![]() |
| বনানীতে উল্টোপথে চলা পুলিশের বাসের ধাক্কায় চূর্ণ-বিচূর্ণ মোটরসাইকেল। নিহত আরোহী তপু |
রাজধানীর
বনানীতে উল্টোপথে চলা পুলিশের নম্বরবিহীন একটি মিনিবাসের ধাক্কায় এক
মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। নিহত রিয়াজ উদ্দিন তপু (২৬) ধানমণ্ডির আশা
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ শেষ বর্ষের ছাত্র। পাশাপাশি তিনি মোবাইল সেট
প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘অপো’তে খণ্ডকালীন চাকরি করতেন। এ ঘটনায় গুরুতর
আহত হয়েছেন যতন (২৫) নামে তপুর এক সহকর্মীও। সোমবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে
নৌবাহিনী সদর দফতরের বিপরীতে এ দুর্ঘটনার পর সড়কের উভয় পাশে যানবাহন চলাচল
বন্ধ হয়ে যায়। এতে দেখা দেয় ভয়াবহ যানজট।
সড়ক দুর্ঘটনায় তপুর নিহতের খবর পেয়ে সহপাঠীরা ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে পুলিশ লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রসহ তিনজনকে আটক করে। গ্রেফতার করে মিনিবাসটির চালককে। অন্যদিকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি বন্ধ থাকায় এর প্রভাব পড়ে পুরো রাজধানীতে। বিকাল ৫টার দিকে রেকার দিয়ে বাসটি সরিয়ে নেয়ার পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা মাহবুব আলম যুগান্তরকে জানান, ঘটনার সময় বিমানবন্দর থেকে বনানীমুখী গাড়ির চাপ অনেক বেশি ছিল। নৌবাহিনী সদর দফতরের সামনে থেকে কাকলী পর্যন্ত সড়কটি ছিল গাড়িতে ঠাসা। এ সময় পুলিশের নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মিনিবাস বনানী কবরস্থান ক্রসিংয়ে এসে উল্টো পথে কাকলীর দিকে যেতে থাকে। ঠিক এ সময় কাকলী থেকে বিমানবন্দরমুখী ঢাকা মেট্রো ল-২৩-৬৭১৩ নম্বরের একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মিনিবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
মাহবুব আলম বলেন, দুর্ঘটনার পর মিনিবাসে থাকা পুলিশ সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তপুকে মৃত ঘোষণা করেন। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুর্ঘটনায় আহত যতন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতের সহপাঠী শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যুগান্তরকে জানান, দুপুরে ক্লাস শেষে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খিলক্ষেত যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তপু। তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি অপোতে পার্টটাইম চাকরি করতেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তিনিসহ বেশ কয়েকজন সহপাঠী ছুটে এসে ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ করতে থাকলে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশ সেখান থেকে তাদের তিন সহপাঠীকে আটক করে নিয়ে যায়।
নিহত রিয়াজ উদ্দিন তপুর বাবার নাম শামসুদ্দিন। বাসা ফার্মগেটের ৫/২ তেজতুরিবাজারে। তপু মাত্র চার মাস আগে এক ছেলে সন্তানের বাবা হয়েছেন। সোমবার তপুর মৃত্যুর খবর যখন তেজতুরি বাজারে এসে পৌঁছায় তখন সেখানে সৃষ্টি হয় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের। স্বামীকে হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন স্ত্রী। তাকে সামলাতে পরিবারের সদস্যরা হিমশিম খাচ্ছিলেন।
বনানী থানার ওসি মো. সালাহ উদ্দিন খান যুগান্তরকে জানান, মিনিবাসটি ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং রিকুইজিশন করা। দুর্ঘটনার সময় মিনিবাসটিতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ছিলেন। ডিউটি শেষে তাদের রিকুইজিশন করা ওই বাসটিতে উঠিয়ে নেয়া হচ্ছিল। বাসটি উল্টোপথে চলার বিষয়টি স্বীকার করে ওসি বলেন, হঠাৎ একটি কাভার্ড ভ্যান মিনিবাসটির সামনে এসে পড়ে। কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে মিনিবাসের চালক এ সময় ডানদিকে ফুটপাতের দিকে মোড় নেয়। এ সময় মোটরসাইকেলটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বলে ওসি জানান।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ব্যস্ততম ওই সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শত শত গাড়ি দুই পাশে আটকে পড়ে। এতে দেখা দেয় তীব্র যানজট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়ির মধ্যে বসে থেকে লোকজন হাঁসফাঁস করতে থাকেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর বিকাল ৫টার দিকে রেকার লাগিয়ে বাসটি সরিয়ে নেয় পুলিশ। পরে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।
সড়ক দুর্ঘটনায় তপুর নিহতের খবর পেয়ে সহপাঠীরা ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে পুলিশ লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রসহ তিনজনকে আটক করে। গ্রেফতার করে মিনিবাসটির চালককে। অন্যদিকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি বন্ধ থাকায় এর প্রভাব পড়ে পুরো রাজধানীতে। বিকাল ৫টার দিকে রেকার দিয়ে বাসটি সরিয়ে নেয়ার পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা মাহবুব আলম যুগান্তরকে জানান, ঘটনার সময় বিমানবন্দর থেকে বনানীমুখী গাড়ির চাপ অনেক বেশি ছিল। নৌবাহিনী সদর দফতরের সামনে থেকে কাকলী পর্যন্ত সড়কটি ছিল গাড়িতে ঠাসা। এ সময় পুলিশের নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মিনিবাস বনানী কবরস্থান ক্রসিংয়ে এসে উল্টো পথে কাকলীর দিকে যেতে থাকে। ঠিক এ সময় কাকলী থেকে বিমানবন্দরমুখী ঢাকা মেট্রো ল-২৩-৬৭১৩ নম্বরের একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মিনিবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
মাহবুব আলম বলেন, দুর্ঘটনার পর মিনিবাসে থাকা পুলিশ সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তপুকে মৃত ঘোষণা করেন। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুর্ঘটনায় আহত যতন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতের সহপাঠী শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যুগান্তরকে জানান, দুপুরে ক্লাস শেষে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খিলক্ষেত যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তপু। তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি অপোতে পার্টটাইম চাকরি করতেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তিনিসহ বেশ কয়েকজন সহপাঠী ছুটে এসে ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ করতে থাকলে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশ সেখান থেকে তাদের তিন সহপাঠীকে আটক করে নিয়ে যায়।
নিহত রিয়াজ উদ্দিন তপুর বাবার নাম শামসুদ্দিন। বাসা ফার্মগেটের ৫/২ তেজতুরিবাজারে। তপু মাত্র চার মাস আগে এক ছেলে সন্তানের বাবা হয়েছেন। সোমবার তপুর মৃত্যুর খবর যখন তেজতুরি বাজারে এসে পৌঁছায় তখন সেখানে সৃষ্টি হয় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের। স্বামীকে হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন স্ত্রী। তাকে সামলাতে পরিবারের সদস্যরা হিমশিম খাচ্ছিলেন।
বনানী থানার ওসি মো. সালাহ উদ্দিন খান যুগান্তরকে জানান, মিনিবাসটি ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং রিকুইজিশন করা। দুর্ঘটনার সময় মিনিবাসটিতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ছিলেন। ডিউটি শেষে তাদের রিকুইজিশন করা ওই বাসটিতে উঠিয়ে নেয়া হচ্ছিল। বাসটি উল্টোপথে চলার বিষয়টি স্বীকার করে ওসি বলেন, হঠাৎ একটি কাভার্ড ভ্যান মিনিবাসটির সামনে এসে পড়ে। কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে মিনিবাসের চালক এ সময় ডানদিকে ফুটপাতের দিকে মোড় নেয়। এ সময় মোটরসাইকেলটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বলে ওসি জানান।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ব্যস্ততম ওই সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শত শত গাড়ি দুই পাশে আটকে পড়ে। এতে দেখা দেয় তীব্র যানজট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়ির মধ্যে বসে থেকে লোকজন হাঁসফাঁস করতে থাকেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর বিকাল ৫টার দিকে রেকার লাগিয়ে বাসটি সরিয়ে নেয় পুলিশ। পরে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

No comments:
Post a Comment