বাংলাদেশসহ
এশিয়ার ৫৭ দেশের অংশীদারিত্বে চালু হচ্ছে ‘এশিয়ান ইনফ্রাস্টাকচার
ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক’ বা এআইআইবি। এই ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১০০ বিলিয়ন
মার্কিন ডলার। এর মধ্যে মূলধন হিসেবে বাংলাদেশকে পর্যায়ক্রমে সর্বমোট ১০৫৭
কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। এ জন্য চলতি বছরের সংশোধিত বাজেটে ‘এশিয়ান
ইনফ্রাস্টাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি)’ মূলধন বাবদ প্রায় ১০৭
কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। যদিও চলতি বাজেটে এ খাতে কোনো অর্থ বরাদ্দ
ছিল না।
এদিকে নতুন ব্যাংকের লক্ষ্য অর্জনে নেয়া কার্যক্রমকে আইনগত দায়মুক্তি দিয়ে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ‘এশিয়ান ইনফ্রাস্টাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক আইন-২০১৬’ পাস হয়েছে। নতুন আইনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের পক্ষে প্রদেয় সমুদয় অর্থ সংযুক্ত তহবিল থেকে প্রদত্ত হবে এবং প্রাপ্ত অর্থও সংযুক্ত তহবিলে জমা হবে। ব্যাংকের আমানতদার হবে বাংলাদেশ ব্যাংক। চুক্তির চ্যাপ্টার ৯-এর বিধানাবলী বাংলাদেশের আইনের মর্যাদা সম্পন্ন হবে। চুক্তির আর্টিক্যাল ৪৬-এর শর্ত সাপেক্ষে বিচার প্রক্রিয়া থেকে দায়মুক্তির বিধান রাখা হয়েছে।
এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় উদ্যোক্তা দেশ চীন। বাংলাদেশ এ ব্যাংকের সদস্য দেশ হিসেবে ঘোষণার জন্য ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর এমওইউ স্বাক্ষর করে। এরপর ২৯ জুন এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় একটি আর্টিক্যাল অব এগ্রিমেন্ট (এওএ) স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ। ২৫ ডিসেম্বর এওএ কার্যকর হয়।
জানতে চাইলে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান বুধবার যুগান্তরকে বলেন, পলিটিক্যাল ইকোনমির দৃষ্টি থেকে এটি বাড়তি সুবিধা সৃষ্টি করবে। যেহেতু এই মুহূর্তে আমরা ঋণ গ্রহীতা। ফলে ঋণের বাজারও সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি দৌড়গোড়ায় এসেছে। বাংলাদেশ এই ব্যাংকের সদস্য হয়ে বৃহত্তম অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হল।
জানা গেছে, নতুন এই ব্যাংক গঠন হয়েছে মূলত অবকাঠামো এবং অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে এশিয়ার টেকসই উন্নয়ন করার লক্ষ্যে। পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে এশিয়ার দেশগুলোতে সম্পদ সৃষ্টি, যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে উৎসাহিত করা এবং ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা।
জানা গেছে, এশিয়ার ৫৭ দেশের অংশীদারিত্বমূলক এই ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। পরিশোধিত মূলধন ২০ বিলিয়ন ডলার। কলাবেল শেয়ার হচ্ছে ৮০ বিলিয়ন ডলার। চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত মূলধনের ৭৫ বিলিয়ন ডলার আঞ্চলিক সদস্য দেশগুলো এবং আঞ্চলিক দেশগুলো ছাড়া অন্য দেশগুলো ২৫ বিলিয়ন ডলারের জোগান দেবে। এদিকে এআইআইবির মোট শেয়ারের মধ্যে বাংলাদেশের হচ্ছে ৬ হাজার ৬০৫ (প্রতিটি ১ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যমান) এবং চাঁদার পরিমাণ ৬৬ কোটি মার্কিন ডলার।
যার ২০ শতাংশ পরিশোধ হিসেবে চাঁদার পরিমাণ ১৩ কোটি ২১ লাখ মার্কিন ডলার (দেশীয় মুদ্রায় ১ হাজার ৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা)। এই অর্থ মোট ১০ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে।
এদিকে নতুন ব্যাংকের লক্ষ্য অর্জনে নেয়া কার্যক্রমকে আইনগত দায়মুক্তি দিয়ে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ‘এশিয়ান ইনফ্রাস্টাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক আইন-২০১৬’ পাস হয়েছে। নতুন আইনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের পক্ষে প্রদেয় সমুদয় অর্থ সংযুক্ত তহবিল থেকে প্রদত্ত হবে এবং প্রাপ্ত অর্থও সংযুক্ত তহবিলে জমা হবে। ব্যাংকের আমানতদার হবে বাংলাদেশ ব্যাংক। চুক্তির চ্যাপ্টার ৯-এর বিধানাবলী বাংলাদেশের আইনের মর্যাদা সম্পন্ন হবে। চুক্তির আর্টিক্যাল ৪৬-এর শর্ত সাপেক্ষে বিচার প্রক্রিয়া থেকে দায়মুক্তির বিধান রাখা হয়েছে।
এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় উদ্যোক্তা দেশ চীন। বাংলাদেশ এ ব্যাংকের সদস্য দেশ হিসেবে ঘোষণার জন্য ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর এমওইউ স্বাক্ষর করে। এরপর ২৯ জুন এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় একটি আর্টিক্যাল অব এগ্রিমেন্ট (এওএ) স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ। ২৫ ডিসেম্বর এওএ কার্যকর হয়।
জানতে চাইলে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান বুধবার যুগান্তরকে বলেন, পলিটিক্যাল ইকোনমির দৃষ্টি থেকে এটি বাড়তি সুবিধা সৃষ্টি করবে। যেহেতু এই মুহূর্তে আমরা ঋণ গ্রহীতা। ফলে ঋণের বাজারও সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি দৌড়গোড়ায় এসেছে। বাংলাদেশ এই ব্যাংকের সদস্য হয়ে বৃহত্তম অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হল।
জানা গেছে, নতুন এই ব্যাংক গঠন হয়েছে মূলত অবকাঠামো এবং অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে এশিয়ার টেকসই উন্নয়ন করার লক্ষ্যে। পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে এশিয়ার দেশগুলোতে সম্পদ সৃষ্টি, যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে উৎসাহিত করা এবং ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা।
জানা গেছে, এশিয়ার ৫৭ দেশের অংশীদারিত্বমূলক এই ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। পরিশোধিত মূলধন ২০ বিলিয়ন ডলার। কলাবেল শেয়ার হচ্ছে ৮০ বিলিয়ন ডলার। চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত মূলধনের ৭৫ বিলিয়ন ডলার আঞ্চলিক সদস্য দেশগুলো এবং আঞ্চলিক দেশগুলো ছাড়া অন্য দেশগুলো ২৫ বিলিয়ন ডলারের জোগান দেবে। এদিকে এআইআইবির মোট শেয়ারের মধ্যে বাংলাদেশের হচ্ছে ৬ হাজার ৬০৫ (প্রতিটি ১ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যমান) এবং চাঁদার পরিমাণ ৬৬ কোটি মার্কিন ডলার।
যার ২০ শতাংশ পরিশোধ হিসেবে চাঁদার পরিমাণ ১৩ কোটি ২১ লাখ মার্কিন ডলার (দেশীয় মুদ্রায় ১ হাজার ৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা)। এই অর্থ মোট ১০ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে।

No comments:
Post a Comment