![]() |
| প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |
প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রকৌশলীরা সংসদ, ক্যাবিনেট ও উপদেষ্টা পদসহ কোথায় না
আছে? সব যায়গায় আমরা তাদের রেখেছি। তাদের পদ মর্যাদা দিতে কার্পণ্য করিনি।
এতে একটা বিষয় ভালো হয়েছে, বিপদে পড়লে তাদের দ্বারস্থ হওয়া যায়। কাজ করতে
সুবিধে হয়। শনিবার দুপুরে ইঞ্জিনীয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি)
৫৬তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রকৌশলীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের লক্ষ্য, দেশটাকে যেন দ্রুত উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাবো। উন্নয়নের জন্য প্রকৌশলীদের মেধা-দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে। পরিবেশ ও দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে স্থাপনা তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, অবহেলিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে আমরা কাজ করছি। উন্নত-সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে যা কিছু করা দরকার, সরকার তা করবে। শতভাগ বেতন বৃদ্ধি এ পর্যন্ত কোনো সরকার করতে পারেনি, আমরা করে দিয়েছি। আমাদের প্রবৃদ্ধি ৭ভাগে উন্নীত করতে চাই। সেজন্য আমাদের সবার হাতে যে কাজগুলো আছে, সম্পন্ন করতে হবে।
'বিএনপি-জামায়াতের ৫ বছর ও তত্ত্বাবধায়কের ২ বছরে কোনো উন্নয়ন-অগ্রগতি হয়নি' দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের উন্নয়ন হয়েছে। ওই সময় রাস্তা-ঘাট, পুল-কালভার্ট নির্মাণ করেছি, বিদ্যুৎ উপাদান বাড়িয়েছি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণ যুগ ছিল। এরপর সাত বছরে কোনো উন্নয়ন হয়নি। সেসময় আমাদের অর্থনীতি একটা অব্যবস্থাপনায় ছিল। আমরা আবারও ক্ষমতায় এসে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মোকবেলা করেছিলাম বলে এখন ইনফ্লুয়েন্স ৬.৫ ভাগে উন্নীত হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের কাছে কোনো কিছু অসাধ্য না। যেকোনো অসাধ্য সাধন করতে পারি। শূন্যের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন জাতির পিতা। ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার কাজ শুরু করেছিলেন। দুর্ভাগ্য ১৫ আগস্ট তাকে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পদ্মাসেতু নিয়ে একটা বদনাম করা হয়েছে। আমরা যে অন্যায় করিনি, সেটা আমাদের ওপর চাপানো হয়েছে। এজন্য নিজেদের অর্থে পদ্মাসেতু করার ঘোষণা দিয়েছি, করছি।
নিজ সরকারে উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। প্রকৃতপক্ষে এখনকার বাংলাদেশ সত্যিই ডিজিটাল বাংলাদেশ। সারাদেশে ডিজিটাল সেন্টার করে দিয়েছি। প্রযুক্তির নতুন সুযোগগুলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে ভোগ করতে পারে, পদক্ষেপ নিয়েছি।
তিনি বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন হচ্ছে। রেলপথ আলাদা মন্ত্রণালয় করে দিয়েছি। সবগুলো নদীর উপর ব্রীজ করে দিয়েছি। বলেছি, সবগুলো নৌপথ সচল করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, বেসরকারি খাতকে আমরাই প্রথম উন্মুক্ত করে দিয়েছি। বেসরকারি ব্যাংক, টিভি চ্যানেল, বিমানসহ সব খাত উন্মুক্ত করে দিয়েছি। এতে একটা কাজ হয়েছে, মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, প্রত্যেকটা জেলা সরকারি অথবা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছি। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিচ্ছি। শিক্ষাকে বহুমুখি করার পদক্ষেপ নিয়েছি। বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষানীতি আমরাই করেছি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে ত্যাগ। এ ত্যাগকে শ্রদ্ধা জানাই। দেশের সমৃদ্ধিতে এ ত্যাগের ইতিহাস আমাদের পথ দেখাবে।
নিজের এলাকার জন্য বেশি বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন ও কাজ করার প্রবণতা কমানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সব উপজেলাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। সবাই দাবি করেন। আমারও কিছু দাবি আছে, দেশের জন্য কাজ করেন।
এসময় বেশি খরচে অপ্রয়োজনীয় কাজ করা হচ্ছে বলে আক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী। খরচ বাড়ানোর পরিকল্পনা না করে কমানোর পরিকল্পনা করতে বলেন তিনি।
'পাওয়ার যন্ত্রণায় আছি' মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, এক সময় সবদিক দিয়ে বঞ্চিত ছিলাম। এখন সবাই দেয়ার জন্য ব্যস্ত থাকেন। তাই এখন পাওয়ার যন্ত্রণায় আছি। প্রধানমন্ত্রীর এলাকা বলে সবকিছু দিতে হবে, এ ‘আদিখ্যেতা’ বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের এক নম্বর সদস্য। তাছাড়া আমি একজন এমপিও। তাই নিজের এলাকায় আমার দায়িত্ব আমি পালন করি। সেখানে আমাকে খুশি করতে আলাদা করে কোনো প্রকল্প নেয়ার দরকার নেই।
প্রকৌশলীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের লক্ষ্য, দেশটাকে যেন দ্রুত উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাবো। উন্নয়নের জন্য প্রকৌশলীদের মেধা-দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে। পরিবেশ ও দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে স্থাপনা তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, অবহেলিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে আমরা কাজ করছি। উন্নত-সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে যা কিছু করা দরকার, সরকার তা করবে। শতভাগ বেতন বৃদ্ধি এ পর্যন্ত কোনো সরকার করতে পারেনি, আমরা করে দিয়েছি। আমাদের প্রবৃদ্ধি ৭ভাগে উন্নীত করতে চাই। সেজন্য আমাদের সবার হাতে যে কাজগুলো আছে, সম্পন্ন করতে হবে।
'বিএনপি-জামায়াতের ৫ বছর ও তত্ত্বাবধায়কের ২ বছরে কোনো উন্নয়ন-অগ্রগতি হয়নি' দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের উন্নয়ন হয়েছে। ওই সময় রাস্তা-ঘাট, পুল-কালভার্ট নির্মাণ করেছি, বিদ্যুৎ উপাদান বাড়িয়েছি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণ যুগ ছিল। এরপর সাত বছরে কোনো উন্নয়ন হয়নি। সেসময় আমাদের অর্থনীতি একটা অব্যবস্থাপনায় ছিল। আমরা আবারও ক্ষমতায় এসে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মোকবেলা করেছিলাম বলে এখন ইনফ্লুয়েন্স ৬.৫ ভাগে উন্নীত হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের কাছে কোনো কিছু অসাধ্য না। যেকোনো অসাধ্য সাধন করতে পারি। শূন্যের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন জাতির পিতা। ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার কাজ শুরু করেছিলেন। দুর্ভাগ্য ১৫ আগস্ট তাকে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পদ্মাসেতু নিয়ে একটা বদনাম করা হয়েছে। আমরা যে অন্যায় করিনি, সেটা আমাদের ওপর চাপানো হয়েছে। এজন্য নিজেদের অর্থে পদ্মাসেতু করার ঘোষণা দিয়েছি, করছি।
নিজ সরকারে উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। প্রকৃতপক্ষে এখনকার বাংলাদেশ সত্যিই ডিজিটাল বাংলাদেশ। সারাদেশে ডিজিটাল সেন্টার করে দিয়েছি। প্রযুক্তির নতুন সুযোগগুলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে ভোগ করতে পারে, পদক্ষেপ নিয়েছি।
তিনি বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন হচ্ছে। রেলপথ আলাদা মন্ত্রণালয় করে দিয়েছি। সবগুলো নদীর উপর ব্রীজ করে দিয়েছি। বলেছি, সবগুলো নৌপথ সচল করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, বেসরকারি খাতকে আমরাই প্রথম উন্মুক্ত করে দিয়েছি। বেসরকারি ব্যাংক, টিভি চ্যানেল, বিমানসহ সব খাত উন্মুক্ত করে দিয়েছি। এতে একটা কাজ হয়েছে, মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, প্রত্যেকটা জেলা সরকারি অথবা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছি। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিচ্ছি। শিক্ষাকে বহুমুখি করার পদক্ষেপ নিয়েছি। বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষানীতি আমরাই করেছি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে ত্যাগ। এ ত্যাগকে শ্রদ্ধা জানাই। দেশের সমৃদ্ধিতে এ ত্যাগের ইতিহাস আমাদের পথ দেখাবে।
নিজের এলাকার জন্য বেশি বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন ও কাজ করার প্রবণতা কমানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সব উপজেলাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। সবাই দাবি করেন। আমারও কিছু দাবি আছে, দেশের জন্য কাজ করেন।
এসময় বেশি খরচে অপ্রয়োজনীয় কাজ করা হচ্ছে বলে আক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী। খরচ বাড়ানোর পরিকল্পনা না করে কমানোর পরিকল্পনা করতে বলেন তিনি।
'পাওয়ার যন্ত্রণায় আছি' মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, এক সময় সবদিক দিয়ে বঞ্চিত ছিলাম। এখন সবাই দেয়ার জন্য ব্যস্ত থাকেন। তাই এখন পাওয়ার যন্ত্রণায় আছি। প্রধানমন্ত্রীর এলাকা বলে সবকিছু দিতে হবে, এ ‘আদিখ্যেতা’ বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের এক নম্বর সদস্য। তাছাড়া আমি একজন এমপিও। তাই নিজের এলাকায় আমার দায়িত্ব আমি পালন করি। সেখানে আমাকে খুশি করতে আলাদা করে কোনো প্রকল্প নেয়ার দরকার নেই।

No comments:
Post a Comment