সততা,
নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সাহসের সঙ্গে কাজ করতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা
বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,
জনগণের জানমালের হেফাজত করা আপনাদের পবিত্র দায়িত্ব। তৃণমূল বাহিনী হিসেবে
বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম। ২০১৪ সালে বিএনপি-জামায়াতের
তাণ্ডবের সময় এ বাহিনীর সদস্যরা সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে
সময় এ বাহিনীর সদস্যরা সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি
একাডেমিতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৩৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০১৬
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে
বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। দেশীয় অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ
চলছে। কর্ণফুলী নদীতে টানেল তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকা-ময়মনসিংহ
মহাসড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেন সড়ক বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ঢাকা-সিলেট চার
লেন মহাসড়কেরও উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। গত সাত বছরে প্রায় একশ বিদ্যুৎকেন্দ্র
স্থাপন করেছি আমরা। বিনামূল্যে বই বিতরণের ব্যবস্থা করেছি।
আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে আমি আপনাদেরকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেছি। ব্যাটালিয়ন আনসারদের চাকরি ১৫ বছর পূর্ণতার সাপেক্ষে স্থায়ী করেছি, যা পর্যায়ক্রমে ১২ ও ৯ এবং সর্বশেষ গত ৩৫তম জাতীয় সমাবেশে আমি ৬ বছরে স্থায়ীকরণের কথা ঘোষণা করি। কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে ৫ লাখ ও গুরুতর আহত হলে এক লাখ টাকার আর্থিক অনুদান অনুমোদন দিয়েছি। বিগত বছরে ২ হাজার ৫৫৮ জন ব্যাটালিয়ন আনসার ও সাধারণ আনসার সদস্যকে ৮ কোটি ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩০৫ টাকা আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে। ব্যাটালিয়ন আনসারদের পারিবারিক রেশনের ব্যবস্থা চলমান আছে। ২০১৫ সালে ৬৭২ জন মহিলা আনসার সদস্যকে স্থায়ী পদে পদায়ন করা হয়েছে। মহিলা থানা প্রশিক্ষিকাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়েছে। আপনাদের কাজের স্বীকৃতি ও বিশেষ সম্মান প্রদর্শনে আনসার বাহিনীতে আমাদের সরকারই পদক প্রবর্তন করেছে। অনসারকে বাংলাদেশের সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অন্যতম অংশীদার উল্লেখ করে তিনি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে এবং গ্রাম পর্যায়ে সমবায় আন্দোলন জোরদার করতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এ বাহিনীর ২০ জন বীর সদস্য বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুজিবনগর সরকারের শপথের দিনে গার্ড অব অনার দিয়েছিলেন। আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে তাদের স্মরণ করি। বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনে আনসার বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ বাহিনীর ৬৭০ জন সদস্য মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। একাত্তরে তারা মুক্তিকামী জনগণের মধ্যে ৪০ হাজার অস্ত্র বিতরণ করেছেন।
বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে আনসার-ভিডিপি একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সচিব মোজ্জামেল হক খান, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নাজিম উদ্দীন। এরপর প্রধানমন্ত্রীকে সশস্ত্র সালাম জানায় আনসার বাহিনীর একটি চৌকস দল। জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হওয়ার পর একটি খোলা জিপে প্যারেড পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে আনসার বাহিনীর ৬ শতাধিক সদস্য কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেন। এ সময় গ্যালারিতে আনসারের মহিলা সদস্যরা অনুপম ডিসপ্লে প্রদর্শন করেন।
কুচকাওয়াজের পর কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে আনসার সদস্যদের পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। সমাবেশে সেবা ও সাহসিকতা ক্যাটাগরিতে ৭৯ জনকে বাংলাদেশ আনসার পদক ও রাষ্ট্রপতি আনসার পদক এবং বাংলাদেশ ভিডিপি পদক ও রাষ্ট্রপতি ভিডিপি পদক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে তিনজনকে বাংলাদেশ আনসার পদক (সাহসিকতা), সাতজনকে প্রেসিডেন্ট আনসার পদক (সাহসিকতা), একজনকে মরণোত্তর বাংলাদেশ গ্রাম প্রতিরক্ষা দল পদক (সাহসিকতা), ছয়জনকে বাংলাদেশ গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (সেবা) পদক, ৩৭ জনকে প্রেসিডেন্ট আনসার (সেবা) পদক, ১৯ জনকে প্রেসিডেন্ট গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (সেবা) পদক প্রদান করা হয়। এছাড়া ২০১৪-১৫ বছরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপও আনসার সদস্যদেরও পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী প্রধান এবং সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী আনসার বাহিনীর পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে আমি আপনাদেরকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেছি। ব্যাটালিয়ন আনসারদের চাকরি ১৫ বছর পূর্ণতার সাপেক্ষে স্থায়ী করেছি, যা পর্যায়ক্রমে ১২ ও ৯ এবং সর্বশেষ গত ৩৫তম জাতীয় সমাবেশে আমি ৬ বছরে স্থায়ীকরণের কথা ঘোষণা করি। কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে ৫ লাখ ও গুরুতর আহত হলে এক লাখ টাকার আর্থিক অনুদান অনুমোদন দিয়েছি। বিগত বছরে ২ হাজার ৫৫৮ জন ব্যাটালিয়ন আনসার ও সাধারণ আনসার সদস্যকে ৮ কোটি ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩০৫ টাকা আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে। ব্যাটালিয়ন আনসারদের পারিবারিক রেশনের ব্যবস্থা চলমান আছে। ২০১৫ সালে ৬৭২ জন মহিলা আনসার সদস্যকে স্থায়ী পদে পদায়ন করা হয়েছে। মহিলা থানা প্রশিক্ষিকাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়েছে। আপনাদের কাজের স্বীকৃতি ও বিশেষ সম্মান প্রদর্শনে আনসার বাহিনীতে আমাদের সরকারই পদক প্রবর্তন করেছে। অনসারকে বাংলাদেশের সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অন্যতম অংশীদার উল্লেখ করে তিনি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে এবং গ্রাম পর্যায়ে সমবায় আন্দোলন জোরদার করতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এ বাহিনীর ২০ জন বীর সদস্য বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুজিবনগর সরকারের শপথের দিনে গার্ড অব অনার দিয়েছিলেন। আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে তাদের স্মরণ করি। বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনে আনসার বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ বাহিনীর ৬৭০ জন সদস্য মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। একাত্তরে তারা মুক্তিকামী জনগণের মধ্যে ৪০ হাজার অস্ত্র বিতরণ করেছেন।
বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে আনসার-ভিডিপি একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সচিব মোজ্জামেল হক খান, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নাজিম উদ্দীন। এরপর প্রধানমন্ত্রীকে সশস্ত্র সালাম জানায় আনসার বাহিনীর একটি চৌকস দল। জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হওয়ার পর একটি খোলা জিপে প্যারেড পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে আনসার বাহিনীর ৬ শতাধিক সদস্য কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেন। এ সময় গ্যালারিতে আনসারের মহিলা সদস্যরা অনুপম ডিসপ্লে প্রদর্শন করেন।
কুচকাওয়াজের পর কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে আনসার সদস্যদের পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। সমাবেশে সেবা ও সাহসিকতা ক্যাটাগরিতে ৭৯ জনকে বাংলাদেশ আনসার পদক ও রাষ্ট্রপতি আনসার পদক এবং বাংলাদেশ ভিডিপি পদক ও রাষ্ট্রপতি ভিডিপি পদক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে তিনজনকে বাংলাদেশ আনসার পদক (সাহসিকতা), সাতজনকে প্রেসিডেন্ট আনসার পদক (সাহসিকতা), একজনকে মরণোত্তর বাংলাদেশ গ্রাম প্রতিরক্ষা দল পদক (সাহসিকতা), ছয়জনকে বাংলাদেশ গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (সেবা) পদক, ৩৭ জনকে প্রেসিডেন্ট আনসার (সেবা) পদক, ১৯ জনকে প্রেসিডেন্ট গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (সেবা) পদক প্রদান করা হয়। এছাড়া ২০১৪-১৫ বছরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপও আনসার সদস্যদেরও পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী প্রধান এবং সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী আনসার বাহিনীর পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

No comments:
Post a Comment