![]() |
| প্রধান সন্দেহভাজন মোতাহারকে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে দফায় দফায় বিক্ষোভ করছে এলাকাবাসী। -প্রথম আলো |
ঢাকার
কেরানীগঞ্জে শিশু আবদুল্লাহর হত্যা মামলা তিন থেকে চার মাসের মধ্যে
নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। আজ
বুধবার সকালে তিনি রোহিতপুর ইউনিয়নের মুগারচর গ্রামে আবদুল্লাহর বাড়িতে
যান। সেখানে তিনি ওই শিশুর বাবা-মা ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিচার
দ্রুত নিষ্পত্তি করার বিষয়ে আশ্বাস দেন।
আবদুল্লাহকে অপহরণের ঘটনায় করা সাধারণ ডায়েরিকে (জিডি) মামলা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে ও চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সকাল থেকে ঘটনার মূল হোতা হিসেবে সন্দেহভাজন মোতাহারকে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করছে এলাকাবাসী। আবদুল্লাহর মায়ের বড় মামা মোতাহার হোসেন। অর্থাৎ, সম্পর্কে তিনি শিশুটির নানা।
গত শুক্রবার থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মো. আবদুল্লাহ (১১) নিখোঁজ ছিল। তাকে খুঁজতে থানা-পুলিশ হয়েছে। চলেছে বিস্তর খোঁজখবর করা। একপর্যায়ে মুঠোফোনে তাকে অপহরণের দাবি করে দুই দফায় দুই লাখ টাকা নেয় অপহরণকারীরা। এরপরও শিশুটিকে ফেরত দেয়নি তারা। গতকাল মঙ্গলবার আবদুল্লাহদের বাড়ির মাত্র ১০০ গজ পশ্চিমে মোতাহার হোসেনের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরা আবদুল্লাহর গলিত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর থেকে মোতাহার পলাতক।
আজ আবদুল্লাহর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এ মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। তিনি আশ্বাস দেন, তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এ মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে এ মামলার তদবির করব। নিন্দা জানানোর ভাষা আমার নেই। এ পরিবারের জন্য যা করার, আমি সব করব।’
এ সময় উপজেলার চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, ঢাকার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ, কেরানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল বাশার মো. ফখরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
আবদুল্লার মা রিনা বেগম ও বাবা বাদল মিয়া মন্ত্রীর কাছে ছেলে হত্যার বিচার চান এবং অবিলম্বে মোতাহারকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ জানান, গত শুক্রবার রাতেই শিশুটির নানা মারফত আলী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি জিডি করেন। এখন এই জিডিকে মামলা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে মোতাহার হোসেনের ছেলে মেহেদী হোসেন, মেয়ে নিতু আক্তার, প্রতিবেশী সৌদিপ্রবাসী মো. জসিমউদ্দিনের ছেলে মো. আল আমিন ও প্রতিবেশি মো. খোরশেদ আলীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আবদুল্লাহকে অপহরণের ঘটনায় করা সাধারণ ডায়েরিকে (জিডি) মামলা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে ও চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সকাল থেকে ঘটনার মূল হোতা হিসেবে সন্দেহভাজন মোতাহারকে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করছে এলাকাবাসী। আবদুল্লাহর মায়ের বড় মামা মোতাহার হোসেন। অর্থাৎ, সম্পর্কে তিনি শিশুটির নানা।
গত শুক্রবার থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মো. আবদুল্লাহ (১১) নিখোঁজ ছিল। তাকে খুঁজতে থানা-পুলিশ হয়েছে। চলেছে বিস্তর খোঁজখবর করা। একপর্যায়ে মুঠোফোনে তাকে অপহরণের দাবি করে দুই দফায় দুই লাখ টাকা নেয় অপহরণকারীরা। এরপরও শিশুটিকে ফেরত দেয়নি তারা। গতকাল মঙ্গলবার আবদুল্লাহদের বাড়ির মাত্র ১০০ গজ পশ্চিমে মোতাহার হোসেনের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরা আবদুল্লাহর গলিত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর থেকে মোতাহার পলাতক।
আজ আবদুল্লাহর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এ মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। তিনি আশ্বাস দেন, তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এ মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে এ মামলার তদবির করব। নিন্দা জানানোর ভাষা আমার নেই। এ পরিবারের জন্য যা করার, আমি সব করব।’
এ সময় উপজেলার চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, ঢাকার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ, কেরানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল বাশার মো. ফখরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
আবদুল্লার মা রিনা বেগম ও বাবা বাদল মিয়া মন্ত্রীর কাছে ছেলে হত্যার বিচার চান এবং অবিলম্বে মোতাহারকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ জানান, গত শুক্রবার রাতেই শিশুটির নানা মারফত আলী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি জিডি করেন। এখন এই জিডিকে মামলা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে মোতাহার হোসেনের ছেলে মেহেদী হোসেন, মেয়ে নিতু আক্তার, প্রতিবেশী সৌদিপ্রবাসী মো. জসিমউদ্দিনের ছেলে মো. আল আমিন ও প্রতিবেশি মো. খোরশেদ আলীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

No comments:
Post a Comment