![]() |
| আবুল বাজনদার । ফাইল ছবি |
দ্বিতীয়
দফায় অস্ত্রোপচারের পর বিরল রোগে আক্রান্ত আবুল বাজনদারের শারীরিক অবস্থায়
সন্তুষ্ট চিকিৎসকেরা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নয় সদস্যের মেডিকেল
বোর্ড এ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী
কিছুদিনের মধ্যে তাঁর বাম হাতেও অস্ত্রোপচার করা হবে।
আজ সোমবার মেডিকেল বোর্ডের সভা শেষে বোর্ডের সভাপতি মো. আবুল কালাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। বোর্ডের নয়জন সদস্য সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বোর্ডের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়, চিকিৎসার জন্য আবুল বাজনদারকে হয়তো এক থেকে দেড় বছর ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন থাকতে হতে পারে। এ পর্যন্ত দেশে যেসব পরীক্ষা হয়েছে, এতে আবুল বাজনদারের শরীরে কোনো ক্যানসারের জীবাণু পাওয়া যায়নি। পরীক্ষার জন্য তাঁর শরীর থেকে নেওয়া যে নমুনা বিদেশে পাঠানো হয়, এর ফল এখনো পাওয়া যায়নি। এ জন্য আরও দেড় থেকে দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে।
আবুল বাজনদার গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হন। তিনি ১০ বছর ধরে বিরল রোগ ট্রি-ম্যান সিনড্রোমে ভুগছেন। তাঁর হাত-পায়ের আঙুল অনেকটা ‘শিকড়ের মতো জটে’র আকার ধারণ করেছে। ২০ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসকেরা তাঁর ডান হাতে প্রথম অস্ত্রোপচার করেন। গত শনিবার দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার হয়।
চিকিৎসকেরা বলছেন, ধারাবাহিকভাবে অনেক অস্ত্রোপচার করা হবে বলে গত শনিবার তাঁকে অজ্ঞান করা হয়নি। ওষুধ দিয়ে গভীরভাবে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের কাজে আগের মতোই ইলেকট্রো কটারি নামের একটি যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
আজ সোমবার মেডিকেল বোর্ডের সভা শেষে বোর্ডের সভাপতি মো. আবুল কালাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। বোর্ডের নয়জন সদস্য সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বোর্ডের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়, চিকিৎসার জন্য আবুল বাজনদারকে হয়তো এক থেকে দেড় বছর ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন থাকতে হতে পারে। এ পর্যন্ত দেশে যেসব পরীক্ষা হয়েছে, এতে আবুল বাজনদারের শরীরে কোনো ক্যানসারের জীবাণু পাওয়া যায়নি। পরীক্ষার জন্য তাঁর শরীর থেকে নেওয়া যে নমুনা বিদেশে পাঠানো হয়, এর ফল এখনো পাওয়া যায়নি। এ জন্য আরও দেড় থেকে দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে।
আবুল বাজনদার গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হন। তিনি ১০ বছর ধরে বিরল রোগ ট্রি-ম্যান সিনড্রোমে ভুগছেন। তাঁর হাত-পায়ের আঙুল অনেকটা ‘শিকড়ের মতো জটে’র আকার ধারণ করেছে। ২০ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসকেরা তাঁর ডান হাতে প্রথম অস্ত্রোপচার করেন। গত শনিবার দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার হয়।
চিকিৎসকেরা বলছেন, ধারাবাহিকভাবে অনেক অস্ত্রোপচার করা হবে বলে গত শনিবার তাঁকে অজ্ঞান করা হয়নি। ওষুধ দিয়ে গভীরভাবে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের কাজে আগের মতোই ইলেকট্রো কটারি নামের একটি যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment