আবু
বক্কর ছিদ্দিক,মহেশখালীঃ হতদরিদ্র, অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের সাময়িক
দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের লক্ষ্যে সরকার ঘোষিত কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ প্রতিটি
ইউনিয়ন পর্য্যায়ের সংশ্লিষ্ট কিছু রাঘবেরা হ-য-ব-র-ল অবস্থা সৃষ্টি করে
সিংহ ভাগ টাকা শ্রমিকদের ভাগিয়ে নিজেদের পকেটস্থ করার অভিযোগ ভোক্তভোগী
শ্রমিকের। ৮ ইউনিয়নে প্রকল্পের কাজ সাপ্তাহে ৫ দিন ঘোষনা করা হলে ও
দুর্নীতিবাজ পিআইও শফিউল আলম শাকিবের মাধ্যমে প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ঠ
রাঘবেরা বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে ধার্য্যকৃত কাজের দিন কমিয়ে দিয়ে পুরাপুরি
কাজের দিন হিসাব করে ব্যাংক থেকে শ্রমিকের মারফতে টাকা উত্তোলন করে।
শ্রমিকের পারিশ্রমিকের টাকা উত্তোলন কালীন সময় ব্যাংকে কোন সংবাদকর্মী,
গোয়েদা ও প্রশাসনিক বিভাগের লোক উপস্থিত থাকলে তাদের চোখে ফাঁকি দিয়ে ভিন্ন
কৌশলে গ্রহন করে প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকের নিযুক্ত প্রতিনিধিদের
মাধ্যমে প্রতিজন শ্রমিকের পারিশ্রমিক থেকে সাড়ে ৫০০শত থেকে ১০০০ হাজার টাকা
কেড়ে নিচ্ছে সে বিষয়ে কোন প্রতিনিধি প্রশ্ন করলে নিযুক্ত প্রতিনিধিরা বলে
আমরা পিআইও শাকিবের কথামতে টাকা নিচ্ছি। বিভিন্ন অফিসের
কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার সচেতন মহল
জানিয়েছেন দুর্নীতিবাজ পিআইও শাকিবের সহযোগীতায় প্রতিটি ইউনিয়নে কর্মসৃজন
প্রকল্প কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি/সাধারন সম্পাদকের সাথে গোপন
আতাঁত করে শ্রমিকের কষ্টার্জিত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। গোয়েন্দাদের দেওয়া
তথ্যমতে, ২ ফেব্রুয়ারী বড় মহেশখালী ইউনিয়নে কর্মসৃজনের প্রকল্পের শ্রমিকের
টাকা (কবির মেম্বার, আবুল কালাম মেম্বার ও জয়নব মেম্বার) এর নিয়ন্ত্রনাধীন
শ্রমিকের টাকা উত্তোলনকালে শ্রমিকদের অল্প টাকা দিকে বাদবাকী টাকা
শ্রমিকদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার অসংখ্য অভিযোাগ উঠেছে। আর দু’একদিন পুর্বে
ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের শ্রমিকদের টাকা উত্তোলন কালীন সময় কয়েক মেম্বার
বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে শ্রমিকদের কাছ অসংখ্য টাকা কেড়ে নিয়েছে। অথচ সেই
চিহ্নিত মেম্বারগন আসন্ন ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে আবারো সেই অত্যাচারিত
শ্রমিকদের ধারেধারে গিয়ে নানান প্রলোভন দেখিয়ে ভোট ভিক্ষার জন্য প্রস্তুতি
নিচ্ছে। আজ ও কাল কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকের টাকা উত্তোলন চলছে সেখানে
শ্রমিকের শ্রমের টাকা কেড়ে নেওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। এবং দুর্নীতিবাজ পিআইও
প্রকল্পের কাজের ফাইলের টাকা প্রকল্পের সভাপতি/সাধারন সম্পাদক সংশ্লিষ্ট
মেম্বারগনদের কাছ থেকে মোটা অংকের অগ্রিম টাকা নিয়ে ফেলেছে। শফিউল আলম
মহেশখালীতে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উখিয়ায় ও দায়িত্ব পালন করত সেখানে
দুর্নীতি ও নানান অপকর্মের কারনে দায়িত্ব থেকে বহিস্কার করে দেন এবং তার
বিরোদ্ধে দুর্ণীতির দায়ে প্রায় ৭টি মামলা হয়েছে। অবৈধ পথের অর্জিত টাকা
হালাল করতে বিশেষ কিছু নেতাদের তেলেশমাতি ও আতলামিতে ব্যস্ত থাকে। পিআইও
শাকিব হুংকার দিয়ে বলেন, এমন কোন শক্তি নাই আমাকে ক্ষতি করতে পারে কারন
আমার উপরে অনেক লম্বা হাত রয়েছে এবং জেলায় যতসব রাজনৈতিক নেতা রয়েছে তা
আমার কন্টোলে রয়েছে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment