ছেলে-ছোকরাদের
গুলতি এবার যাবে পুলিশের হাতে। আর তা আম-কাঁঠালের পরিবর্তে পড়বে
বিক্ষোভকারীদের পিঠে। বিক্ষোভকারীদের প্রতিহত করতে টিয়ার গ্যাস বা রাবার
বুলেটের বদলে এবার প্রাচীন অস্ত্র গুলতি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের
হরিয়ানা রাজ্য পুলিশ। বুধবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ খবর চাউর
হয়েছে। এরই মধ্যে পুলিশ সদস্যদের গুলতি চালানোর প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে। আর
এই গুলতি দিয়ে ছোড়া হবে মার্বেল ও মরিচের মিশ্রণযুক্ত ছোট ছোট ব্যাগ।
হরিয়ানার ঝিন্দ জেলা পুলিশের প্রধান অভিষেক জরওয়াল বিবিসিকে বলেন, ‘দীর্ঘ
গবেষণা ও উন্নয়নের পর এই গুলতিগুলো তৈরি করা হয়েছে। এসব গুলতি পুলিশ
সদস্যদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ও
বর্তমানে ব্যবহৃত নানা অস্ত্রের বদলে সহিংসতা দমনে ব্যবহার করা হবে।’
মূলত বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করতেই গুলতির ব্যবহার শুরু করা হচ্ছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, তারা যেন প্রাথমিক অস্ত্র হিসেবে গুলতি ও টিয়ার গ্যাসের শেল ব্যবহার করেন। সর্বোচ্চ পরিস্থিতি না হলে যেন গুলি বা বুলেট ব্যবহার না করা হয়।
অভিষেক আরও বলেন, মার্বেল ও মরিচগুঁড়া দিয়ে তৈরি এই ব্যাগগুলো মানুষের শরীরে দীর্ঘমেয়াদি কোনো ক্ষতি সৃষ্টি করবে না। তবে সংঘর্ষের সময় বিক্ষোভকারীদের পিছু হটতে বাধ্য করবে।
গুলতি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো ভারতে হাতে তৈরি অস্ত্র ব্যবহার শুরু করতে যাচ্ছে ভারতের পুলিশ বাহিনী। তবে গুলতি দিয়ে মার্বেলের মতো বস্তু ছোড়া হলে সাধারণ মানুষ বাজেভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
মূলত বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করতেই গুলতির ব্যবহার শুরু করা হচ্ছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, তারা যেন প্রাথমিক অস্ত্র হিসেবে গুলতি ও টিয়ার গ্যাসের শেল ব্যবহার করেন। সর্বোচ্চ পরিস্থিতি না হলে যেন গুলি বা বুলেট ব্যবহার না করা হয়।
অভিষেক আরও বলেন, মার্বেল ও মরিচগুঁড়া দিয়ে তৈরি এই ব্যাগগুলো মানুষের শরীরে দীর্ঘমেয়াদি কোনো ক্ষতি সৃষ্টি করবে না। তবে সংঘর্ষের সময় বিক্ষোভকারীদের পিছু হটতে বাধ্য করবে।
গুলতি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো ভারতে হাতে তৈরি অস্ত্র ব্যবহার শুরু করতে যাচ্ছে ভারতের পুলিশ বাহিনী। তবে গুলতি দিয়ে মার্বেলের মতো বস্তু ছোড়া হলে সাধারণ মানুষ বাজেভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

No comments:
Post a Comment