বিশ্ববাজারে
আরেক দফা জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। বৃহস্পতিবার ব্যারেলপ্রতি
তেলের দাম কমে ২৭ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বিগত ১৩ বছরের মধ্যে এটাই
সর্বনিম্ন।
এর আগে ২০০৩ সালে ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেলের দাম এত নিচে নেমে এসেছিল।
সে সময় ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ছিল ২৬ ডলারেরও কম। খবর এএফপির। বুধবার
দিনের লেনদেনে তেলের দামে বেশ ওঠানামা লক্ষ্য করা গেলেও পরের দিন তা
ব্যারেলপ্রতি ২৭ ডলারের নিচে নেমে যায়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমার কোনও লক্ষণ
দেখা যাচ্ছে না। আর এ কারণেই মূলত তেলের দামের পতন অব্যাহত রয়েছে।
গত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বিপুল পরিমাণ উদ্বৃত্ত ও চাহিদা কমে যাওয়ায় তেলের দাম পড়ার বিষয়ে সতর্ক করেছিল। এরপর গত দুদিনে মূল্য পতন লক্ষ্য করা যায়। তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেক জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে ধারণার চেয়ে অনেক বেশি জ্বালানি তেল সরবরাহ হবে। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তেলের দামে নিম্নমুখী ভাব লক্ষ্য করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বৃহস্পতিবার অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৬ ডলার ৩২ সেন্টে নেমে আসে। পরে তা সামান্য বেড়ে ২৬ ডলার ৩৮ সেন্টে উঠলেও এই দাম বুধবারের তুলনায় ১ ডলার ৭ সেন্ট কম। অথচ এই তেল পাইন লাইনে আসবে আগামী মাসে। ইউরোপের বাজারেও বৃহস্পতিবার কমেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। তবে তা এখনও ৩০ ডলারের ওপরে রয়েছে।
গত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বিপুল পরিমাণ উদ্বৃত্ত ও চাহিদা কমে যাওয়ায় তেলের দাম পড়ার বিষয়ে সতর্ক করেছিল। এরপর গত দুদিনে মূল্য পতন লক্ষ্য করা যায়। তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেক জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে ধারণার চেয়ে অনেক বেশি জ্বালানি তেল সরবরাহ হবে। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তেলের দামে নিম্নমুখী ভাব লক্ষ্য করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বৃহস্পতিবার অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৬ ডলার ৩২ সেন্টে নেমে আসে। পরে তা সামান্য বেড়ে ২৬ ডলার ৩৮ সেন্টে উঠলেও এই দাম বুধবারের তুলনায় ১ ডলার ৭ সেন্ট কম। অথচ এই তেল পাইন লাইনে আসবে আগামী মাসে। ইউরোপের বাজারেও বৃহস্পতিবার কমেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। তবে তা এখনও ৩০ ডলারের ওপরে রয়েছে।

No comments:
Post a Comment