সরাসরি পরিচালক পদ পেয়েছে আরও চার সংগঠন
দিন
দিন গুরুত্ব হারাচ্ছে এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক পদের নির্বাচন। নতুন করে আরও
চার বাণিজ্য সংগঠনকে সরাসরি পরিচালক পদ দেয়া হয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্তের
ফলে ভোটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচনের দাবি আরও ফিকে হয়ে গেল। ফলে ভোটের
মাঠে লড়াইয়ের চাইতে ব্যবসায়ীরা সরকারের উচ্চ মহলে তদবির চালিয়ে সরাসরি
পরিচালক পদ মেতে মরিয়া হয়ে উঠছেন। এতে প্রকারান্তরে শীর্ষ এই ব্যবসায়ী
সংগঠনের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নতুন আরও চার বাণিজ্য সংগঠনের পরিচালকদের সরাসরি এফবিসিসিআই পরিচালক হিসেবে মনোনয়ন দিয়ে ৪ ফেব্র“য়ারি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
সংগঠনগুলো হল : চেম্বার গ্রুপ থেকে চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আর অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক পদ সংখ্যা হবে ৬০ জন। এর মধ্যে চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে নির্বাচিত পরিচালক হবেন ১৮ জন করে মোট ৩৬ জন। আর চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে মনোনীত পরিচালক হবেন ১২ জন করে মোট ২৪ জন। নতুন করে চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে ২টি করে ৪টি বাণিজ্য সংগঠনের পরিচালকদের সরাসরি এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ আগামী নির্বাচনে এই ৪টি বাণিজ্য সংগঠনের মনোনীত পরিচালকরা এফবিসিসিআইয়ের সরাসরি পরিচালক হবেন। বাকি ৪টি পরিচালক পদে লড়তে হবে বাণিজ্য সংগঠনের নেতাদের। ২০১৭-১৯ মেয়াদে এফবিসিসিআই নির্বাচন থেকে এ প্রজ্ঞাপন কার্যকর হবে। বর্তমানে এফবিসিসিআইতে ৫২টি পরিচালক পদ রয়েছে।
সূত্র জানায়, আগামীতে আরও কিছু বাণিজ্য সংগঠন সরাসরি এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হিসেবে মনোনীত হবে। এর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে ময়মনসিংহ চেম্বার। কারণ ময়মনসিংহকে বিভাগ ঘোষণা দেয়ার পর নিয়মানুযায়ী এই চেম্বারের পরিচালকদের এফবিসিসিআইয়ের সরাসরি পরিচালক পদ দিতে হবে। তাহলে এর সঙ্গে অন্য একটি অ্যাসোসিয়েশনকেও সরাসরি পরিচালক পদ দিতে হবে। ওই অ্যাসোসিয়েশন কোনটি হবে সেটা নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে এখনই তদবির শুরু হয়ে গেছে।
সূত্র আরও জানায়, বর্তমানে এফবিসিসিআইয়ের প্রধান ৩টি পদের সব কটিই অনির্বাচিতরা দখল করে আছে। সাধারণ ব্যবসায়ীরা নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী হয়েও নেতৃত্ব দিতে পারছে না। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে ক্ষোভ বাড়ছে। অন্যদিকে সরকার যেহেতু এদের মনোনয়ন দেয় তাই সাধারণ ব্যবসায়ীদের কথা বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বলার চাইতে এরা সরকারের তোষামদে ব্যস্ত থাকে। ফলে সংগঠন করেও সাধারণ ব্যবসায়ীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, চাওয়া-পাওয়া পূরণ হয় না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এফবিসিসিআই পরিচালক বলেন, বিগত ৩ সভাপতি নির্বাচনের আগে তাদের ইশতেহারে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে এফবিসিসিআই সভাপতি নির্বাচন করার কথা বললেও কেউ কথা রাখেনি। বরং উল্টো করছে। নতুন নতুন সংগঠনকে সরাসরি পরিচালক পদ দিচ্ছে। এতে এফবিসিসিআইতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ব্যাংক ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা, বিভিন্ন ইস্যুতে দাবি আদায়ে সরকারের সঙ্গে লড়ার বদলে এফবিসিসিআই সভাপতিরা সাধারণ ব্যবসায়ীদের দাবি-দাওয়াকে জলাঞ্জলি দিয়ে আপস করছেন। এভাবে চলতে থাকলে কেউ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে চাইবেন না। সবাই সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পদ বাগিয়ে নিতে চেষ্টা করবেন। ফলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা এফবিসিসিআইয়ের নেতৃত্ব না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়বেন।
তারা আরও বলেন, প্রতিবারই ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় প্রধান ৩টি পদের নেতারা যে যার মতো বাণিজ্য সংগঠনকে সরাসরি পরিচালক দিয়ে যাচ্ছেন। আবার বাণিজ্য সংগঠনের নামে অনেক ভুঁইফোড় সংগঠনের অনুমোদনের সুপারিশ করছেন। এগুলো পরবর্তী নির্বাচনে তাদের ভোট ব্যাংক হিসেবে কাজ করবে। এই তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এত পরিচালক পদ থাকায় ব্যবসা- বাণিজ্য উন্নয়নে তারা ভূমিকা রাখতে পারছেন না। এসব পরিচালক শুধু সিআইপি কার্ড আর রাষ্ট্রীয় সফরে নিজেদের অংশগ্রহণে নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।
তারা দাবি জানান, ব্যবসা-বাণিজ্যে গতিশীলতা আনতে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি নির্বাচন করা উচিত। এ জন্য ভোটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচনের বিকল্প নেই।
নতুন আরও চার বাণিজ্য সংগঠনের পরিচালকদের সরাসরি এফবিসিসিআই পরিচালক হিসেবে মনোনয়ন দিয়ে ৪ ফেব্র“য়ারি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
সংগঠনগুলো হল : চেম্বার গ্রুপ থেকে চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আর অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক পদ সংখ্যা হবে ৬০ জন। এর মধ্যে চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে নির্বাচিত পরিচালক হবেন ১৮ জন করে মোট ৩৬ জন। আর চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে মনোনীত পরিচালক হবেন ১২ জন করে মোট ২৪ জন। নতুন করে চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে ২টি করে ৪টি বাণিজ্য সংগঠনের পরিচালকদের সরাসরি এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ আগামী নির্বাচনে এই ৪টি বাণিজ্য সংগঠনের মনোনীত পরিচালকরা এফবিসিসিআইয়ের সরাসরি পরিচালক হবেন। বাকি ৪টি পরিচালক পদে লড়তে হবে বাণিজ্য সংগঠনের নেতাদের। ২০১৭-১৯ মেয়াদে এফবিসিসিআই নির্বাচন থেকে এ প্রজ্ঞাপন কার্যকর হবে। বর্তমানে এফবিসিসিআইতে ৫২টি পরিচালক পদ রয়েছে।
সূত্র জানায়, আগামীতে আরও কিছু বাণিজ্য সংগঠন সরাসরি এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হিসেবে মনোনীত হবে। এর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে ময়মনসিংহ চেম্বার। কারণ ময়মনসিংহকে বিভাগ ঘোষণা দেয়ার পর নিয়মানুযায়ী এই চেম্বারের পরিচালকদের এফবিসিসিআইয়ের সরাসরি পরিচালক পদ দিতে হবে। তাহলে এর সঙ্গে অন্য একটি অ্যাসোসিয়েশনকেও সরাসরি পরিচালক পদ দিতে হবে। ওই অ্যাসোসিয়েশন কোনটি হবে সেটা নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে এখনই তদবির শুরু হয়ে গেছে।
সূত্র আরও জানায়, বর্তমানে এফবিসিসিআইয়ের প্রধান ৩টি পদের সব কটিই অনির্বাচিতরা দখল করে আছে। সাধারণ ব্যবসায়ীরা নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী হয়েও নেতৃত্ব দিতে পারছে না। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে ক্ষোভ বাড়ছে। অন্যদিকে সরকার যেহেতু এদের মনোনয়ন দেয় তাই সাধারণ ব্যবসায়ীদের কথা বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বলার চাইতে এরা সরকারের তোষামদে ব্যস্ত থাকে। ফলে সংগঠন করেও সাধারণ ব্যবসায়ীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, চাওয়া-পাওয়া পূরণ হয় না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এফবিসিসিআই পরিচালক বলেন, বিগত ৩ সভাপতি নির্বাচনের আগে তাদের ইশতেহারে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে এফবিসিসিআই সভাপতি নির্বাচন করার কথা বললেও কেউ কথা রাখেনি। বরং উল্টো করছে। নতুন নতুন সংগঠনকে সরাসরি পরিচালক পদ দিচ্ছে। এতে এফবিসিসিআইতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ব্যাংক ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা, বিভিন্ন ইস্যুতে দাবি আদায়ে সরকারের সঙ্গে লড়ার বদলে এফবিসিসিআই সভাপতিরা সাধারণ ব্যবসায়ীদের দাবি-দাওয়াকে জলাঞ্জলি দিয়ে আপস করছেন। এভাবে চলতে থাকলে কেউ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে চাইবেন না। সবাই সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পদ বাগিয়ে নিতে চেষ্টা করবেন। ফলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা এফবিসিসিআইয়ের নেতৃত্ব না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়বেন।
তারা আরও বলেন, প্রতিবারই ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় প্রধান ৩টি পদের নেতারা যে যার মতো বাণিজ্য সংগঠনকে সরাসরি পরিচালক দিয়ে যাচ্ছেন। আবার বাণিজ্য সংগঠনের নামে অনেক ভুঁইফোড় সংগঠনের অনুমোদনের সুপারিশ করছেন। এগুলো পরবর্তী নির্বাচনে তাদের ভোট ব্যাংক হিসেবে কাজ করবে। এই তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এত পরিচালক পদ থাকায় ব্যবসা- বাণিজ্য উন্নয়নে তারা ভূমিকা রাখতে পারছেন না। এসব পরিচালক শুধু সিআইপি কার্ড আর রাষ্ট্রীয় সফরে নিজেদের অংশগ্রহণে নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।
তারা দাবি জানান, ব্যবসা-বাণিজ্যে গতিশীলতা আনতে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি নির্বাচন করা উচিত। এ জন্য ভোটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচনের বিকল্প নেই।

No comments:
Post a Comment