Monday, February 15, 2016

এটিএমে জালিয়াতির ঘটনায় তিন নির্দেশনা

এটিএমের মাধ্যমে অর্থ জালিয়াতির ঘটনায় ব্যাংকগুলোকে তিন নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।
এতে বলা হয়, ব্যাংকগুলোকে তাদের এটিএম বুথে এন্টি স্কিমিং যন্ত্র স্থাপন করতে হবে। নিয়মিত ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করার পাশপাশি এটিএম বুথে যাতে কোনো ব্যক্তি নতুন যন্ত্র স্থাপন না করতে পারে সেদিকে নজর রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া এটিএম বুথে আন্তঃব্যাংক লেনদেন বন্ধ না করতেও ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভংকর সাহা বলেন, 'শুক্রবার একটি ঘটনা ঘটেছে। দুদিন বন্ধ থাকায় আমরা তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারিনি। আজ একটি পরিদর্শন টিম ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়া হবে।'
এছাড়া পরিদর্শন দল গ্রাহকের টাকা ফেরত দেয়ার বিষয়ে ব্যাংকের দায়ও চিহ্নিত করবে, যাতে সংশ্লিষ্ট গ্রাহক খোয়া যাওয়া অর্থ ফেরত পেতে পারে, জানান তিনি।
এদিকে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আন্তঃব্যাংক এটিএম লেনদেন বন্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে ডাচবাংলা ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সগির আহমেদ বলেন, 'কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে একটি নির্দেশনা ছিল আন্তঃব্যাংক লেনদেন বন্ধ রাখতে। আমার জানামতে এখনো বন্ধ আছে।'
গত শুক্রবার ইস্টার্ন ব্যাংকের এটিএম কার্ডধারী কয়েকজন গ্রাহকের হিসাব থেকে টাকা তুলে নেয়ার ঘটনা ঘটে। ডেবিট কার্ডধারী ২১ গ্রাহক এ নিয়ে ব্যাংকের কাছে অভিযোগ করেছেন। টাকা তুলে নেয়ার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) কর্তৃপক্ষ শুক্রবার রাতে বনানী থানায় মামলা করার পর পুলিশ তদন্তও শুরু করেছে। ইউসিবি কর্তৃপক্ষ এজাহারের সঙ্গে বুথের সিসিটিভিতে ধরা পড়া কিছু ভিডিও ফুটেজ দিয়েছে।
ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি আলী রেজা ইফতেখার গণমাধ্যমকে বলেন, ইস্টার্নসহ সব ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক সুরক্ষিত। জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ অব বাংলাদেশ (এনপিএসবি) সুরক্ষিত না হওয়ায় শুধু ইস্টার্ন ব্যাংক নয়, অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথেও জালিয়াতি ঘটেছে।

No comments:

Post a Comment