবাকে। এই হৃদয় বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর উত্তরার ১৩ নম্বর
সেক্টরের তিন নম্বর সড়কের আট নম্বর বাড়ির সাত তলার ফ্ল্যাটে।
ওই ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকেন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রকৌশলী মো. শাহনেওয়াজ (৪৬)। শাহনেওয়াজের স্ত্রীর বড় ভাই আবুল হাসনাত জানান, শুক্রবার সকালে রান্না করার জন্য চুলায় আগুন ধরান শাহনেওয়াজের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার। এসময় খাবার টেবিলের ওপরে থাকা ফ্যান চালু করেন। সঙ্গে সঙ্গে পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে যায়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। তাৎক্ষণিকভাবে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় তাদের। আগুনে পরিবারের সবাই দগ্ধ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মারা যায় শাহনেওয়াজের বড় ছেলে শাহালিন বিন শাহনেওয়াজ (১৫)। সন্ধ্যা ৬টায় মারা যায় ১৪ মাস বয়সী জায়ান বিন নেওয়াজ। শাহালিন উত্তরার রাজউক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানান, শাহালিনের শরীরের ৭০ শতাংশ, জারানের ৭৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তাদের শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত ছিল। এছাড়া তাদের পিতা শাহনেওয়াজ ও মা সুমাইয়া বেগমের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি। তবে ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়েও আশঙ্কামুক্ত আছে শাহনেওয়াজ-সুমাইয়া দম্পতির সন্তান জারিফ (১১)। হাত-পা পুড়ে যাওয়া ছাড়া বড় কোনো ক্ষতি হয়নি তার। জারিফের মামা আবুল হাসনাত জানান, হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বিকালে জারিফকে বাসায় নিয়ে গেছেন তিনি।
আগুনের উৎপত্তি সম্পর্কে তিনি জানান, গত ২১শে ফেব্রুয়ারিতে পরিবারসহ উত্তরার এই বাসায় উঠেন শাহনেওয়াজ। ওই দিন থেকেই তিনি লক্ষ্য করেছেন গ্যাসলাইনে সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি তিনি বাড়ির মালিককে অবহিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন। কিন্তু বাড়ির মালিক এতে কর্ণপাত করেননি। শেষ পর্যন্ত চুলার ওই গ্যাসলাইন থেকেই আগুনের উৎপত্তি হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা মাহমুদুল হক জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। ওই বাসার গ্যাসের চুলা বা লাইনে সমস্যা ছিল বলেই ধারণা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ফলে রান্নাঘরে গ্যাস জমে যায় এবং সকালে চুলা জ্বালাতে গিয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। দগ্ধ শাহনেওয়াজ আমেরিকান দূতাবাসের মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার। তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাটি সদরের কাঠপট্টি এলাকায়।
ওই ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকেন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রকৌশলী মো. শাহনেওয়াজ (৪৬)। শাহনেওয়াজের স্ত্রীর বড় ভাই আবুল হাসনাত জানান, শুক্রবার সকালে রান্না করার জন্য চুলায় আগুন ধরান শাহনেওয়াজের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার। এসময় খাবার টেবিলের ওপরে থাকা ফ্যান চালু করেন। সঙ্গে সঙ্গে পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে যায়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। তাৎক্ষণিকভাবে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় তাদের। আগুনে পরিবারের সবাই দগ্ধ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মারা যায় শাহনেওয়াজের বড় ছেলে শাহালিন বিন শাহনেওয়াজ (১৫)। সন্ধ্যা ৬টায় মারা যায় ১৪ মাস বয়সী জায়ান বিন নেওয়াজ। শাহালিন উত্তরার রাজউক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানান, শাহালিনের শরীরের ৭০ শতাংশ, জারানের ৭৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তাদের শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত ছিল। এছাড়া তাদের পিতা শাহনেওয়াজ ও মা সুমাইয়া বেগমের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি। তবে ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়েও আশঙ্কামুক্ত আছে শাহনেওয়াজ-সুমাইয়া দম্পতির সন্তান জারিফ (১১)। হাত-পা পুড়ে যাওয়া ছাড়া বড় কোনো ক্ষতি হয়নি তার। জারিফের মামা আবুল হাসনাত জানান, হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বিকালে জারিফকে বাসায় নিয়ে গেছেন তিনি।
আগুনের উৎপত্তি সম্পর্কে তিনি জানান, গত ২১শে ফেব্রুয়ারিতে পরিবারসহ উত্তরার এই বাসায় উঠেন শাহনেওয়াজ। ওই দিন থেকেই তিনি লক্ষ্য করেছেন গ্যাসলাইনে সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি তিনি বাড়ির মালিককে অবহিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন। কিন্তু বাড়ির মালিক এতে কর্ণপাত করেননি। শেষ পর্যন্ত চুলার ওই গ্যাসলাইন থেকেই আগুনের উৎপত্তি হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা মাহমুদুল হক জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। ওই বাসার গ্যাসের চুলা বা লাইনে সমস্যা ছিল বলেই ধারণা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ফলে রান্নাঘরে গ্যাস জমে যায় এবং সকালে চুলা জ্বালাতে গিয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। দগ্ধ শাহনেওয়াজ আমেরিকান দূতাবাসের মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার। তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাটি সদরের কাঠপট্টি এলাকায়।

No comments:
Post a Comment