নারীর
প্রতি বৈষম্য রোধ, নিরাপত্তাহীনতাসহ সব প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে নারীদের সামনে
এগোতে হলে ব্যক্তিপর্যায় থেকেই পরিবর্তন আনতে হবে। নিজের, পরিবারের সবার ও
আশপাশের সবার মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে আগে। ‘উদ্যমে উত্তরণে শতকোটি’
আন্দোলনের মতবিনিময় সভায় এমনটাই মত দিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা।
গতকাল শনিবার রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে তরুণদের সঙ্গে এই মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পিতৃতন্ত্র, নারীর নিরাপত্তাহীনতা, নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করতে তরুণদের কী ভূমিকা নেওয়া উচিত, তা নিয়ে আলোচনা হয়। নারীর প্রতি সহিংসতার বিষয়টিকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে কীভাবে সব ধরনের বৈষম্য ও সহিংসতা দূর করা যায়, তাও আলোচনায় উঠে আসে। নারীরাও এ বিষয়ে তাঁদের ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সাত শৃঙ্গজয়ী ওয়াসফিয়া নাজরীন তাঁর পর্বতারোহণের বিষয় নিয়ে পরিবারের অসহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি সেসব প্রতিকূলতা এড়িয়ে তিনি কীভাবে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছেন, তাও তুলে ধরেন। সাফল্যের জন্য নারীদের নিজেদের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, পিতৃতন্ত্র থেকে উত্তরণের জন্য মাতৃতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা নয়, সমতাভিত্তিক সমাজ গড়তে হবে। নারীকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও যেকোনো কাজে নারীকে গুরুত্ব দিতে হবে।
নারীর ওপর দেশে দেশে বিরাজমান সহিংসতার বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টি ও প্রতিরোধ গড়ার লক্ষ্যে সংগঠিত চলমান আন্দোলন ‘উদ্যমে উত্তরণে শতকোটি’। ‘ওয়ান বিলিয়ন রাইজিং’ নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত এটি। ২০১৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী এর সূচনা হয়। উদ্যমে উত্তরণে শতকোটি বাংলাদেশের সমন্বয়ক খুশী কবির প্রথম আলোকে বলেন, আন্দোলনের এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘ভুক্তভোগীদের কথা শোনা, কাজ করা এবং জেগে ওঠা’। এবারের প্রতিপাদ্য নিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। তারই ধারাবাহিকতায় তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ের আয়োজন।
মতবিনিময়ে অংশ নেন এই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা, মার্কিন অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক ইভ এন্সলার ও ফিলিপাইনের চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মনিক উইলসন, দক্ষিণ এশিয়ার নারীবাদী নেটওয়ার্ক সাংগাত-এর সমন্বয়কারী নাসতাসিয়া পল গেরা, খুশী কবির, জেন্ডার বিশেষজ্ঞ ফওজিয়া খোন্দকার প্রমুখ।
গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সূচনায় খুশী কবির বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নারীরাই আন্দোলন করবেন তা নয়, এর সঙ্গে পুরুষেরাও নারীদের সঙ্গী হবেন। অনুষ্ঠানে নাচ, কবিতা, গান ও কথিকার মাধ্যমে নারীর প্রতি বৈষম্যের নানা দিক তুলে ধরা হয়। নারী-পুরুষ একসঙ্গে মিলে এর প্রতিরোধের অঙ্গীকার করা হয়।
ওয়ান বিলিয়ন রাইজিংয়ের দুই প্রতিষ্ঠাতা গত বৃহস্পতিবার ঢাকা আসেন। পরদিন শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নারী-পুরুষ সবাইকে নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে জেগে ওঠার আহ্বান নিয়ে চতুর্থ বছরের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তাঁরা। বিকেলে রানা প্লাজার ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেই ধারাবাহিকতায় গতকালের মতবিনিময় ও সন্ধ্যার সমাবেশ শেষ করে ঢাকা ছেড়েছেন।
গতকাল শনিবার রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে তরুণদের সঙ্গে এই মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পিতৃতন্ত্র, নারীর নিরাপত্তাহীনতা, নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করতে তরুণদের কী ভূমিকা নেওয়া উচিত, তা নিয়ে আলোচনা হয়। নারীর প্রতি সহিংসতার বিষয়টিকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে কীভাবে সব ধরনের বৈষম্য ও সহিংসতা দূর করা যায়, তাও আলোচনায় উঠে আসে। নারীরাও এ বিষয়ে তাঁদের ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সাত শৃঙ্গজয়ী ওয়াসফিয়া নাজরীন তাঁর পর্বতারোহণের বিষয় নিয়ে পরিবারের অসহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি সেসব প্রতিকূলতা এড়িয়ে তিনি কীভাবে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছেন, তাও তুলে ধরেন। সাফল্যের জন্য নারীদের নিজেদের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, পিতৃতন্ত্র থেকে উত্তরণের জন্য মাতৃতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা নয়, সমতাভিত্তিক সমাজ গড়তে হবে। নারীকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও যেকোনো কাজে নারীকে গুরুত্ব দিতে হবে।
নারীর ওপর দেশে দেশে বিরাজমান সহিংসতার বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টি ও প্রতিরোধ গড়ার লক্ষ্যে সংগঠিত চলমান আন্দোলন ‘উদ্যমে উত্তরণে শতকোটি’। ‘ওয়ান বিলিয়ন রাইজিং’ নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত এটি। ২০১৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী এর সূচনা হয়। উদ্যমে উত্তরণে শতকোটি বাংলাদেশের সমন্বয়ক খুশী কবির প্রথম আলোকে বলেন, আন্দোলনের এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘ভুক্তভোগীদের কথা শোনা, কাজ করা এবং জেগে ওঠা’। এবারের প্রতিপাদ্য নিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। তারই ধারাবাহিকতায় তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ের আয়োজন।
মতবিনিময়ে অংশ নেন এই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা, মার্কিন অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক ইভ এন্সলার ও ফিলিপাইনের চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মনিক উইলসন, দক্ষিণ এশিয়ার নারীবাদী নেটওয়ার্ক সাংগাত-এর সমন্বয়কারী নাসতাসিয়া পল গেরা, খুশী কবির, জেন্ডার বিশেষজ্ঞ ফওজিয়া খোন্দকার প্রমুখ।
গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সূচনায় খুশী কবির বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নারীরাই আন্দোলন করবেন তা নয়, এর সঙ্গে পুরুষেরাও নারীদের সঙ্গী হবেন। অনুষ্ঠানে নাচ, কবিতা, গান ও কথিকার মাধ্যমে নারীর প্রতি বৈষম্যের নানা দিক তুলে ধরা হয়। নারী-পুরুষ একসঙ্গে মিলে এর প্রতিরোধের অঙ্গীকার করা হয়।
ওয়ান বিলিয়ন রাইজিংয়ের দুই প্রতিষ্ঠাতা গত বৃহস্পতিবার ঢাকা আসেন। পরদিন শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নারী-পুরুষ সবাইকে নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে জেগে ওঠার আহ্বান নিয়ে চতুর্থ বছরের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তাঁরা। বিকেলে রানা প্লাজার ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেই ধারাবাহিকতায় গতকালের মতবিনিময় ও সন্ধ্যার সমাবেশ শেষ করে ঢাকা ছেড়েছেন।
![]() |
| রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে ‘উদ্যমে উত্তরণে শতকোটি’ আন্দোলনের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে (বাঁ থেকে) মনিক উইলসন, ফওজিয়া খোন্দকার, ইভ এন্সলার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও খুশী কবির l প্রথম আলো |

No comments:
Post a Comment