আবাসন সমস্যা সমাধানে জেলা ও উপজেলায় সরকার বহুতল ভবন ও ফ্ল্যাট নির্মাণ করছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি জানান, 'পল্লী জনপদ' কর্মসূচির আওতায় স্বল্প মূল্যের ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় তিনটি জেলা শহরে বস্তিবাসীদের আবাসন তৈরির লক্ষ্যে একটি সমীক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ শিগগিরই শুরু হবে।
তিনি বলেন, আগামীতে সরকারের অর্থায়নে ঢাকার মিরপুরে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ৫৫৫ বর্গফুট আয়তনের ৬৪৮টি ফ্ল্যাট তৈরির পরিকল্পনা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের রয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকার আজিমপুর কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০তলা বিশিষ্ট সাতটি ভবনে (তিনটি ভবনে ১ হাজার বর্গফুটের ১৫২টি ও চারটি ভবনে ৮শ' বর্গফুটের ৩০৪টি) মোট ৪৫৬টি ফ্ল্যাটের কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকার মতিঝিল কলোনীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০তলা বিশিষ্ট চারটি ভবনে (৬৫০ বর্গফুট আয়তনের) ৫৩২টি ফ্ল্যাটের কাজ চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম শহরে পরিত্যক্ত বাড়িতে ২৫০ বর্গফুট আয়তনের ৮০টি ডরমিটরি রুম। গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-৮ এর ক্যাম্পাসে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৮শ' বর্গফুটের ১৫০টি, ৬৫০ বর্গফুটের ৭২টি এবং ১ হাজার বর্গফুটের ৬৬টি মোট ২৮৮টি ফ্ল্যাটের অনুমোদন পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকার মালিবাগে আবুজর গিফারী কলেজ সংলগ্ন গণপূর্ত অধিদফতরের জমিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৮শ' বর্গফুটের ২২৮টি এবং ৬৫০ বর্গফুটের ২২৮টি মোট ৪৫৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণের অনুমোদন রয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, এছাড়া নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১ হাজার বর্গফুটের ১৫৬টি, ৮শ' বর্গফুটের ১৫৬টি ও ৬৫০ বর্গফুটের ১৫৬টি মোট ৪৬৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণের অনুমোদন রয়েছে।
তিনি জানান, 'পল্লী জনপদ' কর্মসূচির আওতায় স্বল্প মূল্যের ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় তিনটি জেলা শহরে বস্তিবাসীদের আবাসন তৈরির লক্ষ্যে একটি সমীক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ শিগগিরই শুরু হবে।
তিনি বলেন, আগামীতে সরকারের অর্থায়নে ঢাকার মিরপুরে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ৫৫৫ বর্গফুট আয়তনের ৬৪৮টি ফ্ল্যাট তৈরির পরিকল্পনা জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের রয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকার আজিমপুর কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০তলা বিশিষ্ট সাতটি ভবনে (তিনটি ভবনে ১ হাজার বর্গফুটের ১৫২টি ও চারটি ভবনে ৮শ' বর্গফুটের ৩০৪টি) মোট ৪৫৬টি ফ্ল্যাটের কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকার মতিঝিল কলোনীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০তলা বিশিষ্ট চারটি ভবনে (৬৫০ বর্গফুট আয়তনের) ৫৩২টি ফ্ল্যাটের কাজ চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম শহরে পরিত্যক্ত বাড়িতে ২৫০ বর্গফুট আয়তনের ৮০টি ডরমিটরি রুম। গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-৮ এর ক্যাম্পাসে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৮শ' বর্গফুটের ১৫০টি, ৬৫০ বর্গফুটের ৭২টি এবং ১ হাজার বর্গফুটের ৬৬টি মোট ২৮৮টি ফ্ল্যাটের অনুমোদন পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকার মালিবাগে আবুজর গিফারী কলেজ সংলগ্ন গণপূর্ত অধিদফতরের জমিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৮শ' বর্গফুটের ২২৮টি এবং ৬৫০ বর্গফুটের ২২৮টি মোট ৪৫৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণের অনুমোদন রয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, এছাড়া নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১ হাজার বর্গফুটের ১৫৬টি, ৮শ' বর্গফুটের ১৫৬টি ও ৬৫০ বর্গফুটের ১৫৬টি মোট ৪৬৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণের অনুমোদন রয়েছে।

No comments:
Post a Comment